নওগাঁর ধামইরহাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রকাশ্যে নিজ গর্ভবতী স্ত্রীকে ছুরিকাঘাত করে নির্মমভাবে হত্যা করার অভিযোগ উঠেছে তার স্বামীর বিরুদ্ধে। নির্মম এই ঘটনার পরপরই পালানোর চেষ্টা করলে হাসপাতালে কর্মরত সচেতন আনসার সদস্যরা অভিযুক্ত স্বামীকে হাতেনাতে আটক করে ধামইরহাট থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করেন।
ঘটনার বিবরণ
স্থানীয় ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী নারী তার শারীরিক চিকিৎসার জন্য ধামইরহাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এসেছিলেন। এ সময় কোনো একটি পারিবারিক কলহের জেরে তার স্বামী অতর্কিতভাবে ধারালো ছুরি নিয়ে তার ওপর হামলা চালায়। প্রকাশ্যে শত শত মানুষের সামনেই স্ত্রীর পেটে ও শরীরে একাধিক আঘাত করে সে।
আশঙ্কাজনক অবস্থায় হাসপাতালে কর্মরত চিকিৎসক ও সাধারণ মানুষ তাকে বাঁচানোর চেষ্টা করলেও ঘটনাস্থলেই ওই গর্ভবতী নারী ও তার গর্ভস্থ সন্তানের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়।
আনসার সদস্যদের তৎপরতায় ঘাতক আটক
হত্যাকাণ্ড চালিয়ে ঘাতক স্বামী দ্রুত চত্বর ছেড়ে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। এ সময় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে দায়িত্বে থাকা আনসার সদস্যরা দ্রুত তৎপর হয়ে তাকে ঘিরে ফেলেন এবং দৌড়ে গিয়ে তাকে ধরে ফেলেন। পরবর্তীতে আনসার সদস্যরা উত্তেজিত জনতার হাত থেকে রক্ষা করে তাকে ধামইরহাট থানায় নিয়ে যায়।
পুলিশের বক্তব্য:
ধামইরহাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জানান, "খবর পাওয়ার পরপরই পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে এবং আনসার সদস্যদের হাতে আটক হওয়া আসামিকে হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। ঘটনার পেছনে মূল কারণ কী, তা জানতে অভিযুক্তকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। নিহতের লাশ ময়নাতদন্তের জন্য নওগাঁ সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ বিষয়ে একটি হত্যা মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে।"

সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৭ জুলাই ২০২৬
নওগাঁর ধামইরহাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রকাশ্যে নিজ গর্ভবতী স্ত্রীকে ছুরিকাঘাত করে নির্মমভাবে হত্যা করার অভিযোগ উঠেছে তার স্বামীর বিরুদ্ধে। নির্মম এই ঘটনার পরপরই পালানোর চেষ্টা করলে হাসপাতালে কর্মরত সচেতন আনসার সদস্যরা অভিযুক্ত স্বামীকে হাতেনাতে আটক করে ধামইরহাট থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করেন।
ঘটনার বিবরণ
স্থানীয় ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী নারী তার শারীরিক চিকিৎসার জন্য ধামইরহাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এসেছিলেন। এ সময় কোনো একটি পারিবারিক কলহের জেরে তার স্বামী অতর্কিতভাবে ধারালো ছুরি নিয়ে তার ওপর হামলা চালায়। প্রকাশ্যে শত শত মানুষের সামনেই স্ত্রীর পেটে ও শরীরে একাধিক আঘাত করে সে।
আশঙ্কাজনক অবস্থায় হাসপাতালে কর্মরত চিকিৎসক ও সাধারণ মানুষ তাকে বাঁচানোর চেষ্টা করলেও ঘটনাস্থলেই ওই গর্ভবতী নারী ও তার গর্ভস্থ সন্তানের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়।
আনসার সদস্যদের তৎপরতায় ঘাতক আটক
হত্যাকাণ্ড চালিয়ে ঘাতক স্বামী দ্রুত চত্বর ছেড়ে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। এ সময় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে দায়িত্বে থাকা আনসার সদস্যরা দ্রুত তৎপর হয়ে তাকে ঘিরে ফেলেন এবং দৌড়ে গিয়ে তাকে ধরে ফেলেন। পরবর্তীতে আনসার সদস্যরা উত্তেজিত জনতার হাত থেকে রক্ষা করে তাকে ধামইরহাট থানায় নিয়ে যায়।
পুলিশের বক্তব্য:
ধামইরহাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জানান, "খবর পাওয়ার পরপরই পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে এবং আনসার সদস্যদের হাতে আটক হওয়া আসামিকে হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। ঘটনার পেছনে মূল কারণ কী, তা জানতে অভিযুক্তকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। নিহতের লাশ ময়নাতদন্তের জন্য নওগাঁ সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ বিষয়ে একটি হত্যা মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে।"

আপনার মতামত লিখুন