সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার গোপালপুর থেকে ভুরুলিয়ার বল্লভপুর সীমান্ত—এই পুরো এলাকা এখন গাঁজার কবলে। সীমান্ত দিয়ে রোজ ঢুকছে নেশার চালান। আর তাতেই তলিয়ে যাচ্ছে এলাকার কিশোর-যুবকরা।
সন্ধ্যা হলেই নেশার আসর
স্থানীয়রা বলছেন, দিনের আলো নিভলেই গোপালপুর বটতলা, বল্লভপুর খালপাড় আর আশপাশের ফাঁকা মাঠগুলো হয়ে ওঠে আড্ডার জায়গা। সেখানে ১০০থেকে ৫০০ টাকায় সহজে মিলছে গাঁজা।
নেশার টাকা জোগাতে অনেকে গরু-ছাগল বিক্রি করছে। অনেকে কাজকর্ম ছেড়ে দিয়েছে। পরিবারে অশান্তি আর হাহাকার।
কৃষিতে ধস, পরিবারে ভাঙন।
সবচেয়ে বড় ক্ষতি হচ্ছে কৃষির। মাঠে কাজ করার লোক পাওয়া যাচ্ছে না। যুবকরা নেশায় বুঁদ হয়ে থাকায় একরের পর একর জমি পড়ে থাকছে অনাবাদি। শ্রমিক সংকটে কৃষকরাও দিশেহারা।
এলাকাবাসী যা চাইছে।
এই অবস্থা থেকে বাঁচতে প্রশাসনের কঠোর পদক্ষেপ দাবি করেছেন এলাকাবাসী।
তাদের দাবি:
1. টহল বাড়াতে হবে: সন্ধ্যার পর গোপালপুর থেকে ভুরুলিয়া পর্যন্ত পুলিশের টহল জোরদার করতে হবে।
2. প্রতিরোধ কমিটি: প্রতিটি ওয়ার্ডে যুবকদের নিয়ে মাদকবিরোধী কমিটি গঠন করতে হবে।
3. চিকিৎসা ও কাজ শ্যামনগরে দ্রুত সরকারি মাদকাসক্ত নিরাময় কেন্দ্র এবং যুবকদের জন্য কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করতে হবে।
একই সাথে গোপালপুর থেকে বল্লভপুর পর্যন্ত সীমান্তের সব চোরাপথ বন্ধ এবং মাদক ব্যবসায়ীদের দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবি জানান তারা।
এলাকার এক মুরুব্বির কথা: "আর কত যুবক নষ্ট হবে? প্রশাসন এখনই না জাগলে আগামী প্রজন্ম শেষ হয়ে যাবে।
তথ্য দিন, মাদক রুখুন
মাদক সংক্রান্ত যেকোনো তথ্য দিতে যোগাযোগ করুন:
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতর হটলাইন: 01908888888
২৪ ঘণ্টা খোলা। তথ্যদাতার পরিচয় গোপন রাখা হয়।
জরুরি প্রয়োজনে *999* এ কল করুন।

সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৭ জুলাই ২০২৬
সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার গোপালপুর থেকে ভুরুলিয়ার বল্লভপুর সীমান্ত—এই পুরো এলাকা এখন গাঁজার কবলে। সীমান্ত দিয়ে রোজ ঢুকছে নেশার চালান। আর তাতেই তলিয়ে যাচ্ছে এলাকার কিশোর-যুবকরা।
সন্ধ্যা হলেই নেশার আসর
স্থানীয়রা বলছেন, দিনের আলো নিভলেই গোপালপুর বটতলা, বল্লভপুর খালপাড় আর আশপাশের ফাঁকা মাঠগুলো হয়ে ওঠে আড্ডার জায়গা। সেখানে ১০০থেকে ৫০০ টাকায় সহজে মিলছে গাঁজা।
নেশার টাকা জোগাতে অনেকে গরু-ছাগল বিক্রি করছে। অনেকে কাজকর্ম ছেড়ে দিয়েছে। পরিবারে অশান্তি আর হাহাকার।
কৃষিতে ধস, পরিবারে ভাঙন।
সবচেয়ে বড় ক্ষতি হচ্ছে কৃষির। মাঠে কাজ করার লোক পাওয়া যাচ্ছে না। যুবকরা নেশায় বুঁদ হয়ে থাকায় একরের পর একর জমি পড়ে থাকছে অনাবাদি। শ্রমিক সংকটে কৃষকরাও দিশেহারা।
এলাকাবাসী যা চাইছে।
এই অবস্থা থেকে বাঁচতে প্রশাসনের কঠোর পদক্ষেপ দাবি করেছেন এলাকাবাসী।
তাদের দাবি:
1. টহল বাড়াতে হবে: সন্ধ্যার পর গোপালপুর থেকে ভুরুলিয়া পর্যন্ত পুলিশের টহল জোরদার করতে হবে।
2. প্রতিরোধ কমিটি: প্রতিটি ওয়ার্ডে যুবকদের নিয়ে মাদকবিরোধী কমিটি গঠন করতে হবে।
3. চিকিৎসা ও কাজ শ্যামনগরে দ্রুত সরকারি মাদকাসক্ত নিরাময় কেন্দ্র এবং যুবকদের জন্য কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করতে হবে।
একই সাথে গোপালপুর থেকে বল্লভপুর পর্যন্ত সীমান্তের সব চোরাপথ বন্ধ এবং মাদক ব্যবসায়ীদের দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবি জানান তারা।
এলাকার এক মুরুব্বির কথা: "আর কত যুবক নষ্ট হবে? প্রশাসন এখনই না জাগলে আগামী প্রজন্ম শেষ হয়ে যাবে।
তথ্য দিন, মাদক রুখুন
মাদক সংক্রান্ত যেকোনো তথ্য দিতে যোগাযোগ করুন:
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতর হটলাইন: 01908888888
২৪ ঘণ্টা খোলা। তথ্যদাতার পরিচয় গোপন রাখা হয়।
জরুরি প্রয়োজনে *999* এ কল করুন।

আপনার মতামত লিখুন