বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে তিনি বলেন, ‘আমরা প্রমাণ করেছি, ছাত্রসংসদ ক্ষমতার জন্য নয়, সেবার জন্য; আধিপত্যের জন্য নয়, প্রতিনিধিত্বের জন্য এবং ভয়ের পরিবর্তে স্বাধীনতার প্রতীক।’
সাদিক কায়েম বলেন, সহযোদ্ধাদের অকল্পনীয় পরিশ্রম, দেশ ও প্রবাসের শুভানুধ্যায়ীদের আন্তরিক ভালোবাসা এবং জায়নামাজে লাখ লাখ মা-বাবার কান্নামিশ্রিত দোয়ার বরকতে তারা শিক্ষার্থীদের অকুণ্ঠ সমর্থন পেয়েছিলেন।
তিনি বলেন, নানা ধরনের অসহযোগিতা ও সীমাবদ্ধতার মধ্যেও শিক্ষার্থীদের অকৃত্রিম সমর্থন ও ভালোবাসাকে সঙ্গে নিয়ে গত এক বছরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের দেওয়া প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়েছেন তারা। একই সঙ্গে সারাদেশের শিক্ষার্থীসমাজ ও দেশবাসীর অধিকার এবং কল্যাণের বিভিন্ন বিষয়েও তারা সবসময় সোচ্চার ছিলেন।
ডাকসুর গত এক বছরের কার্যক্রম তুলে ধরে ভিপি বলেন, বিভিন্ন বাধাবিপত্তি ও আঘাত মোকাবিলা করে ক্যাম্পাসে শান্তি ও স্থিতিশীল পরিবেশ বজায় রাখার চেষ্টা করা হয়েছে। দীর্ঘদিনের নিপীড়নমূলক গণরুম-গেস্টরুম সংস্কৃতিও বন্ধ হয়েছে বলে জানান তিনি।
সাদিক কায়েম আরও বলেন, পরিবহন ব্যবস্থা, উচ্চশিক্ষা ও গবেষণায় শিক্ষার্থীদের উৎসাহিত করা, স্কিল ডেভেলপমেন্ট, স্বাস্থ্যসেবা এবং হলগুলোতে পড়াশোনার পরিবেশ উন্নয়নসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ইতিবাচক পরিবর্তনের সূচনা দেখেছে।
ডাকসুর ভূমিকা সম্পর্কে তিনি বলেন, ছাত্রসংসদ যে ক্ষমতা বা আধিপত্যের জায়গা নয়, বরং সেবা ও প্রতিনিধিত্বের প্রতিষ্ঠান এবং যেখানে ভয় নয়, স্বাধীনতার পরিবেশ থাকবে—এটি তারা দেখাতে পেরেছেন।
তিনি আরও বলেন, গণতান্ত্রিক, শিক্ষার্থীবান্ধব ও শান্তিপূর্ণ ক্যাম্পাস গড়ে তুলে নতুন বাংলাদেশ নির্মাণের এই অগ্রযাত্রায় প্রত্যেক শিক্ষার্থীই গর্বিত অংশীদার।
ডাকসুর এক বছরের পথচলায় যারা পাশে ছিলেন, তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে সাদিক কায়েম বলেন, নিয়মিত ছাত্রসংসদ নির্বাচন এবং ক্যাম্পাসে ইতিবাচক পরিবর্তনের ধারাবাহিকতায় ইনসাফের বাংলাদেশ গড়ে উঠুক—এটাই প্রত্যাশা।
উল্লেখ্য, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) ২০২৫ সালের নির্বাচিত কার্যকরী কমিটির নির্ধারিত এক বছরের মেয়াদ বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) আনুষ্ঠানিকভাবে শেষ হচ্ছে। দীর্ঘ বিরতির পর ২০২৫ সালের ৯ সেপ্টেম্বর ডাকসু নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। ওই নির্বাচনে ‘ঐক্যবদ্ধ শিক্ষার্থী জোট’ নিরঙ্কুশ জয় পায়। নির্বাচনে মো. আবু সাদিক কায়েম ভিপি এবং এস এম ফরহাদ জিএস নির্বাচিত হন।
সূত্র: নয়াদিগন্ত

বুধবার, ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে তিনি বলেন, ‘আমরা প্রমাণ করেছি, ছাত্রসংসদ ক্ষমতার জন্য নয়, সেবার জন্য; আধিপত্যের জন্য নয়, প্রতিনিধিত্বের জন্য এবং ভয়ের পরিবর্তে স্বাধীনতার প্রতীক।’
সাদিক কায়েম বলেন, সহযোদ্ধাদের অকল্পনীয় পরিশ্রম, দেশ ও প্রবাসের শুভানুধ্যায়ীদের আন্তরিক ভালোবাসা এবং জায়নামাজে লাখ লাখ মা-বাবার কান্নামিশ্রিত দোয়ার বরকতে তারা শিক্ষার্থীদের অকুণ্ঠ সমর্থন পেয়েছিলেন।
তিনি বলেন, নানা ধরনের অসহযোগিতা ও সীমাবদ্ধতার মধ্যেও শিক্ষার্থীদের অকৃত্রিম সমর্থন ও ভালোবাসাকে সঙ্গে নিয়ে গত এক বছরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের দেওয়া প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়েছেন তারা। একই সঙ্গে সারাদেশের শিক্ষার্থীসমাজ ও দেশবাসীর অধিকার এবং কল্যাণের বিভিন্ন বিষয়েও তারা সবসময় সোচ্চার ছিলেন।
ডাকসুর গত এক বছরের কার্যক্রম তুলে ধরে ভিপি বলেন, বিভিন্ন বাধাবিপত্তি ও আঘাত মোকাবিলা করে ক্যাম্পাসে শান্তি ও স্থিতিশীল পরিবেশ বজায় রাখার চেষ্টা করা হয়েছে। দীর্ঘদিনের নিপীড়নমূলক গণরুম-গেস্টরুম সংস্কৃতিও বন্ধ হয়েছে বলে জানান তিনি।
সাদিক কায়েম আরও বলেন, পরিবহন ব্যবস্থা, উচ্চশিক্ষা ও গবেষণায় শিক্ষার্থীদের উৎসাহিত করা, স্কিল ডেভেলপমেন্ট, স্বাস্থ্যসেবা এবং হলগুলোতে পড়াশোনার পরিবেশ উন্নয়নসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ইতিবাচক পরিবর্তনের সূচনা দেখেছে।
ডাকসুর ভূমিকা সম্পর্কে তিনি বলেন, ছাত্রসংসদ যে ক্ষমতা বা আধিপত্যের জায়গা নয়, বরং সেবা ও প্রতিনিধিত্বের প্রতিষ্ঠান এবং যেখানে ভয় নয়, স্বাধীনতার পরিবেশ থাকবে—এটি তারা দেখাতে পেরেছেন।
তিনি আরও বলেন, গণতান্ত্রিক, শিক্ষার্থীবান্ধব ও শান্তিপূর্ণ ক্যাম্পাস গড়ে তুলে নতুন বাংলাদেশ নির্মাণের এই অগ্রযাত্রায় প্রত্যেক শিক্ষার্থীই গর্বিত অংশীদার।
ডাকসুর এক বছরের পথচলায় যারা পাশে ছিলেন, তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে সাদিক কায়েম বলেন, নিয়মিত ছাত্রসংসদ নির্বাচন এবং ক্যাম্পাসে ইতিবাচক পরিবর্তনের ধারাবাহিকতায় ইনসাফের বাংলাদেশ গড়ে উঠুক—এটাই প্রত্যাশা।
উল্লেখ্য, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) ২০২৫ সালের নির্বাচিত কার্যকরী কমিটির নির্ধারিত এক বছরের মেয়াদ বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) আনুষ্ঠানিকভাবে শেষ হচ্ছে। দীর্ঘ বিরতির পর ২০২৫ সালের ৯ সেপ্টেম্বর ডাকসু নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। ওই নির্বাচনে ‘ঐক্যবদ্ধ শিক্ষার্থী জোট’ নিরঙ্কুশ জয় পায়। নির্বাচনে মো. আবু সাদিক কায়েম ভিপি এবং এস এম ফরহাদ জিএস নির্বাচিত হন।
সূত্র: নয়াদিগন্ত

আপনার মতামত লিখুন