স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) উইনচেস্টার ক্রাউন কোর্টে জুরিদের সামনে মামলাটির শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। ওই শিক্ষিকার বিরুদ্ধে এক শিক্ষার্থীর সঙ্গে যৌন কার্যকলাপের চারটি অভিযোগ আনা হয়েছে। তবে তিনি সব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। খবর বিবিসির।
মামলার শুনানিতে প্রসিকিউটর এডওয়ার্ড কালভার বলেন, শিক্ষক হিসেবে নিজের অবস্থান এবং শিক্ষার্থীর আস্থাকে কাজে লাগিয়ে জেমস ওই কিশোরের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক তৈরি করেছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
আদালতে জানানো হয়, জেমস সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম স্ন্যাপচ্যাটে ওই শিক্ষার্থীকে যুক্ত করার পর তাদের মধ্যে ফ্লার্টিং ধরনের বার্তা বিনিময় শুরু হয়। পরে তিনি শিক্ষার্থীকে নিজের গাড়িতে করে সাউদাম্পটনের ওয়েস্টন শোর এলাকায় নিয়ে যান বলে অভিযোগ করা হয়। প্রসিকিউশনের দাবি, সেখানে তাদের মধ্যে চুম্বন হয়।
এরপর জেমস ওই শিক্ষার্থীকে নিজের বাসায় নিয়ে যান বলে আদালতে অভিযোগ করা হয়েছে। সেখানে তাদের মধ্যে শারীরিক সম্পর্ক হয় বলে দাবি প্রসিকিউশনের। শিক্ষার্থী পুলিশকে জানিয়েছিল, এ ধরনের ঘটনা তিন বা চারবার ঘটেছিল।
শুনানিতে আরও বলা হয়, জেমস ওই কিশোরকে জানিয়েছিলেন যে তিনি তাকে ভালোবাসেন এবং তার সঙ্গে অন্যত্র চলে যেতে চান। তাদের মধ্যে নিয়মিত বার্তা আদান-প্রদান হতো। এমনকি একসঙ্গে বসবাসের বিষয়েও তারা আলোচনা করেছিলেন বলে আদালতে জানানো হয়।
অভিযোগকারী শিক্ষার্থী আদালতে বলেন, তিনি সবসময় জেমসকে ‘মিস’ বলে সম্বোধন করতেন। তার ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি মনে করতেন শিক্ষক তাকে গুরুত্ব দিতেন। ওই সময় তিনি সম্পর্কটিকে ইতিবাচক হিসেবেই দেখেছিলেন। পরে অবশ্য তিনি বুঝতে পারেন, ঘটনাটি ভুল ছিল।
প্রসিকিউশনের পক্ষ থেকে বলা হয়, স্কুলে শিক্ষার্থীদের মোবাইল ফোন ব্যবহারের বিষয়ে জেমস তুলনামূলকভাবে বেশি ছাড় দিতেন। ওই শিক্ষার্থীর আরও অভিযোগ, শিক্ষক তাকে ভ্যাপ দিতেন।
২০২২ সালের জুনে অন্য এক শিক্ষার্থী জেমস ও অভিযোগকারী শিক্ষার্থীর মধ্যে বিনিময় হওয়া কিছু বার্তা একজন শিক্ষককে দেখানোর পর বিষয়টি স্কুল কর্তৃপক্ষের নজরে আসে। প্রসিকিউশনের ভাষ্য অনুযায়ী, ওই বার্তাগুলোতে যৌন সম্পর্কের ইঙ্গিত ছিল। আদালতে জেমসের বাড়িতে অভিযোগকারী শিক্ষার্থীর তোলা কয়েকটি ছবিও উপস্থাপন করা হয়।
তবে পুলিশকে দেওয়া লিখিত বক্তব্যে জেমস এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তার দাবি, ওই শিক্ষার্থী কখনোই তার বাড়িতে যায়নি এবং তাদের মধ্যে কোনো যৌন সম্পর্কও হয়নি। তিনি আরও দাবি করেন, অন্য এক শিক্ষার্থী ওই কিশোরকে তার বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ করতে প্ররোচিত করেছিল।
আদালতে জানানো হয়েছে, পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদের সময় জেমস প্রশ্নগুলোর সরাসরি উত্তর না দিয়ে আগে থেকে প্রস্তুত করা একটি বিবৃতি দেন।
মামলাটির বিচারপ্রক্রিয়া এখনও চলমান। আদালতে উত্থাপিত অভিযোগগুলো এখনো প্রমাণিত হয়নি।
সূত্র: বিবিসি

শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) উইনচেস্টার ক্রাউন কোর্টে জুরিদের সামনে মামলাটির শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। ওই শিক্ষিকার বিরুদ্ধে এক শিক্ষার্থীর সঙ্গে যৌন কার্যকলাপের চারটি অভিযোগ আনা হয়েছে। তবে তিনি সব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। খবর বিবিসির।
মামলার শুনানিতে প্রসিকিউটর এডওয়ার্ড কালভার বলেন, শিক্ষক হিসেবে নিজের অবস্থান এবং শিক্ষার্থীর আস্থাকে কাজে লাগিয়ে জেমস ওই কিশোরের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক তৈরি করেছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
আদালতে জানানো হয়, জেমস সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম স্ন্যাপচ্যাটে ওই শিক্ষার্থীকে যুক্ত করার পর তাদের মধ্যে ফ্লার্টিং ধরনের বার্তা বিনিময় শুরু হয়। পরে তিনি শিক্ষার্থীকে নিজের গাড়িতে করে সাউদাম্পটনের ওয়েস্টন শোর এলাকায় নিয়ে যান বলে অভিযোগ করা হয়। প্রসিকিউশনের দাবি, সেখানে তাদের মধ্যে চুম্বন হয়।
এরপর জেমস ওই শিক্ষার্থীকে নিজের বাসায় নিয়ে যান বলে আদালতে অভিযোগ করা হয়েছে। সেখানে তাদের মধ্যে শারীরিক সম্পর্ক হয় বলে দাবি প্রসিকিউশনের। শিক্ষার্থী পুলিশকে জানিয়েছিল, এ ধরনের ঘটনা তিন বা চারবার ঘটেছিল।
শুনানিতে আরও বলা হয়, জেমস ওই কিশোরকে জানিয়েছিলেন যে তিনি তাকে ভালোবাসেন এবং তার সঙ্গে অন্যত্র চলে যেতে চান। তাদের মধ্যে নিয়মিত বার্তা আদান-প্রদান হতো। এমনকি একসঙ্গে বসবাসের বিষয়েও তারা আলোচনা করেছিলেন বলে আদালতে জানানো হয়।
অভিযোগকারী শিক্ষার্থী আদালতে বলেন, তিনি সবসময় জেমসকে ‘মিস’ বলে সম্বোধন করতেন। তার ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি মনে করতেন শিক্ষক তাকে গুরুত্ব দিতেন। ওই সময় তিনি সম্পর্কটিকে ইতিবাচক হিসেবেই দেখেছিলেন। পরে অবশ্য তিনি বুঝতে পারেন, ঘটনাটি ভুল ছিল।
প্রসিকিউশনের পক্ষ থেকে বলা হয়, স্কুলে শিক্ষার্থীদের মোবাইল ফোন ব্যবহারের বিষয়ে জেমস তুলনামূলকভাবে বেশি ছাড় দিতেন। ওই শিক্ষার্থীর আরও অভিযোগ, শিক্ষক তাকে ভ্যাপ দিতেন।
২০২২ সালের জুনে অন্য এক শিক্ষার্থী জেমস ও অভিযোগকারী শিক্ষার্থীর মধ্যে বিনিময় হওয়া কিছু বার্তা একজন শিক্ষককে দেখানোর পর বিষয়টি স্কুল কর্তৃপক্ষের নজরে আসে। প্রসিকিউশনের ভাষ্য অনুযায়ী, ওই বার্তাগুলোতে যৌন সম্পর্কের ইঙ্গিত ছিল। আদালতে জেমসের বাড়িতে অভিযোগকারী শিক্ষার্থীর তোলা কয়েকটি ছবিও উপস্থাপন করা হয়।
তবে পুলিশকে দেওয়া লিখিত বক্তব্যে জেমস এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তার দাবি, ওই শিক্ষার্থী কখনোই তার বাড়িতে যায়নি এবং তাদের মধ্যে কোনো যৌন সম্পর্কও হয়নি। তিনি আরও দাবি করেন, অন্য এক শিক্ষার্থী ওই কিশোরকে তার বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ করতে প্ররোচিত করেছিল।
আদালতে জানানো হয়েছে, পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদের সময় জেমস প্রশ্নগুলোর সরাসরি উত্তর না দিয়ে আগে থেকে প্রস্তুত করা একটি বিবৃতি দেন।
মামলাটির বিচারপ্রক্রিয়া এখনও চলমান। আদালতে উত্থাপিত অভিযোগগুলো এখনো প্রমাণিত হয়নি।
সূত্র: বিবিসি

আপনার মতামত লিখুন