ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা উপজেলায় এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার দায়িত্ব পালনকালে নকল সরবরাহের চেষ্টার অভিযোগে এক শিক্ষককে এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। একই ঘটনায় দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগে আরও দুই শিক্ষকের কেন্দ্রের দায়িত্ব স্থগিত করা হয়েছে এবং পাঁচ পরীক্ষার্থীর পরীক্ষা বাতিল করা হয়েছে।
সোমবার (২৭ জুলাই) ইসলামের ইতিহাস বিষয়ের পরীক্ষা চলাকালে উপজেলার আড়াইবাড়ি ইসলামিয়া সাইদিয়া কামিল মাদরাসা কেন্দ্রে এ ঘটনা ঘটে।
দণ্ডপ্রাপ্ত শিক্ষক মো. মনির হোসেন রানীক্ষার সৈয়দ ইমদাদুল বাড়ি গাউজিয়া আলিম মাদরাসার শিক্ষক।
জানা যায়, কেন্দ্রের বাইরে থেকে পরীক্ষার উত্তর লিখে এনে পরীক্ষার্থীদের কাছে পৌঁছে দেওয়ার চেষ্টা করেন মনির হোসেন। বিষয়টি কেন্দ্রের সিসিটিভি ক্যামেরায় ধরা পড়লে ভ্রাম্যমাণ আদালত তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা গ্রহণ করে।
এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট তানজিল কবিরের পরিচালনায় ভ্রাম্যমাণ আদালত পাবলিক পরীক্ষা (অপরাধ) আইন, ১৯৮০-এর ১২ ধারায় মো. মনির হোসেনকে এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেন।
একই ঘটনায় পরীক্ষাকক্ষে দায়িত্বে থাকা আরও দুই শিক্ষকের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে এবং তাদের কেন্দ্রের দায়িত্ব স্থগিত করা হয়েছে। পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট পাঁচ পরীক্ষার্থীর পরীক্ষাও বাতিল করা হয়েছে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, পাবলিক পরীক্ষার সুষ্ঠু ও স্বচ্ছ পরিবেশ বজায় রাখতে এ ধরনের অনিয়মের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা অব্যাহত থাকবে।আপনার দেওয়া তথ্যগুলো অপরিবর্তিত রেখে, শুধু শব্দচয়ন পরিবর্তন করা হয়েছে যাতে কপিরাইটের ঝুঁকি কমে। নতুন কোনো তথ্য যোগ বা বাদ দেওয়া হয়নি।
পরীক্ষাকেন্দ্রে নকল সরবরাহের চেষ্টা, শিক্ষককে এক বছরের কারাদণ্ড
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা উপজেলায় এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার দায়িত্ব পালনকালে নকল সরবরাহের চেষ্টার অভিযোগে এক শিক্ষককে এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। একই ঘটনায় দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগে আরও দুই শিক্ষকের কেন্দ্রের দায়িত্ব স্থগিত করা হয়েছে এবং পাঁচ পরীক্ষার্থীর পরীক্ষা বাতিল করা হয়েছে।
সোমবার (২৭ জুলাই) ইসলামের ইতিহাস বিষয়ের পরীক্ষা চলাকালে উপজেলার আড়াইবাড়ি ইসলামিয়া সাইদিয়া কামিল মাদরাসা কেন্দ্রে এ ঘটনা ঘটে।
দণ্ডপ্রাপ্ত শিক্ষক মো. মনির হোসেন রানীক্ষার সৈয়দ ইমদাদুল বাড়ি গাউজিয়া আলিম মাদরাসার শিক্ষক।
জানা যায়, কেন্দ্রের বাইরে থেকে পরীক্ষার উত্তর লিখে এনে পরীক্ষার্থীদের কাছে পৌঁছে দেওয়ার চেষ্টা করেন মনির হোসেন। বিষয়টি কেন্দ্রের সিসিটিভি ক্যামেরায় ধরা পড়লে ভ্রাম্যমাণ আদালত তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা গ্রহণ করে।
এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট তানজিল কবিরের পরিচালনায় ভ্রাম্যমাণ আদালত পাবলিক পরীক্ষা (অপরাধ) আইন, ১৯৮০-এর ১২ ধারায় মো. মনির হোসেনকে এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেন।
একই ঘটনায় পরীক্ষাকক্ষে দায়িত্বে থাকা আরও দুই শিক্ষকের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে এবং তাদের কেন্দ্রের দায়িত্ব স্থগিত করা হয়েছে। পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট পাঁচ পরীক্ষার্থীর পরীক্ষাও বাতিল করা হয়েছে।
সূত্র: আরটিভি
ছবি: আরটিভি

সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৭ জুলাই ২০২৬
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা উপজেলায় এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার দায়িত্ব পালনকালে নকল সরবরাহের চেষ্টার অভিযোগে এক শিক্ষককে এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। একই ঘটনায় দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগে আরও দুই শিক্ষকের কেন্দ্রের দায়িত্ব স্থগিত করা হয়েছে এবং পাঁচ পরীক্ষার্থীর পরীক্ষা বাতিল করা হয়েছে।
সোমবার (২৭ জুলাই) ইসলামের ইতিহাস বিষয়ের পরীক্ষা চলাকালে উপজেলার আড়াইবাড়ি ইসলামিয়া সাইদিয়া কামিল মাদরাসা কেন্দ্রে এ ঘটনা ঘটে।
দণ্ডপ্রাপ্ত শিক্ষক মো. মনির হোসেন রানীক্ষার সৈয়দ ইমদাদুল বাড়ি গাউজিয়া আলিম মাদরাসার শিক্ষক।
জানা যায়, কেন্দ্রের বাইরে থেকে পরীক্ষার উত্তর লিখে এনে পরীক্ষার্থীদের কাছে পৌঁছে দেওয়ার চেষ্টা করেন মনির হোসেন। বিষয়টি কেন্দ্রের সিসিটিভি ক্যামেরায় ধরা পড়লে ভ্রাম্যমাণ আদালত তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা গ্রহণ করে।
এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট তানজিল কবিরের পরিচালনায় ভ্রাম্যমাণ আদালত পাবলিক পরীক্ষা (অপরাধ) আইন, ১৯৮০-এর ১২ ধারায় মো. মনির হোসেনকে এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেন।
একই ঘটনায় পরীক্ষাকক্ষে দায়িত্বে থাকা আরও দুই শিক্ষকের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে এবং তাদের কেন্দ্রের দায়িত্ব স্থগিত করা হয়েছে। পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট পাঁচ পরীক্ষার্থীর পরীক্ষাও বাতিল করা হয়েছে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, পাবলিক পরীক্ষার সুষ্ঠু ও স্বচ্ছ পরিবেশ বজায় রাখতে এ ধরনের অনিয়মের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা অব্যাহত থাকবে।আপনার দেওয়া তথ্যগুলো অপরিবর্তিত রেখে, শুধু শব্দচয়ন পরিবর্তন করা হয়েছে যাতে কপিরাইটের ঝুঁকি কমে। নতুন কোনো তথ্য যোগ বা বাদ দেওয়া হয়নি।
পরীক্ষাকেন্দ্রে নকল সরবরাহের চেষ্টা, শিক্ষককে এক বছরের কারাদণ্ড
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা উপজেলায় এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার দায়িত্ব পালনকালে নকল সরবরাহের চেষ্টার অভিযোগে এক শিক্ষককে এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। একই ঘটনায় দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগে আরও দুই শিক্ষকের কেন্দ্রের দায়িত্ব স্থগিত করা হয়েছে এবং পাঁচ পরীক্ষার্থীর পরীক্ষা বাতিল করা হয়েছে।
সোমবার (২৭ জুলাই) ইসলামের ইতিহাস বিষয়ের পরীক্ষা চলাকালে উপজেলার আড়াইবাড়ি ইসলামিয়া সাইদিয়া কামিল মাদরাসা কেন্দ্রে এ ঘটনা ঘটে।
দণ্ডপ্রাপ্ত শিক্ষক মো. মনির হোসেন রানীক্ষার সৈয়দ ইমদাদুল বাড়ি গাউজিয়া আলিম মাদরাসার শিক্ষক।
জানা যায়, কেন্দ্রের বাইরে থেকে পরীক্ষার উত্তর লিখে এনে পরীক্ষার্থীদের কাছে পৌঁছে দেওয়ার চেষ্টা করেন মনির হোসেন। বিষয়টি কেন্দ্রের সিসিটিভি ক্যামেরায় ধরা পড়লে ভ্রাম্যমাণ আদালত তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা গ্রহণ করে।
এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট তানজিল কবিরের পরিচালনায় ভ্রাম্যমাণ আদালত পাবলিক পরীক্ষা (অপরাধ) আইন, ১৯৮০-এর ১২ ধারায় মো. মনির হোসেনকে এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেন।
একই ঘটনায় পরীক্ষাকক্ষে দায়িত্বে থাকা আরও দুই শিক্ষকের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে এবং তাদের কেন্দ্রের দায়িত্ব স্থগিত করা হয়েছে। পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট পাঁচ পরীক্ষার্থীর পরীক্ষাও বাতিল করা হয়েছে।
সূত্র: আরটিভি
ছবি: আরটিভি

আপনার মতামত লিখুন