সোমবার (২২ জুন) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এসব মন্তব্য করেন।
ফেসবুক পোস্টে রাশেদ খাঁন লেখেন, ‘আমরা গণঅভ্যুত্থান-পরবর্তী সময়ে উড়ে আসা বসন্তের কোকিল নই। যেসব হানজালা আজ বড় বড় কথা বলছে, তারা যখন তৎকালীন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বাসায় যেত, তখন আমরা আদালতে হাজিরা দিতাম। তারা যখন শেখ হাসিনার প্রশংসা করত, তখন আমরা বলেছি—এটা কি তার বাপের রাষ্ট্র? সেই বক্তব্যের কারণে আমরা কারাবাসও করেছি। অথচ এখন তারাই বিএনপির কর্মীদের বিরুদ্ধে অবস্থান নিচ্ছে।’
তিনি আরও লেখেন, ‘যারা আওয়ামী ফ্যাসিস্টদের সঙ্গে চলাফেরা করেছে, তারা এখন নিজেদের বাঘের সঙ্গে তুলনা করছে। গণঅভ্যুত্থানের আগে তাদের কোনো প্রতিবাদ বা হুংকার শোনা যায়নি। এখন অতিরিক্ত হুংকার দিয়ে অতীতের ভূমিকা আড়াল করা যাবে না।’
পোস্টের শেষাংশে রাশেদ খাঁন বলেন, ‘যদি এসব মানুষখেকো হানজালারা হায়েনা হয়ে উঠতে চায়, তাহলে সেই হায়েনাকে থামানোর ঔষধও আমরা জানি।’

বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২২ জুলাই ২০২৬
সোমবার (২২ জুন) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এসব মন্তব্য করেন।
ফেসবুক পোস্টে রাশেদ খাঁন লেখেন, ‘আমরা গণঅভ্যুত্থান-পরবর্তী সময়ে উড়ে আসা বসন্তের কোকিল নই। যেসব হানজালা আজ বড় বড় কথা বলছে, তারা যখন তৎকালীন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বাসায় যেত, তখন আমরা আদালতে হাজিরা দিতাম। তারা যখন শেখ হাসিনার প্রশংসা করত, তখন আমরা বলেছি—এটা কি তার বাপের রাষ্ট্র? সেই বক্তব্যের কারণে আমরা কারাবাসও করেছি। অথচ এখন তারাই বিএনপির কর্মীদের বিরুদ্ধে অবস্থান নিচ্ছে।’
তিনি আরও লেখেন, ‘যারা আওয়ামী ফ্যাসিস্টদের সঙ্গে চলাফেরা করেছে, তারা এখন নিজেদের বাঘের সঙ্গে তুলনা করছে। গণঅভ্যুত্থানের আগে তাদের কোনো প্রতিবাদ বা হুংকার শোনা যায়নি। এখন অতিরিক্ত হুংকার দিয়ে অতীতের ভূমিকা আড়াল করা যাবে না।’
পোস্টের শেষাংশে রাশেদ খাঁন বলেন, ‘যদি এসব মানুষখেকো হানজালারা হায়েনা হয়ে উঠতে চায়, তাহলে সেই হায়েনাকে থামানোর ঔষধও আমরা জানি।’

আপনার মতামত লিখুন