গণভোটের রায় বাস্তবায়ন, জুলাই গণহত্যার বিচারসহ ছয় দফা দাবি আদায়ে ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম অভিমুখে ‘লং মার্চ’ কর্মসূচি শুরু করেছে জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্যজোট।
শনিবার সকাল ৯টার দিকে নারায়ণগঞ্জের শিমরাইল ট্রাকস্ট্যান্ডে আয়োজিত পথসভায় এসব কথা বলেন শফিকুর রহমান।
পথসভায় তিনি বলেন, জনগণের দাবি আদায়ের লক্ষ্যেই তারা রাজপথে নেমেছেন। দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত তারা ঘরে ফিরবেন না। গণভোটের রায় বাস্তবায়ন এবং জনগণের ঘরে বিদ্যুৎ ও আলো পৌঁছে দেওয়ার জন্যই এই কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, “আমাদের এই ঐক্যবদ্ধ প্রয়াস সফল হবে।”
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের পাশে নির্মিত অস্থায়ী মঞ্চে আরও বক্তব্য দেন এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হক, এলডিপির চেয়ারম্যান অলি আহমদ এবং এনসিপির যুগ্ম সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট আব্দুল্লাহ আল আমিন।
এর আগে সকাল ৭টায় মতিঝিলে কোরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে ১১ দলীয় ঐক্যের সমাবেশ শুরু হয়। সমাবেশ শেষে সোয়া ৮টার পর চট্টগ্রামের উদ্দেশে বিশাল গাড়িবহর যাত্রা শুরু করে।
আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম যাওয়ার পথে পূর্বনির্ধারিত কয়েকটি স্থানে পথসভা হবে। নারায়ণগঞ্জের কাঁচপুর ব্রিজের কাছে ট্রাকস্ট্যান্ড ছাড়াও কুমিল্লার পদুয়ার বাজার বিশ্বরোড, ফেনীর মহীপাল ও মীরসরাইয়ে এসব পথসভা অনুষ্ঠিত হবে। পরে চট্টগ্রামের লালদীঘি ময়দানে জনসভার মাধ্যমে লং মার্চ কর্মসূচি শেষ হবে।
এর আগে গত ৬ আগস্ট ঢাকার মুক্তাঙ্গনে জোটের একটি অবস্থান কর্মসূচি থেকে সেপ্টেম্বর থেকে নভেম্বর পর্যন্ত ঢাকা থেকে চারটি বিভাগীয় শহরে ‘লং মার্চ’ ও মহাসমাবেশের কর্মসূচি ঘোষণা করেছিলেন জোটের শীর্ষ নেতা শফিকুর রহমান।
ঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী, শনিবারের পর ১৯ সেপ্টেম্বর ঢাকা থেকে রংপুর, ১০ অক্টোবর ঢাকা থেকে খুলনা এবং ২৪ অক্টোবর ঢাকা থেকে সিলেট অভিমুখে লং মার্চ অনুষ্ঠিত হবে। সিলেটের কর্মসূচি রেলপথে হওয়ার কথা রয়েছে। এরপর ১৪ নভেম্বর ঢাকায় মহাসমাবেশের মধ্য দিয়ে পুরো কর্মসূচি শেষ হওয়ার কথা রয়েছে।
সূত্র: দি ডেইলি এদিন

শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
গণভোটের রায় বাস্তবায়ন, জুলাই গণহত্যার বিচারসহ ছয় দফা দাবি আদায়ে ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম অভিমুখে ‘লং মার্চ’ কর্মসূচি শুরু করেছে জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্যজোট।
শনিবার সকাল ৯টার দিকে নারায়ণগঞ্জের শিমরাইল ট্রাকস্ট্যান্ডে আয়োজিত পথসভায় এসব কথা বলেন শফিকুর রহমান।
পথসভায় তিনি বলেন, জনগণের দাবি আদায়ের লক্ষ্যেই তারা রাজপথে নেমেছেন। দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত তারা ঘরে ফিরবেন না। গণভোটের রায় বাস্তবায়ন এবং জনগণের ঘরে বিদ্যুৎ ও আলো পৌঁছে দেওয়ার জন্যই এই কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, “আমাদের এই ঐক্যবদ্ধ প্রয়াস সফল হবে।”
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের পাশে নির্মিত অস্থায়ী মঞ্চে আরও বক্তব্য দেন এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হক, এলডিপির চেয়ারম্যান অলি আহমদ এবং এনসিপির যুগ্ম সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট আব্দুল্লাহ আল আমিন।
এর আগে সকাল ৭টায় মতিঝিলে কোরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে ১১ দলীয় ঐক্যের সমাবেশ শুরু হয়। সমাবেশ শেষে সোয়া ৮টার পর চট্টগ্রামের উদ্দেশে বিশাল গাড়িবহর যাত্রা শুরু করে।
আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম যাওয়ার পথে পূর্বনির্ধারিত কয়েকটি স্থানে পথসভা হবে। নারায়ণগঞ্জের কাঁচপুর ব্রিজের কাছে ট্রাকস্ট্যান্ড ছাড়াও কুমিল্লার পদুয়ার বাজার বিশ্বরোড, ফেনীর মহীপাল ও মীরসরাইয়ে এসব পথসভা অনুষ্ঠিত হবে। পরে চট্টগ্রামের লালদীঘি ময়দানে জনসভার মাধ্যমে লং মার্চ কর্মসূচি শেষ হবে।
এর আগে গত ৬ আগস্ট ঢাকার মুক্তাঙ্গনে জোটের একটি অবস্থান কর্মসূচি থেকে সেপ্টেম্বর থেকে নভেম্বর পর্যন্ত ঢাকা থেকে চারটি বিভাগীয় শহরে ‘লং মার্চ’ ও মহাসমাবেশের কর্মসূচি ঘোষণা করেছিলেন জোটের শীর্ষ নেতা শফিকুর রহমান।
ঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী, শনিবারের পর ১৯ সেপ্টেম্বর ঢাকা থেকে রংপুর, ১০ অক্টোবর ঢাকা থেকে খুলনা এবং ২৪ অক্টোবর ঢাকা থেকে সিলেট অভিমুখে লং মার্চ অনুষ্ঠিত হবে। সিলেটের কর্মসূচি রেলপথে হওয়ার কথা রয়েছে। এরপর ১৪ নভেম্বর ঢাকায় মহাসমাবেশের মধ্য দিয়ে পুরো কর্মসূচি শেষ হওয়ার কথা রয়েছে।
সূত্র: দি ডেইলি এদিন

আপনার মতামত লিখুন