চট্টগ্রামের কাজীর দেউড়ি কাঁচাবাজার ঘুরে দেখা গেছে, প্রায় সব ধরনের সবজির দাম ৮০ টাকার নিচে নেই। লাগামহীন মূল্যবৃদ্ধিতে সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছেন নিম্ন ও মধ্যম আয়ের মানুষ। প্রয়োজনীয় সবজি কিনতে গিয়ে অনেকেই হিমশিম খাচ্ছেন।
বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) বাজারে দেখা যায়, বেগুন, করলা, বরবটি, ঢেঁড়স, শসা, কাঁচা মরিচসহ অধিকাংশ সবজি ৮০ থেকে ১২০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। কিছু সবজির দাম এর চেয়েও বেশি।
ক্রেতারা জানান, প্রতিদিনের বাজার করতে গিয়ে অতিরিক্ত অর্থ ব্যয় করতে হচ্ছে। সীমিত আয়ের কারণে অনেক পরিবার প্রয়োজনের তুলনায় কম সবজি কিনতে বাধ্য হচ্ছে। ফলে নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্য ব্যয় সামাল দেওয়া কঠিন হয়ে পড়েছে।
বিক্রেতাদের ভাষ্য, টানা বৃষ্টি, উৎপাদন কমে যাওয়া এবং পরিবহন ব্যয় বৃদ্ধি পাওয়ায় পাইকারি বাজারেই সবজির দাম বেড়েছে। এর প্রভাব পড়েছে খুচরা বাজারেও।
সাধারণ ক্রেতাদের দাবি, বাজারে নিয়মিত তদারকি ও সরবরাহ ব্যবস্থা স্বাভাবিক রাখতে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হলে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম কিছুটা হলেও নিয়ন্ত্রণে আসবে এবং সাধারণ মানুষের ভোগান্তি কমবে।

বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩০ জুলাই ২০২৬
চট্টগ্রামের কাজীর দেউড়ি কাঁচাবাজার ঘুরে দেখা গেছে, প্রায় সব ধরনের সবজির দাম ৮০ টাকার নিচে নেই। লাগামহীন মূল্যবৃদ্ধিতে সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছেন নিম্ন ও মধ্যম আয়ের মানুষ। প্রয়োজনীয় সবজি কিনতে গিয়ে অনেকেই হিমশিম খাচ্ছেন।
বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) বাজারে দেখা যায়, বেগুন, করলা, বরবটি, ঢেঁড়স, শসা, কাঁচা মরিচসহ অধিকাংশ সবজি ৮০ থেকে ১২০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। কিছু সবজির দাম এর চেয়েও বেশি।
ক্রেতারা জানান, প্রতিদিনের বাজার করতে গিয়ে অতিরিক্ত অর্থ ব্যয় করতে হচ্ছে। সীমিত আয়ের কারণে অনেক পরিবার প্রয়োজনের তুলনায় কম সবজি কিনতে বাধ্য হচ্ছে। ফলে নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্য ব্যয় সামাল দেওয়া কঠিন হয়ে পড়েছে।
বিক্রেতাদের ভাষ্য, টানা বৃষ্টি, উৎপাদন কমে যাওয়া এবং পরিবহন ব্যয় বৃদ্ধি পাওয়ায় পাইকারি বাজারেই সবজির দাম বেড়েছে। এর প্রভাব পড়েছে খুচরা বাজারেও।
সাধারণ ক্রেতাদের দাবি, বাজারে নিয়মিত তদারকি ও সরবরাহ ব্যবস্থা স্বাভাবিক রাখতে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হলে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম কিছুটা হলেও নিয়ন্ত্রণে আসবে এবং সাধারণ মানুষের ভোগান্তি কমবে।

আপনার মতামত লিখুন