সোমবার বিকেলে রাজধানীর বায়তুল মোকাররমের উত্তর গেট থেকে ‘কুরআন-সুন্নাহ বিরোধী সম্পত্তি হস্তান্তর আইন ২০২৬ পাসের প্রতিবাদে’ আয়োজিত বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন।
আইনমন্ত্রী ও সরকারের উদ্দেশে মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, এই আইন অনুমোদনের মাধ্যমে মুসলমানদের ঈমানের ওপর আঘাত করা হয়েছে। এটি শুধু জনদুর্ভোগের বিষয় নয়; বরং কোরআন-সুন্নাহ এবং মুসলমানদের ঈমানের ওপরও আঘাত।
তিনি আরও বলেন, মুসলমানদের ঈমানের ওপর আঘাত করা হলে লংমার্চের আন্দোলনসহ ধারাবাহিক আন্দোলনের মাধ্যমে সবকিছু তছনছ করে দেওয়া হবে। একই সঙ্গে আইনমন্ত্রীকে জাতির কাছে ক্ষমা চাইতে হবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
আইনটির বিরোধিতা করে জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল বলেন, ২০১৩ সালে পিতা-মাতার ভরণপোষণ বিষয়ে যে আইন করা হয়েছে, সেটি কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করা হলেও সন্তানরা কোনোভাবেই পিতা-মাতার ওপর কিছু করতে পারবে না।
প্রসঙ্গত, সম্পত্তি দান করার পরও মা-বাবার আজীবন তা ভোগদখলের অধিকার নিশ্চিত করার বিধান রেখে রোববার জাতীয় সংসদে ‘সম্পত্তি হস্তান্তর (সংশোধন) বিল, ২০২৬’ পাস হয়। এর আগের দিনই বিলটিকে কোরআন-সুন্নাহবিরোধী উল্লেখ করে তীব্র প্রতিবাদ জানান বিরোধীদলীয় নেতা শফিকুর রহমান।
রোববার জাতীয় সংসদে বিলটি উত্থাপনের পর ভোটাভুটিতে অংশ নেননি বিরোধী দলের সংসদ সদস্যরা। পরে আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান বলেন, এই আইনের অধীনে সম্পত্তি হস্তান্তর বা দান করা হলেও কোনোভাবেই তা হেবা, অসিয়ত কিংবা অন্য কোনো ধরনের সম্পত্তি হস্তান্তরকে প্রভাবিত করবে না। অসহায় ও বৃদ্ধ মা-বাবার পাশে থাকার উদ্দেশ্যেই আইনটি করা হয়েছে বলে জানান তিনি।
এরপর স্পিকার হাফিজউদ্দিন আহমেদ বিলটির প্রস্তাবের ওপর ভোট গ্রহণ করেন। এ সময় বিরোধী দলের সংসদ সদস্যরা সংসদ কক্ষ থেকে বেরিয়ে যান। পরে ‘সম্পত্তি হস্তান্তর (সংশোধন) বিল, ২০২৬’ জাতীয় সংসদে পাস হয়।
সূত্র: দ্য ইন্ডিপেন্ডেন্ট

সোমবার, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
সোমবার বিকেলে রাজধানীর বায়তুল মোকাররমের উত্তর গেট থেকে ‘কুরআন-সুন্নাহ বিরোধী সম্পত্তি হস্তান্তর আইন ২০২৬ পাসের প্রতিবাদে’ আয়োজিত বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন।
আইনমন্ত্রী ও সরকারের উদ্দেশে মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, এই আইন অনুমোদনের মাধ্যমে মুসলমানদের ঈমানের ওপর আঘাত করা হয়েছে। এটি শুধু জনদুর্ভোগের বিষয় নয়; বরং কোরআন-সুন্নাহ এবং মুসলমানদের ঈমানের ওপরও আঘাত।
তিনি আরও বলেন, মুসলমানদের ঈমানের ওপর আঘাত করা হলে লংমার্চের আন্দোলনসহ ধারাবাহিক আন্দোলনের মাধ্যমে সবকিছু তছনছ করে দেওয়া হবে। একই সঙ্গে আইনমন্ত্রীকে জাতির কাছে ক্ষমা চাইতে হবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
আইনটির বিরোধিতা করে জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল বলেন, ২০১৩ সালে পিতা-মাতার ভরণপোষণ বিষয়ে যে আইন করা হয়েছে, সেটি কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করা হলেও সন্তানরা কোনোভাবেই পিতা-মাতার ওপর কিছু করতে পারবে না।
প্রসঙ্গত, সম্পত্তি দান করার পরও মা-বাবার আজীবন তা ভোগদখলের অধিকার নিশ্চিত করার বিধান রেখে রোববার জাতীয় সংসদে ‘সম্পত্তি হস্তান্তর (সংশোধন) বিল, ২০২৬’ পাস হয়। এর আগের দিনই বিলটিকে কোরআন-সুন্নাহবিরোধী উল্লেখ করে তীব্র প্রতিবাদ জানান বিরোধীদলীয় নেতা শফিকুর রহমান।
রোববার জাতীয় সংসদে বিলটি উত্থাপনের পর ভোটাভুটিতে অংশ নেননি বিরোধী দলের সংসদ সদস্যরা। পরে আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান বলেন, এই আইনের অধীনে সম্পত্তি হস্তান্তর বা দান করা হলেও কোনোভাবেই তা হেবা, অসিয়ত কিংবা অন্য কোনো ধরনের সম্পত্তি হস্তান্তরকে প্রভাবিত করবে না। অসহায় ও বৃদ্ধ মা-বাবার পাশে থাকার উদ্দেশ্যেই আইনটি করা হয়েছে বলে জানান তিনি।
এরপর স্পিকার হাফিজউদ্দিন আহমেদ বিলটির প্রস্তাবের ওপর ভোট গ্রহণ করেন। এ সময় বিরোধী দলের সংসদ সদস্যরা সংসদ কক্ষ থেকে বেরিয়ে যান। পরে ‘সম্পত্তি হস্তান্তর (সংশোধন) বিল, ২০২৬’ জাতীয় সংসদে পাস হয়।
সূত্র: দ্য ইন্ডিপেন্ডেন্ট

আপনার মতামত লিখুন