বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) চাটমোহর উপজেলার মূলগ্রাম ইউনিয়ন যুবদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক ও পূর্ব টিয়ারতলা গ্রামের বাসিন্দা মো. মজর আলী চাটমোহর থানায় মামলাটি করেন।
মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়, গত মঙ্গলবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে মূলগ্রাম ইউনিয়নের কায়েমখোলা মোড়ে আতার আলীর চায়ের দোকানে বাদী মজর আলী অবস্থান করছিলেন। এ সময় মোটরসাইকেল ও একটি মাইক্রোবাসে করে একদল ব্যক্তি সেখানে এসে ‘জয় বাংলা’সহ সরকারবিরোধী বিভিন্ন স্লোগান দেন।
এজাহার অনুযায়ী, বাদী ও তার সঙ্গে থাকা ব্যক্তিরা অভিযুক্তদের শনাক্ত করার চেষ্টা করলে তাদের লক্ষ্য করে পরপর দুটি ককটেলের বিস্ফোরণ ঘটানো হয়। এতে তারা প্রাণনাশের আশঙ্কায় পড়েন এবং এলাকায় আতঙ্ক সৃষ্টি হয়। পরে বিস্ফোরণের শব্দ শুনে স্থানীয় লোকজন ঘটনাস্থলে এগিয়ে এলে অভিযুক্তরা মোটরসাইকেল ও মাইক্রোবাসে করে সেখান থেকে চলে যান।
খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে ককটেলের বিস্ফোরিত অংশ, চারটি বাজারের ব্যাগে রাখা আনুমানিক ৮ থেকে ১০ কেজি ইটের খোয়া এবং ১০ থেকে ১২টি বাঁশের লাঠি জব্দ করে।
মামলায় উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান ও বজপাড়া গ্রামের হেলাল উদ্দিন, হরিপুর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান মো. মকবুল হোসেন, মূলগ্রাম ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক নেউতিগাছা গ্রামের সাহেব আলী মাস্টার, আওয়ামী লীগ নেতা জগতলা গ্রামের শরিফুল্লাহ সাচ্চু, পৌর সদরের নারিকেলপাড়া মহল্লার ওয়াহেদুল ইসলাম বকুলসহ ৩১ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। এছাড়া অজ্ঞাতনামা আরও কয়েকজনকে আসামি করা হয়েছে।
চাটমোহর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) অলিউর রহমান মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
সূত্র: দৈনিক ইত্তেফাক
ছবি: দৈনিক ইত্তেফাক

শুক্রবার, ২৪ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ জুলাই ২০২৬
বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) চাটমোহর উপজেলার মূলগ্রাম ইউনিয়ন যুবদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক ও পূর্ব টিয়ারতলা গ্রামের বাসিন্দা মো. মজর আলী চাটমোহর থানায় মামলাটি করেন।
মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়, গত মঙ্গলবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে মূলগ্রাম ইউনিয়নের কায়েমখোলা মোড়ে আতার আলীর চায়ের দোকানে বাদী মজর আলী অবস্থান করছিলেন। এ সময় মোটরসাইকেল ও একটি মাইক্রোবাসে করে একদল ব্যক্তি সেখানে এসে ‘জয় বাংলা’সহ সরকারবিরোধী বিভিন্ন স্লোগান দেন।
এজাহার অনুযায়ী, বাদী ও তার সঙ্গে থাকা ব্যক্তিরা অভিযুক্তদের শনাক্ত করার চেষ্টা করলে তাদের লক্ষ্য করে পরপর দুটি ককটেলের বিস্ফোরণ ঘটানো হয়। এতে তারা প্রাণনাশের আশঙ্কায় পড়েন এবং এলাকায় আতঙ্ক সৃষ্টি হয়। পরে বিস্ফোরণের শব্দ শুনে স্থানীয় লোকজন ঘটনাস্থলে এগিয়ে এলে অভিযুক্তরা মোটরসাইকেল ও মাইক্রোবাসে করে সেখান থেকে চলে যান।
খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে ককটেলের বিস্ফোরিত অংশ, চারটি বাজারের ব্যাগে রাখা আনুমানিক ৮ থেকে ১০ কেজি ইটের খোয়া এবং ১০ থেকে ১২টি বাঁশের লাঠি জব্দ করে।
মামলায় উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান ও বজপাড়া গ্রামের হেলাল উদ্দিন, হরিপুর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান মো. মকবুল হোসেন, মূলগ্রাম ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক নেউতিগাছা গ্রামের সাহেব আলী মাস্টার, আওয়ামী লীগ নেতা জগতলা গ্রামের শরিফুল্লাহ সাচ্চু, পৌর সদরের নারিকেলপাড়া মহল্লার ওয়াহেদুল ইসলাম বকুলসহ ৩১ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। এছাড়া অজ্ঞাতনামা আরও কয়েকজনকে আসামি করা হয়েছে।
চাটমোহর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) অলিউর রহমান মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
সূত্র: দৈনিক ইত্তেফাক
ছবি: দৈনিক ইত্তেফাক

আপনার মতামত লিখুন