ভোলার মনপুরা উপজেলার সঙ্গে রাজধানী ঢাকার নৌ-যোগাযোগের প্রধান মাধ্যম রামনেওয়াজ লঞ্চঘাটের একমাত্র সংযোগ সড়ক প্রতিদিন জোয়ারের পানিতে ডুবে যাচ্ছে। ফলে ঢাকাগামী ও ঢাকা থেকে ফেরা যাত্রী, ব্যবসায়ী এবং শ্রমজীবী মানুষের দুর্ভোগ দিন দিন বাড়ছে।
মঙ্গলবার (২১ জুলাই) ভোরে ঢাকা থেকে একটি লঞ্চ রামনেওয়াজ লঞ্চঘাটে পৌঁছানোর পর দেখা যায়, ঘাটের সংযোগ সড়ক হাঁটুসমান পানির নিচে তলিয়ে রয়েছে। এ কারণে শতাধিক যাত্রীকে পানি মাড়িয়ে ঝুঁকি নিয়ে লঞ্চে ওঠানামা করতে হয়। অনেকে ভ্যানগাড়ি, স্পিডবোট ও ছোট নৌকার সহায়তায় পারাপার করেন।
ভুক্তভোগী যাত্রীরা জানান, প্রতিদিন এভাবেই চরম ভোগান্তির মধ্যে যাতায়াত করতে হচ্ছে। অন্যদিকে শ্রমিকদের অভিযোগ, সড়কের বেহাল অবস্থার কারণে মালামাল ওঠানো-নামানোর সময় প্রায়ই দুর্ঘটনা ঘটে এবং অনেক ক্ষেত্রে পণ্যও ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
স্থানীয় ব্যবসায়ীদের ভাষ্য, ২০২৪ সালের ঘূর্ণিঝড় রেমালের আঘাতে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া সড়কটি এক বছরেরও বেশি সময় পেরিয়ে গেলেও স্থায়ীভাবে সংস্কার করা হয়নি। ফলে প্রতিটি জোয়ারের সময় দুর্ভোগ আরও প্রকট আকার ধারণ করছে।
এ বিষয়ে বিআইডব্লিউটিএর কর্মকর্তা মো. শহীদুল ইসলাম বলেন, সমস্যাটি কর্তৃপক্ষের নজরে রয়েছে। সড়ক সংস্কারের জন্য ঠিকাদার নিয়োগ দেওয়া হয়েছে এবং দ্রুত কাজ শুরু করা হবে।
স্থানীয়দের দাবি, রাজধানীর সঙ্গে মনপুরার মানুষের যোগাযোগের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এই সংযোগ সড়কটি দ্রুত সংস্কার না করা হলে ভবিষ্যতে বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কা রয়েছে।

মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ জুলাই ২০২৬
ভোলার মনপুরা উপজেলার সঙ্গে রাজধানী ঢাকার নৌ-যোগাযোগের প্রধান মাধ্যম রামনেওয়াজ লঞ্চঘাটের একমাত্র সংযোগ সড়ক প্রতিদিন জোয়ারের পানিতে ডুবে যাচ্ছে। ফলে ঢাকাগামী ও ঢাকা থেকে ফেরা যাত্রী, ব্যবসায়ী এবং শ্রমজীবী মানুষের দুর্ভোগ দিন দিন বাড়ছে।
মঙ্গলবার (২১ জুলাই) ভোরে ঢাকা থেকে একটি লঞ্চ রামনেওয়াজ লঞ্চঘাটে পৌঁছানোর পর দেখা যায়, ঘাটের সংযোগ সড়ক হাঁটুসমান পানির নিচে তলিয়ে রয়েছে। এ কারণে শতাধিক যাত্রীকে পানি মাড়িয়ে ঝুঁকি নিয়ে লঞ্চে ওঠানামা করতে হয়। অনেকে ভ্যানগাড়ি, স্পিডবোট ও ছোট নৌকার সহায়তায় পারাপার করেন।
ভুক্তভোগী যাত্রীরা জানান, প্রতিদিন এভাবেই চরম ভোগান্তির মধ্যে যাতায়াত করতে হচ্ছে। অন্যদিকে শ্রমিকদের অভিযোগ, সড়কের বেহাল অবস্থার কারণে মালামাল ওঠানো-নামানোর সময় প্রায়ই দুর্ঘটনা ঘটে এবং অনেক ক্ষেত্রে পণ্যও ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
স্থানীয় ব্যবসায়ীদের ভাষ্য, ২০২৪ সালের ঘূর্ণিঝড় রেমালের আঘাতে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া সড়কটি এক বছরেরও বেশি সময় পেরিয়ে গেলেও স্থায়ীভাবে সংস্কার করা হয়নি। ফলে প্রতিটি জোয়ারের সময় দুর্ভোগ আরও প্রকট আকার ধারণ করছে।
এ বিষয়ে বিআইডব্লিউটিএর কর্মকর্তা মো. শহীদুল ইসলাম বলেন, সমস্যাটি কর্তৃপক্ষের নজরে রয়েছে। সড়ক সংস্কারের জন্য ঠিকাদার নিয়োগ দেওয়া হয়েছে এবং দ্রুত কাজ শুরু করা হবে।
স্থানীয়দের দাবি, রাজধানীর সঙ্গে মনপুরার মানুষের যোগাযোগের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এই সংযোগ সড়কটি দ্রুত সংস্কার না করা হলে ভবিষ্যতে বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কা রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন