যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যুদ্ধবিরতি চুক্তি ভেঙে যাওয়ার পর মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থিত মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলোতে হামলা চালিয়ে ২০০ জনের বেশি মার্কিন সেনাকে হত্যা করা হয়েছে বলে দাবি করেছে ইরান। ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পসের (আইআরজিসি) মুখপাত্র হোসেইন মহেব্বি এ দাবি করেন।
ইরানি সংবাদমাধ্যম তাসনিমকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে মহেব্বি বলেন, আইআরজিসির পরিচালিত ‘অপারেশন ভিক্টরি-২’-এর সময় এই প্রাণহানির ঘটনা ঘটে। তার দাবি, হামলায় আরও বহু মার্কিন সেনা আহত হয়েছেন। একই সঙ্গে মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সেনাদের হতাহতের বিষয়ে ওয়াশিংটনের প্রকাশিত তথ্যকে তিনি ‘মিথ্যা’ বলে প্রত্যাখ্যান করেন।
মহেব্বি আরও বলেন, ইরানের হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলো পরিদর্শনের সুযোগ সাংবাদিকদের দেওয়া হলে প্রকৃত পরিস্থিতি সবার সামনে আসবে। তবে ইরানের এ দাবির সত্যতা এখনো মার্কিন কর্তৃপক্ষ নিশ্চিত করেনি।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, চলতি বছরের ৮ জুলাই যুক্তরাষ্ট্রের একটি বিমান হামলাকে কেন্দ্র করে দুই দেশের মধ্যে নতুন করে সামরিক উত্তেজনা শুরু হয়। ওয়াশিংটনের দাবি, হরমুজ প্রণালীতে একটি বাণিজ্যিক জাহাজে হামলার জবাবে ওই অভিযান পরিচালনা করা হয়েছিল। এরপর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের সঙ্গে বিদ্যমান সমঝোতা ও যুদ্ধবিরতি বাতিলের ঘোষণা দেন।
এর প্রতিক্রিয়ায় তেহরান মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থিত মার্কিন সামরিক স্থাপনাগুলো লক্ষ্য করে পাল্টা হামলা শুরু করে। ইরানের দাবি অনুযায়ী, বাহরাইন, কুয়েত, কাতার, সংযুক্ত আরব আমিরাত এবং জর্ডানে থাকা মার্কিন ঘাঁটিগুলোও এসব হামলার লক্ষ্যবস্তু ছিল।
পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে ওঠে ১৪ জুলাই, যখন মার্কিন নৌবাহিনী ইরানের বিরুদ্ধে নতুন করে কঠোর অবরোধ আরোপ করে। দুই দেশের পাল্টাপাল্টি সামরিক পদক্ষেপে মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে।
তবে মার্কিন সেনা নিহতের সংখ্যা নিয়ে ইরানের দাবিটি স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি। অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রও ইরানের প্রকাশিত হতাহতের তথ্য প্রত্যাখ্যান করেছে। ফলে দুই দেশের পরস্পরবিরোধী বক্তব্যের মধ্যেই অঞ্চলজুড়ে সামরিক উত্তেজনা ও অনিশ্চয়তা অব্যাহত রয়েছে।
তথ্যসূত্র: তাস

রোববার, ২৬ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ জুলাই ২০২৬
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যুদ্ধবিরতি চুক্তি ভেঙে যাওয়ার পর মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থিত মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলোতে হামলা চালিয়ে ২০০ জনের বেশি মার্কিন সেনাকে হত্যা করা হয়েছে বলে দাবি করেছে ইরান। ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পসের (আইআরজিসি) মুখপাত্র হোসেইন মহেব্বি এ দাবি করেন।
ইরানি সংবাদমাধ্যম তাসনিমকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে মহেব্বি বলেন, আইআরজিসির পরিচালিত ‘অপারেশন ভিক্টরি-২’-এর সময় এই প্রাণহানির ঘটনা ঘটে। তার দাবি, হামলায় আরও বহু মার্কিন সেনা আহত হয়েছেন। একই সঙ্গে মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সেনাদের হতাহতের বিষয়ে ওয়াশিংটনের প্রকাশিত তথ্যকে তিনি ‘মিথ্যা’ বলে প্রত্যাখ্যান করেন।
মহেব্বি আরও বলেন, ইরানের হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলো পরিদর্শনের সুযোগ সাংবাদিকদের দেওয়া হলে প্রকৃত পরিস্থিতি সবার সামনে আসবে। তবে ইরানের এ দাবির সত্যতা এখনো মার্কিন কর্তৃপক্ষ নিশ্চিত করেনি।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, চলতি বছরের ৮ জুলাই যুক্তরাষ্ট্রের একটি বিমান হামলাকে কেন্দ্র করে দুই দেশের মধ্যে নতুন করে সামরিক উত্তেজনা শুরু হয়। ওয়াশিংটনের দাবি, হরমুজ প্রণালীতে একটি বাণিজ্যিক জাহাজে হামলার জবাবে ওই অভিযান পরিচালনা করা হয়েছিল। এরপর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের সঙ্গে বিদ্যমান সমঝোতা ও যুদ্ধবিরতি বাতিলের ঘোষণা দেন।
এর প্রতিক্রিয়ায় তেহরান মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থিত মার্কিন সামরিক স্থাপনাগুলো লক্ষ্য করে পাল্টা হামলা শুরু করে। ইরানের দাবি অনুযায়ী, বাহরাইন, কুয়েত, কাতার, সংযুক্ত আরব আমিরাত এবং জর্ডানে থাকা মার্কিন ঘাঁটিগুলোও এসব হামলার লক্ষ্যবস্তু ছিল।
পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে ওঠে ১৪ জুলাই, যখন মার্কিন নৌবাহিনী ইরানের বিরুদ্ধে নতুন করে কঠোর অবরোধ আরোপ করে। দুই দেশের পাল্টাপাল্টি সামরিক পদক্ষেপে মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে।
তবে মার্কিন সেনা নিহতের সংখ্যা নিয়ে ইরানের দাবিটি স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি। অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রও ইরানের প্রকাশিত হতাহতের তথ্য প্রত্যাখ্যান করেছে। ফলে দুই দেশের পরস্পরবিরোধী বক্তব্যের মধ্যেই অঞ্চলজুড়ে সামরিক উত্তেজনা ও অনিশ্চয়তা অব্যাহত রয়েছে।
তথ্যসূত্র: তাস

আপনার মতামত লিখুন