মানববন্ধনে মসজিদ কমিটির সভাপতি ইসমাইল হোসেন জানান, ১৯৫৮ সালে প্রায় ৪ দশমিক ৫০ শতাংশ ওয়াক্ফ সম্পত্তি মসজিদের নামে নিবন্ধিত হয়। দলিলের শর্ত অনুযায়ী ওই সম্পত্তি থেকে প্রাপ্ত অর্থ মসজিদের পরিচালনা ও রক্ষণাবেক্ষণের কাজে ব্যয় হওয়ার কথা। আয় বৃদ্ধি পেলে নির্ধারিত বিধান অনুযায়ী একটি অংশ দাতার ওয়ারিশদের এবং অবশিষ্ট অংশ মসজিদের উন্নয়নমূলক কাজে ব্যয় করার কথা রয়েছে।
তিনি অভিযোগ করেন, দীর্ঘদিন ধরে ওয়াক্ফ সম্পত্তির আয়-ব্যয়ের কোনো সঠিক হিসাব উপস্থাপন করা হয়নি। এর ফলে মসজিদ আর্থিক সংকটে পড়েছে। বর্তমানে ইমাম, খতিব, মুয়াজ্জিনের সম্মানী, বিদ্যুৎ বিল ও অন্যান্য ব্যয়সহ প্রতি মাসে প্রায় ২৫ হাজার টাকা প্রয়োজন হলেও আয় হচ্ছে প্রায় ১৪ হাজার ২০০ টাকা। এতে প্রতি মাসে প্রায় ১০ হাজার ৮০০ টাকার ঘাটতি তৈরি হচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, বিষয়টি নিয়ে এর আগে একাধিকবার জেলা প্রশাসন, উপজেলা প্রশাসন ও থানায় অভিযোগ করা হয়। তদন্তের পর মুতাওয়াল্লি অঙ্গীকার করেছিলেন যে, উন্নয়নমূলক কার্যক্রম মসজিদ কমিটির সদস্যদের সঙ্গে আলোচনা করে করবেন এবং মসজিদের স্থায়ী ও অস্থায়ী সম্পত্তির আয়-ব্যয়ের হিসাব কমিটির কাছে উপস্থাপন করবেন। কিন্তু তিনি কোনো হিসাব না দিয়ে দোকানের ভাড়া সংগ্রহ করে নিয়ে যাচ্ছেন। সামান্য পরিমাণ অর্থ মসজিদে দান করায় মসজিদের নিয়মিত ব্যয় নির্বাহ করা কঠিন হয়ে পড়েছে। এ অনিয়মের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান তিনি।
মানববন্ধনে অংশগ্রহণকারীরা অভিযোগ করেন, ওয়াক্ফ সম্পত্তির যথাযথ ব্যবস্থাপনা না থাকায় মসজিদের স্বাভাবিক কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। তারা বিষয়টির তদন্ত, সম্পত্তি সংরক্ষণ, আয়-ব্যয়ের স্বচ্ছতা নিশ্চিত এবং প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান।
অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে মুতাওয়াল্লি মো. নুরুন্নবী বলেন, ওয়াক্ফ সম্পত্তি নিয়ম মেনেই পরিচালনা করা হচ্ছে এবং কোনো ধরনের অনিয়ম হয়নি।
তবে ওয়াক্ফকৃত জায়গার ভাড়াটিয়া দোকানদারদের কাছ থেকে রসিদ ছাড়া কেন ভাড়া নেওয়া হয়—এ প্রশ্নের সন্তোষজনক উত্তর দিতে পারেননি তিনি। তিনি জানান, প্রতি মাসে চারটি দোকান থেকে ১৫ হাজার টাকা ভাড়া সংগ্রহ করে নিজের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে জমা রাখেন। সেখান থেকে প্রতি মাসে ৫ হাজার টাকা করে মসজিদ কমিটিকে প্রদান করেন।
মানববন্ধনে উপস্থিত ছিলেন মসজিদ কমিটির সভাপতি মো. ইসমাইল হোসেন, সম্পাদক মো. হারুন পাটোয়ারী, মোহাম্মদ রফিক মিয়া, অন্যতম সদস্য মোশারফ হোসেন, সহসভাপতি মোহাম্মদ ইউনুস মিয়া, সহসভাপতি মোশাররফ পাটোয়ারী, সদস্য হুমায়ুন কবির মজুমদার, সদস্য বিল্লাল হোসেন, থানা বিএনপির সদস্য রফিকুল ইসলাম, ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি মো. মোশারফ হোসেন, ওয়ার্ড জামায়াতের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।
সূত্র ও ছবি: আরটিভি (সংগৃহীত)।

বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৩ জুলাই ২০২৬
মানববন্ধনে মসজিদ কমিটির সভাপতি ইসমাইল হোসেন জানান, ১৯৫৮ সালে প্রায় ৪ দশমিক ৫০ শতাংশ ওয়াক্ফ সম্পত্তি মসজিদের নামে নিবন্ধিত হয়। দলিলের শর্ত অনুযায়ী ওই সম্পত্তি থেকে প্রাপ্ত অর্থ মসজিদের পরিচালনা ও রক্ষণাবেক্ষণের কাজে ব্যয় হওয়ার কথা। আয় বৃদ্ধি পেলে নির্ধারিত বিধান অনুযায়ী একটি অংশ দাতার ওয়ারিশদের এবং অবশিষ্ট অংশ মসজিদের উন্নয়নমূলক কাজে ব্যয় করার কথা রয়েছে।
তিনি অভিযোগ করেন, দীর্ঘদিন ধরে ওয়াক্ফ সম্পত্তির আয়-ব্যয়ের কোনো সঠিক হিসাব উপস্থাপন করা হয়নি। এর ফলে মসজিদ আর্থিক সংকটে পড়েছে। বর্তমানে ইমাম, খতিব, মুয়াজ্জিনের সম্মানী, বিদ্যুৎ বিল ও অন্যান্য ব্যয়সহ প্রতি মাসে প্রায় ২৫ হাজার টাকা প্রয়োজন হলেও আয় হচ্ছে প্রায় ১৪ হাজার ২০০ টাকা। এতে প্রতি মাসে প্রায় ১০ হাজার ৮০০ টাকার ঘাটতি তৈরি হচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, বিষয়টি নিয়ে এর আগে একাধিকবার জেলা প্রশাসন, উপজেলা প্রশাসন ও থানায় অভিযোগ করা হয়। তদন্তের পর মুতাওয়াল্লি অঙ্গীকার করেছিলেন যে, উন্নয়নমূলক কার্যক্রম মসজিদ কমিটির সদস্যদের সঙ্গে আলোচনা করে করবেন এবং মসজিদের স্থায়ী ও অস্থায়ী সম্পত্তির আয়-ব্যয়ের হিসাব কমিটির কাছে উপস্থাপন করবেন। কিন্তু তিনি কোনো হিসাব না দিয়ে দোকানের ভাড়া সংগ্রহ করে নিয়ে যাচ্ছেন। সামান্য পরিমাণ অর্থ মসজিদে দান করায় মসজিদের নিয়মিত ব্যয় নির্বাহ করা কঠিন হয়ে পড়েছে। এ অনিয়মের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান তিনি।
মানববন্ধনে অংশগ্রহণকারীরা অভিযোগ করেন, ওয়াক্ফ সম্পত্তির যথাযথ ব্যবস্থাপনা না থাকায় মসজিদের স্বাভাবিক কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। তারা বিষয়টির তদন্ত, সম্পত্তি সংরক্ষণ, আয়-ব্যয়ের স্বচ্ছতা নিশ্চিত এবং প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান।
অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে মুতাওয়াল্লি মো. নুরুন্নবী বলেন, ওয়াক্ফ সম্পত্তি নিয়ম মেনেই পরিচালনা করা হচ্ছে এবং কোনো ধরনের অনিয়ম হয়নি।
তবে ওয়াক্ফকৃত জায়গার ভাড়াটিয়া দোকানদারদের কাছ থেকে রসিদ ছাড়া কেন ভাড়া নেওয়া হয়—এ প্রশ্নের সন্তোষজনক উত্তর দিতে পারেননি তিনি। তিনি জানান, প্রতি মাসে চারটি দোকান থেকে ১৫ হাজার টাকা ভাড়া সংগ্রহ করে নিজের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে জমা রাখেন। সেখান থেকে প্রতি মাসে ৫ হাজার টাকা করে মসজিদ কমিটিকে প্রদান করেন।
মানববন্ধনে উপস্থিত ছিলেন মসজিদ কমিটির সভাপতি মো. ইসমাইল হোসেন, সম্পাদক মো. হারুন পাটোয়ারী, মোহাম্মদ রফিক মিয়া, অন্যতম সদস্য মোশারফ হোসেন, সহসভাপতি মোহাম্মদ ইউনুস মিয়া, সহসভাপতি মোশাররফ পাটোয়ারী, সদস্য হুমায়ুন কবির মজুমদার, সদস্য বিল্লাল হোসেন, থানা বিএনপির সদস্য রফিকুল ইসলাম, ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি মো. মোশারফ হোসেন, ওয়ার্ড জামায়াতের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।
সূত্র ও ছবি: আরটিভি (সংগৃহীত)।

আপনার মতামত লিখুন