ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর ১৩ নং মাছিহাতা ইউনিয়ন ৩নং ওয়ার্ডে টিকা দেওয়ার অভিযোগ সাধারণ মানুষের।
৩থেকে৪ মাসের বাচ্চাদের টিকা দিতে এসে ১থেকে ২ ঘন্টার মতো শিশু বাচ্চা-কে নিয়ে দাঁড়িয়ে থাকতে হয় সাধারণ মানুষের। তারপর ও টিকা দিতে এ-ই যেন হিমসিম খেতে হয়। কোনু সময় আবার টিকা শেষও হয়ে যায়, এবং গ্রামের বিভিন্ন জায়গা থেকে সাধারণ মানুষ গাড়ি ভাড়া দিয়ে আসতে হয় এই টিকা দেওয়ার জন্য বাচ্চাদের।
বৃহস্পতিবার সকালের দিকে
সেরে জামিনে গিয়ে দেখা যায় টিকা দেওয়ার অফিসে একজন মহিলা আরেক জন পুরুষ মোট দুইজন মিলে টিকা দেওয়ার কাজ করছেন। তবে মহিলা যেনি লেখালেখি করছেন তিনি মনে হয় ক্লাস ৪র্থ শ্রেণি পর্যন্ত পড়ালেখা করেছেন, কারণ বাচ্চাদের টিকা কার্ডে উনি লেখতে গিয়ে সময় নেন অনেক টা সময় আর লেখাও একেবারে খারাপ অবস্থা আর এতে করে সাধারণ মানুষেরও সময় বেয় হচ্ছে।
এদিকে পুরুষ মানুষ যেনি উনাকে দেখা যায় বাচ্চাদের টিকা দিতে হতে সব ধরনের কাজ একলা করতে দেখা যায়।
দূর থেকে একজন মহিলা বাচ্চা-কে টিকা দিতে এসে ১ঘন্টা৩০মিনিট ধরে দাঁড়িয়ে রয়েছেন কিন্তু টিকা এখনো পর্যন্ত পান নাই, সকাক ৯:৩০মিনিট এর সময় এসে ১১টা৪০মিনিট এর সময় টিকা দিতে পারেন বাচ্চা কে।
অন্য দিকে আরেক জন মহিলা বলেন। প্রচুর গরমের মধ্যে দিয়ে ১ঘন্টার মতো দাঁড়িয়ে থেকে বাচ্চা কে টিকা দিয়েছি।
আবার অনেকে বলছেন টিকা দিতে আসলে নাকি অনেক সময় বাচ্চা কে টিকা না দিয়ে বাসায় যেতো হয়, কারণ টিকা শেষ হয়ে যায় যার কারণে বাচ্চা কে টিকা না দিয়ে বাসায় ফিরে যেতে হয় আমাদের।
আরেক জন বলে থাকেন। বাসা কাজ কাম ফেলে এসেছি বাচ্চা কে টিকা দিতে, এবং টিকা দিতে এসে গরমের মধ্যে দিয়ে অনেকখন সময় নিয়ে দাঁড়িয়ে থেকে টিকা দিয়েছি। আমরা চাই তাড়াতাড়ি করে যেনো টিকা দেওয়া হোক বাচ্চাদের, আর আমাদের যেনো আর দেরিতে করে বাসায় না যেতো হয়।

বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩০ জুলাই ২০২৬
ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর ১৩ নং মাছিহাতা ইউনিয়ন ৩নং ওয়ার্ডে টিকা দেওয়ার অভিযোগ সাধারণ মানুষের।
৩থেকে৪ মাসের বাচ্চাদের টিকা দিতে এসে ১থেকে ২ ঘন্টার মতো শিশু বাচ্চা-কে নিয়ে দাঁড়িয়ে থাকতে হয় সাধারণ মানুষের। তারপর ও টিকা দিতে এ-ই যেন হিমসিম খেতে হয়। কোনু সময় আবার টিকা শেষও হয়ে যায়, এবং গ্রামের বিভিন্ন জায়গা থেকে সাধারণ মানুষ গাড়ি ভাড়া দিয়ে আসতে হয় এই টিকা দেওয়ার জন্য বাচ্চাদের।
বৃহস্পতিবার সকালের দিকে
সেরে জামিনে গিয়ে দেখা যায় টিকা দেওয়ার অফিসে একজন মহিলা আরেক জন পুরুষ মোট দুইজন মিলে টিকা দেওয়ার কাজ করছেন। তবে মহিলা যেনি লেখালেখি করছেন তিনি মনে হয় ক্লাস ৪র্থ শ্রেণি পর্যন্ত পড়ালেখা করেছেন, কারণ বাচ্চাদের টিকা কার্ডে উনি লেখতে গিয়ে সময় নেন অনেক টা সময় আর লেখাও একেবারে খারাপ অবস্থা আর এতে করে সাধারণ মানুষেরও সময় বেয় হচ্ছে।
এদিকে পুরুষ মানুষ যেনি উনাকে দেখা যায় বাচ্চাদের টিকা দিতে হতে সব ধরনের কাজ একলা করতে দেখা যায়।
দূর থেকে একজন মহিলা বাচ্চা-কে টিকা দিতে এসে ১ঘন্টা৩০মিনিট ধরে দাঁড়িয়ে রয়েছেন কিন্তু টিকা এখনো পর্যন্ত পান নাই, সকাক ৯:৩০মিনিট এর সময় এসে ১১টা৪০মিনিট এর সময় টিকা দিতে পারেন বাচ্চা কে।
অন্য দিকে আরেক জন মহিলা বলেন। প্রচুর গরমের মধ্যে দিয়ে ১ঘন্টার মতো দাঁড়িয়ে থেকে বাচ্চা কে টিকা দিয়েছি।
আবার অনেকে বলছেন টিকা দিতে আসলে নাকি অনেক সময় বাচ্চা কে টিকা না দিয়ে বাসায় যেতো হয়, কারণ টিকা শেষ হয়ে যায় যার কারণে বাচ্চা কে টিকা না দিয়ে বাসায় ফিরে যেতে হয় আমাদের।
আরেক জন বলে থাকেন। বাসা কাজ কাম ফেলে এসেছি বাচ্চা কে টিকা দিতে, এবং টিকা দিতে এসে গরমের মধ্যে দিয়ে অনেকখন সময় নিয়ে দাঁড়িয়ে থেকে টিকা দিয়েছি। আমরা চাই তাড়াতাড়ি করে যেনো টিকা দেওয়া হোক বাচ্চাদের, আর আমাদের যেনো আর দেরিতে করে বাসায় না যেতো হয়।

আপনার মতামত লিখুন