চট্টগ্রাম মহানগর এনসিপি এ প্রতিবাদ সমাবেশের আয়োজন করে। সমাবেশ চলাকালে এনসিপি ও স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মীরা মুখোমুখি অবস্থান নিলে উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। পরে পুলিশ দ্রুত দুই পক্ষের মাঝখানে অবস্থান নিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
পূর্বঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী বুধবার বিকেল ৩টার পর থেকে চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের সামনে এনসিপির নেতাকর্মীরা জড়ো হতে থাকেন। তাদের ব্যানারে লেখা ছিল, ‘হবিগঞ্জে বিএনপির সন্ত্রাসীদের দ্বারা এনসিপির নেতাকর্মীদের ওপর হামলার প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ।’
বিকেল ৪টার দিকে সমাবেশ শেষ হওয়ার পর চট্টগ্রাম মহানগর এনসিপির সদস্য সচিব আরিফ মঈনুদ্দিনের নেতৃত্বে একটি বিক্ষোভ মিছিল প্রেস ক্লাব প্রাঙ্গণ থেকে জামালখান মোড়ের উদ্দেশ্যে রওনা হয়। মিছিল থেকে ‘সন্ত্রাসের আস্তানা, এ দেশে হবে না’সহ বিভিন্ন স্লোগান দেওয়া হয়।
মিছিলটি সড়কের সিঁড়ির গোড়া অংশে পৌঁছে ইউটার্ন নিয়ে আবার প্রেস ক্লাবের দিকে ফেরার সময় স্থানীয় বিএনপি নেতা শাহেদ বক্সসহ কয়েকজন আরিফ মঈনুদ্দিনকে থামিয়ে কথা বলেন। কিছুক্ষণ কথা বলার পর তিনি সেখান থেকে সরে মিছিলের দিকে এগিয়ে যাচ্ছিলেন। এ সময় মিছিলে থাকা এনসিপির নেতাকর্মীরা আরিফ মঈনুদ্দিনকে আটকে রাখা হয়েছে বলে ধারণা করে পেছনের দিকে এগিয়ে এলে উভয় পক্ষের মধ্যে হট্টগোলের সৃষ্টি হয়। পরে ঘটনাস্থলে থাকা পুলিশ সদস্যরা মাঝখানে দাঁড়িয়ে পরিস্থিতি শান্ত করেন।
কোতোয়ালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু জায়েদ মো. নাজমুন নুর বলেন, দুই পক্ষের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়েছে। বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।
সূত্র: যুগান্তর।

বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩০ জুলাই ২০২৬
চট্টগ্রাম মহানগর এনসিপি এ প্রতিবাদ সমাবেশের আয়োজন করে। সমাবেশ চলাকালে এনসিপি ও স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মীরা মুখোমুখি অবস্থান নিলে উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। পরে পুলিশ দ্রুত দুই পক্ষের মাঝখানে অবস্থান নিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
পূর্বঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী বুধবার বিকেল ৩টার পর থেকে চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের সামনে এনসিপির নেতাকর্মীরা জড়ো হতে থাকেন। তাদের ব্যানারে লেখা ছিল, ‘হবিগঞ্জে বিএনপির সন্ত্রাসীদের দ্বারা এনসিপির নেতাকর্মীদের ওপর হামলার প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ।’
বিকেল ৪টার দিকে সমাবেশ শেষ হওয়ার পর চট্টগ্রাম মহানগর এনসিপির সদস্য সচিব আরিফ মঈনুদ্দিনের নেতৃত্বে একটি বিক্ষোভ মিছিল প্রেস ক্লাব প্রাঙ্গণ থেকে জামালখান মোড়ের উদ্দেশ্যে রওনা হয়। মিছিল থেকে ‘সন্ত্রাসের আস্তানা, এ দেশে হবে না’সহ বিভিন্ন স্লোগান দেওয়া হয়।
মিছিলটি সড়কের সিঁড়ির গোড়া অংশে পৌঁছে ইউটার্ন নিয়ে আবার প্রেস ক্লাবের দিকে ফেরার সময় স্থানীয় বিএনপি নেতা শাহেদ বক্সসহ কয়েকজন আরিফ মঈনুদ্দিনকে থামিয়ে কথা বলেন। কিছুক্ষণ কথা বলার পর তিনি সেখান থেকে সরে মিছিলের দিকে এগিয়ে যাচ্ছিলেন। এ সময় মিছিলে থাকা এনসিপির নেতাকর্মীরা আরিফ মঈনুদ্দিনকে আটকে রাখা হয়েছে বলে ধারণা করে পেছনের দিকে এগিয়ে এলে উভয় পক্ষের মধ্যে হট্টগোলের সৃষ্টি হয়। পরে ঘটনাস্থলে থাকা পুলিশ সদস্যরা মাঝখানে দাঁড়িয়ে পরিস্থিতি শান্ত করেন।
কোতোয়ালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু জায়েদ মো. নাজমুন নুর বলেন, দুই পক্ষের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়েছে। বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।
সূত্র: যুগান্তর।

আপনার মতামত লিখুন