পোরশা (নওগাঁ):
দলীয় কর্মকাণ্ড নিয়ে গভীর অভিমান ও ক্ষোভ প্রকাশ করে নওগাঁর পোরশা উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক আলহাজ মো. আবুল হোসেন বাবু দলটির সকল পদ থেকে স্বেচ্ছায় পদত্যাগের ঘোষণা দিয়েছেন।
গতকাল (বৃহস্পতিবার) তিনি তাঁর ব্যক্তিগত ফেসবুক প্রোফাইলে এক স্ট্যাটাসের মাধ্যমে এ পদত্যাগের সিদ্ধান্ত প্রকাশ করেন।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া ওই স্ট্যাটাসে তিনি লেখেন:
«“প্রিয় দেশবাসী, আমি আলহাজ মো. আবুল হোসেন বাবু। পোরশা উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদকসহ বিএনপির বিভিন্ন পদে দায়িত্ব পালন করেছি। আজ থেকে বিএনপির সকল পদ থেকে স্বেচ্ছায় পদত্যাগ করলাম। কারণ, আমাদের মতো খারাপ লোক দলে না থাকাই ভালো। আমাকে ক্ষমা করবেন।”»
তিনি দীর্ঘদিন ধরে পোরশা উপজেলা বিএনপিতে দায়িত্বশীল পদে থেকে দলীয় কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছিলেন। তবে হঠাৎ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাঁর এই পদত্যাগের বার্তা স্থানীয় নেতাকর্মী ও সমর্থকদের মাঝে ব্যাপক চর্চা ও চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে।
স্ট্যাটাসটিতে সরাসরি কোনো নেতার নাম বা সুনির্দিষ্ট কারণ উল্লেখ না করলেও, তাঁর বার্তা থেকে স্পষ্ট যে দলীয় অভ্যন্তরীণ নানা টানাপোড়েন ও গভীর অভিমান থেকেই তিনি এই চরম সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। পদত্যাগের বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে এখন নানা আলোচনা-সমালোচনা চলছে।

শুক্রবার, ২৪ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ জুলাই ২০২৬
পোরশা (নওগাঁ):
দলীয় কর্মকাণ্ড নিয়ে গভীর অভিমান ও ক্ষোভ প্রকাশ করে নওগাঁর পোরশা উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক আলহাজ মো. আবুল হোসেন বাবু দলটির সকল পদ থেকে স্বেচ্ছায় পদত্যাগের ঘোষণা দিয়েছেন।
গতকাল (বৃহস্পতিবার) তিনি তাঁর ব্যক্তিগত ফেসবুক প্রোফাইলে এক স্ট্যাটাসের মাধ্যমে এ পদত্যাগের সিদ্ধান্ত প্রকাশ করেন।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া ওই স্ট্যাটাসে তিনি লেখেন:
«“প্রিয় দেশবাসী, আমি আলহাজ মো. আবুল হোসেন বাবু। পোরশা উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদকসহ বিএনপির বিভিন্ন পদে দায়িত্ব পালন করেছি। আজ থেকে বিএনপির সকল পদ থেকে স্বেচ্ছায় পদত্যাগ করলাম। কারণ, আমাদের মতো খারাপ লোক দলে না থাকাই ভালো। আমাকে ক্ষমা করবেন।”»
তিনি দীর্ঘদিন ধরে পোরশা উপজেলা বিএনপিতে দায়িত্বশীল পদে থেকে দলীয় কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছিলেন। তবে হঠাৎ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাঁর এই পদত্যাগের বার্তা স্থানীয় নেতাকর্মী ও সমর্থকদের মাঝে ব্যাপক চর্চা ও চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে।
স্ট্যাটাসটিতে সরাসরি কোনো নেতার নাম বা সুনির্দিষ্ট কারণ উল্লেখ না করলেও, তাঁর বার্তা থেকে স্পষ্ট যে দলীয় অভ্যন্তরীণ নানা টানাপোড়েন ও গভীর অভিমান থেকেই তিনি এই চরম সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। পদত্যাগের বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে এখন নানা আলোচনা-সমালোচনা চলছে।

আপনার মতামত লিখুন