ঢাকা    শুক্রবার, ২৪ জুলাই ২০২৬, ৯ শ্রাবণ ১৪৩৩
ইনসাফ টাইম ২৪

জুলাই বিপ্লব

ফিরে দেখা জুলাই বিপ্লব: ছাত্র-জনতাকে ‘সন্ত্রাসী’ বলেছিলেন একদল সাংবাদিক

ফিরে দেখা জুলাই বিপ্লব: ছাত্র-জনতাকে ‘সন্ত্রাসী’ বলেছিলেন একদল সাংবাদিক
ফিরে দেখা জুলাই বিপ্লব: ছাত্র-জনতাকে ‘সন্ত্রাসী’ বলেছিলেন একদল সাংবাদিক

২৪ জুলাই ২০২৪। দেশের বিভিন্ন স্থানে তখন চলছিল কোটা সংস্কার আন্দোলন ঘিরে সহিংস পরিস্থিতি। আন্দোলন দমনে তৎকালীন শেখ হাসিনা সরকার কঠোর অবস্থান গ্রহণ করে। একই সময়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী দেশজুড়ে ‘চিরুনি অভিযান’ পরিচালনা করে বিপুলসংখ্যক শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষকে গ্রেপ্তার করে। এদিনই প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে একদল জ্যেষ্ঠ সাংবাদিকের সঙ্গে অনুষ্ঠিত বৈঠকে আন্দোলনকারী ছাত্র-জনতাকে ‘সন্ত্রাসী’ হিসেবে উল্লেখ করা হয় বলে বিভিন্ন মাধ্যমে প্রকাশিত হয়।

১৭ থেকে ২৪ জুলাই পর্যন্ত নিহতের সংখ্যা সরকারি হিসাব অনুযায়ী ২০১ জনের বেশি ছিল। বেসরকারি হিসাবে এই সংখ্যা তিন শতাধিক বলে দাবি করা হয়। এ সময় হাসপাতালের মর্গে থাকা আটটি অশনাক্ত মরদেহ বেওয়ারিশ হিসেবে দাফন করা হয়। রাজধানীজুড়ে অভিযান চালিয়ে বাসাবাড়িতে গিয়ে শিক্ষার্থী আছে কি না, তা খোঁজ নেওয়ার অভিযোগও ওঠে। এদিন সারা দেশে প্রায় এক হাজার ৪০০ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়, যার মধ্যে ঢাকায় গ্রেপ্তার হন ৬৪১ জন। টানা আট দিনে গ্রেপ্তারের সংখ্যা দাঁড়ায় প্রায় সাড়ে চার হাজার। পুলিশের করা অজ্ঞাতনামা মামলাগুলো সাধারণ শিক্ষার্থী ও নাগরিকদের হয়রানির হাতিয়ার হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ করা হয়। একই দিনে সাভারের এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আরও চারজন আন্দোলনকারী মারা যান।

নিষ্পাপ শিশু রিয়ার মৃত্যু

২৪ জুলাইয়ের ঘটনাপ্রবাহে আলোচিত একটি ঘটনা ছিল ছয় বছর ছয় মাস বয়সী শিশু রিয়া গোপের মৃত্যু। নারায়ণগঞ্জে নিজ বাসার ছাদে বাবার কোলে থাকা অবস্থায় পুলিশের ছোড়া গুলি তার মাথায় লাগে বলে অভিযোগ করা হয়। কয়েক দিন চিকিৎসাধীন থাকার পর ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়। রিয়ার বাবা দীপক কুমার গোপ জানান, তার কোলে থাকা অবস্থায়ই মেয়ের মাথা থেকে রক্ত ঝরতে থাকে। এ ধরনের ঘটনা দেশের বিভিন্ন এলাকায় ঘটেছে বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।

সমন্বয়কদের ওপর নির্যাতনের অভিযোগ

আন্দোলনের তিন সমন্বয়ক আসিফ মাহমুদ, আবু বাকের মজুমদার এবং রশিদুল ইসলাম রিফাতকে পাঁচ দিন নিখোঁজ থাকার পর ২৪ জুলাই চোখ বাঁধা অবস্থায় রাজধানীর পৃথক স্থানে ফেলে যাওয়া হয়। তাদের অভিযোগ, আটক অবস্থায় ইনজেকশন দিয়ে অচেতন রাখা, অন্ধকার কক্ষে আটকে রাখা এবং আন্দোলন প্রত্যাহারের জন্য মানসিক ও শারীরিক চাপ প্রয়োগ করা হয়।

তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, ১৯ জুলাই রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা থেকে তাদের তুলে নেওয়া হয়। ২২ জুলাই রাতে রাজধানীর গণস্বাস্থ্য নগর হাসপাতালের সামনে সংবাদ সম্মেলনে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের পক্ষ থেকে তাদের নিখোঁজ হওয়ার বিষয়টি জানানো হয়। পরে ২৪ জুলাই তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়।

আসিফ মাহমুদ গণমাধ্যমে পাঠানো এক ক্ষুদে বার্তায় জানান, ১৯ জুলাই রাত ১১টার দিকে হাতিরঝিলের মহানগর আবাসিক এলাকা থেকে তাকে তুলে নেওয়া হয় এবং আন্দোলন স্থগিতের ঘোষণা দিতে চাপ দেওয়া হয়। ২৪ জুলাই একই এলাকায় চোখ বাঁধা অবস্থায় তাকে ফেলে রেখে যাওয়া হয়। পরে তিনি হাসপাতালে চিকিৎসা নেন।

আবু বাকের মজুমদার ফেসবুকে লিখেন, ১৯ জুলাই সন্ধ্যার পর ধানমন্ডি এলাকা থেকে তাকে তুলে নিয়ে আন্দোলন বন্ধের বিবৃতি দিতে বলা হয়। তিনি রাজি না হওয়ায় তাকে একটি অন্ধকার কক্ষে আটকে রাখা হয়। ২৪ জুলাই যেখান থেকে তাকে তুলে নেওয়া হয়েছিল, তার কাছেই চোখ বেঁধে রেখে যাওয়া হয় বলে তিনি জানান। একই পোস্টে তিনি শহীদ ও নির্যাতিতদের স্মরণ রাখার আহ্বান জানান।

রাত সোয়া ৮টার দিকে রিফাতের বাবা দেলোয়ার হোসেন খোকন গণমাধ্যমকে বলেন, ফেসবুক পোস্ট দেখে তিনি জানতে পেরেছেন তার ছেলে নিরাপদে রয়েছে। তবে তখন পর্যন্ত ছেলের সঙ্গে তার সরাসরি কথা হয়নি।

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে সাংবাদিকদের বৈঠক

২৪ জুলাই এডিটরস গিল্ডের ব্যানারে ৩৭ জন সাংবাদিক ও সম্পাদক প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে শেখ হাসিনার সঙ্গে মতবিনিময় করেন। প্রতিবেদনে দাবি করা হয়, ওই বৈঠকে আন্দোলনকে ‘নাশকতা’ এবং আন্দোলনকারী ছাত্র-জনতাকে ‘সন্ত্রাসী’ ও ‘জঙ্গি’ হিসেবে উল্লেখ করা হয়।

ওই বৈঠকে নেতৃত্ব দেন মোজাম্মেল হক বাবু। সেখানে সাংবাদিক আবেদ খান বলেন, তারা প্রধানমন্ত্রীর জন্য ‘যেকোনো কিছু করতে প্রস্তুত’। সাংবাদিক শ্যামল দত্ত ও নঈম নিজাম আন্দোলনকারীদের খুঁজে বের করে শাস্তির আওতায় আনার দাবি জানান। একই সঙ্গে ইন্টারনেট বন্ধ রাখা, আলজাজিরা নিষিদ্ধ করা এবং মাদরাসাগুলোর ওপর নজরদারি বাড়ানোর পরামর্শ দেওয়া হয় বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়। এছাড়া সরকারের দমন-পীড়নের খবর প্রকাশ না করে তা গোপন রাখার প্রতিশ্রুতিও দেওয়া হয়েছিল বলে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়।

সেসময়ের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল এবং তৎকালীন আইজিপি চৌধুরী আবদুল্লাহ আল মামুন আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানের কথা জানান। অন্যদিকে জাতিসংঘ, অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল এবং যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা দপ্তর পেন্টাগন বাংলাদেশ সরকারের প্রাণঘাতী বলপ্রয়োগের সমালোচনা জানায়।

সূত্র: আমার দেশ

আপনার মতামত লিখুন

ইনসাফ টাইম ২৪

শুক্রবার, ২৪ জুলাই ২০২৬


ফিরে দেখা জুলাই বিপ্লব: ছাত্র-জনতাকে ‘সন্ত্রাসী’ বলেছিলেন একদল সাংবাদিক

প্রকাশের তারিখ : ২৪ জুলাই ২০২৬

featured Image

২৪ জুলাই ২০২৪। দেশের বিভিন্ন স্থানে তখন চলছিল কোটা সংস্কার আন্দোলন ঘিরে সহিংস পরিস্থিতি। আন্দোলন দমনে তৎকালীন শেখ হাসিনা সরকার কঠোর অবস্থান গ্রহণ করে। একই সময়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী দেশজুড়ে ‘চিরুনি অভিযান’ পরিচালনা করে বিপুলসংখ্যক শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষকে গ্রেপ্তার করে। এদিনই প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে একদল জ্যেষ্ঠ সাংবাদিকের সঙ্গে অনুষ্ঠিত বৈঠকে আন্দোলনকারী ছাত্র-জনতাকে ‘সন্ত্রাসী’ হিসেবে উল্লেখ করা হয় বলে বিভিন্ন মাধ্যমে প্রকাশিত হয়।

১৭ থেকে ২৪ জুলাই পর্যন্ত নিহতের সংখ্যা সরকারি হিসাব অনুযায়ী ২০১ জনের বেশি ছিল। বেসরকারি হিসাবে এই সংখ্যা তিন শতাধিক বলে দাবি করা হয়। এ সময় হাসপাতালের মর্গে থাকা আটটি অশনাক্ত মরদেহ বেওয়ারিশ হিসেবে দাফন করা হয়। রাজধানীজুড়ে অভিযান চালিয়ে বাসাবাড়িতে গিয়ে শিক্ষার্থী আছে কি না, তা খোঁজ নেওয়ার অভিযোগও ওঠে। এদিন সারা দেশে প্রায় এক হাজার ৪০০ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়, যার মধ্যে ঢাকায় গ্রেপ্তার হন ৬৪১ জন। টানা আট দিনে গ্রেপ্তারের সংখ্যা দাঁড়ায় প্রায় সাড়ে চার হাজার। পুলিশের করা অজ্ঞাতনামা মামলাগুলো সাধারণ শিক্ষার্থী ও নাগরিকদের হয়রানির হাতিয়ার হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ করা হয়। একই দিনে সাভারের এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আরও চারজন আন্দোলনকারী মারা যান।

নিষ্পাপ শিশু রিয়ার মৃত্যু

২৪ জুলাইয়ের ঘটনাপ্রবাহে আলোচিত একটি ঘটনা ছিল ছয় বছর ছয় মাস বয়সী শিশু রিয়া গোপের মৃত্যু। নারায়ণগঞ্জে নিজ বাসার ছাদে বাবার কোলে থাকা অবস্থায় পুলিশের ছোড়া গুলি তার মাথায় লাগে বলে অভিযোগ করা হয়। কয়েক দিন চিকিৎসাধীন থাকার পর ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়। রিয়ার বাবা দীপক কুমার গোপ জানান, তার কোলে থাকা অবস্থায়ই মেয়ের মাথা থেকে রক্ত ঝরতে থাকে। এ ধরনের ঘটনা দেশের বিভিন্ন এলাকায় ঘটেছে বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।

সমন্বয়কদের ওপর নির্যাতনের অভিযোগ

আন্দোলনের তিন সমন্বয়ক আসিফ মাহমুদ, আবু বাকের মজুমদার এবং রশিদুল ইসলাম রিফাতকে পাঁচ দিন নিখোঁজ থাকার পর ২৪ জুলাই চোখ বাঁধা অবস্থায় রাজধানীর পৃথক স্থানে ফেলে যাওয়া হয়। তাদের অভিযোগ, আটক অবস্থায় ইনজেকশন দিয়ে অচেতন রাখা, অন্ধকার কক্ষে আটকে রাখা এবং আন্দোলন প্রত্যাহারের জন্য মানসিক ও শারীরিক চাপ প্রয়োগ করা হয়।

তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, ১৯ জুলাই রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা থেকে তাদের তুলে নেওয়া হয়। ২২ জুলাই রাতে রাজধানীর গণস্বাস্থ্য নগর হাসপাতালের সামনে সংবাদ সম্মেলনে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের পক্ষ থেকে তাদের নিখোঁজ হওয়ার বিষয়টি জানানো হয়। পরে ২৪ জুলাই তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়।

আসিফ মাহমুদ গণমাধ্যমে পাঠানো এক ক্ষুদে বার্তায় জানান, ১৯ জুলাই রাত ১১টার দিকে হাতিরঝিলের মহানগর আবাসিক এলাকা থেকে তাকে তুলে নেওয়া হয় এবং আন্দোলন স্থগিতের ঘোষণা দিতে চাপ দেওয়া হয়। ২৪ জুলাই একই এলাকায় চোখ বাঁধা অবস্থায় তাকে ফেলে রেখে যাওয়া হয়। পরে তিনি হাসপাতালে চিকিৎসা নেন।

আবু বাকের মজুমদার ফেসবুকে লিখেন, ১৯ জুলাই সন্ধ্যার পর ধানমন্ডি এলাকা থেকে তাকে তুলে নিয়ে আন্দোলন বন্ধের বিবৃতি দিতে বলা হয়। তিনি রাজি না হওয়ায় তাকে একটি অন্ধকার কক্ষে আটকে রাখা হয়। ২৪ জুলাই যেখান থেকে তাকে তুলে নেওয়া হয়েছিল, তার কাছেই চোখ বেঁধে রেখে যাওয়া হয় বলে তিনি জানান। একই পোস্টে তিনি শহীদ ও নির্যাতিতদের স্মরণ রাখার আহ্বান জানান।

রাত সোয়া ৮টার দিকে রিফাতের বাবা দেলোয়ার হোসেন খোকন গণমাধ্যমকে বলেন, ফেসবুক পোস্ট দেখে তিনি জানতে পেরেছেন তার ছেলে নিরাপদে রয়েছে। তবে তখন পর্যন্ত ছেলের সঙ্গে তার সরাসরি কথা হয়নি।

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে সাংবাদিকদের বৈঠক

২৪ জুলাই এডিটরস গিল্ডের ব্যানারে ৩৭ জন সাংবাদিক ও সম্পাদক প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে শেখ হাসিনার সঙ্গে মতবিনিময় করেন। প্রতিবেদনে দাবি করা হয়, ওই বৈঠকে আন্দোলনকে ‘নাশকতা’ এবং আন্দোলনকারী ছাত্র-জনতাকে ‘সন্ত্রাসী’ ও ‘জঙ্গি’ হিসেবে উল্লেখ করা হয়।

ওই বৈঠকে নেতৃত্ব দেন মোজাম্মেল হক বাবু। সেখানে সাংবাদিক আবেদ খান বলেন, তারা প্রধানমন্ত্রীর জন্য ‘যেকোনো কিছু করতে প্রস্তুত’। সাংবাদিক শ্যামল দত্ত ও নঈম নিজাম আন্দোলনকারীদের খুঁজে বের করে শাস্তির আওতায় আনার দাবি জানান। একই সঙ্গে ইন্টারনেট বন্ধ রাখা, আলজাজিরা নিষিদ্ধ করা এবং মাদরাসাগুলোর ওপর নজরদারি বাড়ানোর পরামর্শ দেওয়া হয় বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়। এছাড়া সরকারের দমন-পীড়নের খবর প্রকাশ না করে তা গোপন রাখার প্রতিশ্রুতিও দেওয়া হয়েছিল বলে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়।

সেসময়ের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল এবং তৎকালীন আইজিপি চৌধুরী আবদুল্লাহ আল মামুন আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানের কথা জানান। অন্যদিকে জাতিসংঘ, অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল এবং যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা দপ্তর পেন্টাগন বাংলাদেশ সরকারের প্রাণঘাতী বলপ্রয়োগের সমালোচনা জানায়।

সূত্র: আমার দেশ


ইনসাফ টাইম ২৪

প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান - মোঃ জাকারিয়া আহম্মেদ 
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক - মোঃ আতিকুল ইসলাম
প্রকাশক ও নির্বাহী সম্পাদক - মোঃ রাকিব হোসাইন হৃদয় 
সহ-সম্পাদক- মোঃ জাকারিয়া হোসেন
বার্তা সম্পাদক - সর্বজিৎ চাকমা

কপিরাইট © ২০২৬ ইনসাফ টাইম ২৪ । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
ফিরে দেখা জুলাই বিপ্লব: ছাত্র-জনতাকে ‘সন্ত্রাসী’ বলেছিলেন একদল সাংবাদিক
0:00 0:00
1.0x