বাগেরহাট জেলার চিতলমারী উপজেলার ৬ নম্বর চরবানিয়ারী ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের ডাকাতিয়া গ্রামের তপন বারই ধলা(৫৫)এর বসতবাড়িতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে মুহূর্তের মধ্যেই পুড়ে ছাই হয়ে গেছে পরিবারের সব স্বপ্ন-সঞ্চয়।
২১.০৭.২০২৬ মঙ্গলবার বিকেলে স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বিদ্যুতের শর্ট সার্কিট থেকে এ আগুনের সূত্রপাত হয়। আগুন দ্রুত পুরো ঘরে ছড়িয়ে পড়লে পরিবারের সদস্যরা প্রাণ বাঁচিয়ে বাইরে বেরিয়ে আসলেও ঘরের ভেতরে থাকা নগদ প্রায় ৫০ হাজার টাকা, স্বর্ণালঙ্কার, আসবাবপত্র, কাপড়-চোপড়, গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্র এবং দুই সন্তানের পড়াশোনার বইসহ প্রয়োজনীয় সবকিছু আগুনে পুড়ে যায়।
চোখের সামনে বহু বছরের কষ্টার্জিত সম্পদ আগুনে ভস্মীভূত হতে দেখে কান্নায় ভেঙে পড়েন পরিবারের সদস্যরা। এখন তাদের মাথা গোঁজার ঠাঁই নেই, নেই নিত্যপ্রয়োজনীয় ব্যবহার্য সামগ্রীও। ভবিষ্যৎ নিয়ে চরম অনিশ্চয়তায় দিন কাটছে পরিবারটি।
এ ঘটনায় এলাকাবাসীর মধ্যে গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে। স্থানীয়রা ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পাশে দাঁড়ানোর জন্য সমাজের বিত্তবান ব্যক্তি, জনপ্রতিনিধি, প্রশাসন এবং মানবিক সংগঠনগুলোর প্রতি জরুরি সহযোগিতার আহ্বান জানিয়েছেন।
একটি অগ্নিকাণ্ড শুধু একটি ঘর নয়, কখনো কখনো একটি পরিবারের বহু বছরের পরিশ্রম, স্বপ্ন ও ভবিষ্যৎকে মুহূর্তেই ছাই করে দেয়। তপন বারই ধলা এর পরিবার আজ সেই নির্মম বাস্তবতার শিকার। মানবিক সহায়তা ও সবার আন্তরিক সহযোগিতাই পারে পরিবারটিকে নতুন করে বেঁচে থাকার সাহস জোগাতে।

বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২২ জুলাই ২০২৬
বাগেরহাট জেলার চিতলমারী উপজেলার ৬ নম্বর চরবানিয়ারী ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের ডাকাতিয়া গ্রামের তপন বারই ধলা(৫৫)এর বসতবাড়িতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে মুহূর্তের মধ্যেই পুড়ে ছাই হয়ে গেছে পরিবারের সব স্বপ্ন-সঞ্চয়।
২১.০৭.২০২৬ মঙ্গলবার বিকেলে স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বিদ্যুতের শর্ট সার্কিট থেকে এ আগুনের সূত্রপাত হয়। আগুন দ্রুত পুরো ঘরে ছড়িয়ে পড়লে পরিবারের সদস্যরা প্রাণ বাঁচিয়ে বাইরে বেরিয়ে আসলেও ঘরের ভেতরে থাকা নগদ প্রায় ৫০ হাজার টাকা, স্বর্ণালঙ্কার, আসবাবপত্র, কাপড়-চোপড়, গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্র এবং দুই সন্তানের পড়াশোনার বইসহ প্রয়োজনীয় সবকিছু আগুনে পুড়ে যায়।
চোখের সামনে বহু বছরের কষ্টার্জিত সম্পদ আগুনে ভস্মীভূত হতে দেখে কান্নায় ভেঙে পড়েন পরিবারের সদস্যরা। এখন তাদের মাথা গোঁজার ঠাঁই নেই, নেই নিত্যপ্রয়োজনীয় ব্যবহার্য সামগ্রীও। ভবিষ্যৎ নিয়ে চরম অনিশ্চয়তায় দিন কাটছে পরিবারটি।
এ ঘটনায় এলাকাবাসীর মধ্যে গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে। স্থানীয়রা ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পাশে দাঁড়ানোর জন্য সমাজের বিত্তবান ব্যক্তি, জনপ্রতিনিধি, প্রশাসন এবং মানবিক সংগঠনগুলোর প্রতি জরুরি সহযোগিতার আহ্বান জানিয়েছেন।
একটি অগ্নিকাণ্ড শুধু একটি ঘর নয়, কখনো কখনো একটি পরিবারের বহু বছরের পরিশ্রম, স্বপ্ন ও ভবিষ্যৎকে মুহূর্তেই ছাই করে দেয়। তপন বারই ধলা এর পরিবার আজ সেই নির্মম বাস্তবতার শিকার। মানবিক সহায়তা ও সবার আন্তরিক সহযোগিতাই পারে পরিবারটিকে নতুন করে বেঁচে থাকার সাহস জোগাতে।

আপনার মতামত লিখুন