সিরাজগঞ্জে পাওনা টাকা সংক্রান্ত বিরোধের জেরে এক যুবককে হত্যার মামলায় পলাশ চন্দ্র সূত্রধরকে আমৃত্যু কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে ২৫ হাজার টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে। অর্থদণ্ড অনাদায়ে আরও তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে।
সোমবার (২৭ জুলাই) বিকেলে সিরাজগঞ্জ জেলা ও দায়রা জজ ইকবাল হোসেন এ রায় ঘোষণা করেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) রফিক সরকার।
দণ্ডপ্রাপ্ত পলাশ চন্দ্র সূত্রধর সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার সয়দাবাদ ইউনিয়নের সারোটিয়া নতুনপাড়া গ্রামের বাঞ্চ সূত্রধরের ছেলে।
মামলার অভিযোগ অনুযায়ী, সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার সয়দাবাদ ইউনিয়নের বড় সারোটিয়া গ্রামের ইবনে বতুতা মুনমুনের কাছে আসামি পলাশ চন্দ্র সূত্রধরের দুই লাখ টাকা পাওনা ছিল। এ টাকা নিয়ে তাদের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। ২০১৭ সালের ২৩ জুলাই পাওনা টাকা আদায়ের উদ্দেশ্যে ইবনে বতুতা মুনমুন পলাশ চন্দ্র সূত্রধরের বাড়ির উদ্দেশে বের হন। এরপর থেকে তিনি নিখোঁজ ছিলেন।
পরে ২৫ জুলাই ইবনে বতুতা মুনমুনের স্বজনরা পলাশ চন্দ্রের বাড়িতে গিয়ে বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেন। একপর্যায়ে আসামির ঘরের ভেতরে মাটি খোঁড়া অবস্থায় দেখতে পেয়ে বিষয়টি পুলিশকে জানান। পরে পুলিশ ওই স্থান খুঁড়ে ইবনে বতুতা মুনমুনের মরদেহ উদ্ধার করে।
ঘটনার পর নিহতের বড় ভাই ইবনে কাশিম বাবু বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেন।
দীর্ঘ সাক্ষ্যপ্রমাণ গ্রহণ শেষে সোমবার আদালতের বিচারক পলাশ চন্দ্র সূত্রধরকে আমৃত্যু কারাদণ্ড প্রদান করেন।
সূত্র: প্রতিদিনের সংবাদ

বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৮ জুলাই ২০২৬
সিরাজগঞ্জে পাওনা টাকা সংক্রান্ত বিরোধের জেরে এক যুবককে হত্যার মামলায় পলাশ চন্দ্র সূত্রধরকে আমৃত্যু কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে ২৫ হাজার টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে। অর্থদণ্ড অনাদায়ে আরও তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে।
সোমবার (২৭ জুলাই) বিকেলে সিরাজগঞ্জ জেলা ও দায়রা জজ ইকবাল হোসেন এ রায় ঘোষণা করেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) রফিক সরকার।
দণ্ডপ্রাপ্ত পলাশ চন্দ্র সূত্রধর সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার সয়দাবাদ ইউনিয়নের সারোটিয়া নতুনপাড়া গ্রামের বাঞ্চ সূত্রধরের ছেলে।
মামলার অভিযোগ অনুযায়ী, সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার সয়দাবাদ ইউনিয়নের বড় সারোটিয়া গ্রামের ইবনে বতুতা মুনমুনের কাছে আসামি পলাশ চন্দ্র সূত্রধরের দুই লাখ টাকা পাওনা ছিল। এ টাকা নিয়ে তাদের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। ২০১৭ সালের ২৩ জুলাই পাওনা টাকা আদায়ের উদ্দেশ্যে ইবনে বতুতা মুনমুন পলাশ চন্দ্র সূত্রধরের বাড়ির উদ্দেশে বের হন। এরপর থেকে তিনি নিখোঁজ ছিলেন।
পরে ২৫ জুলাই ইবনে বতুতা মুনমুনের স্বজনরা পলাশ চন্দ্রের বাড়িতে গিয়ে বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেন। একপর্যায়ে আসামির ঘরের ভেতরে মাটি খোঁড়া অবস্থায় দেখতে পেয়ে বিষয়টি পুলিশকে জানান। পরে পুলিশ ওই স্থান খুঁড়ে ইবনে বতুতা মুনমুনের মরদেহ উদ্ধার করে।
ঘটনার পর নিহতের বড় ভাই ইবনে কাশিম বাবু বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেন।
দীর্ঘ সাক্ষ্যপ্রমাণ গ্রহণ শেষে সোমবার আদালতের বিচারক পলাশ চন্দ্র সূত্রধরকে আমৃত্যু কারাদণ্ড প্রদান করেন।
সূত্র: প্রতিদিনের সংবাদ

আপনার মতামত লিখুন