বিজয়নগরে অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগের অভিযানে জরিমানা, পরিমান দিতে অনীহা পল্লী বিদ্যুৎ কর্মকর্তার
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগরে অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগের অভিযোগে পরিচালিত অভিযানে এক গ্রাহককে জরিমানা করার বিষয়টি স্বীকার করলেও জরিমানার পরিমাণ ও সংশ্লিষ্ট তথ্য প্রকাশে অনীহা দেখিয়েছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির বিজয়নগর সাব-জোনাল অফিসের সহকারী জেনারেল ম্যানেজার (ও অ্যান্ড এম) মাকসুদুর রহমান। বিষয়টি নিয়ে স্থানীয়ভাবে আলোচনা সৃষ্টি হয়েছে।
পল্লী বিদ্যুৎ সূত্রে জানা যায়, গত ২২ জুলাই রাতে উপজেলার চান্দুরা ইউনিয়নের সাতগাঁও গ্রামে মৃত এনাম চৌধুরীর ছেলে মাসুদুল হক চৌধুরী (প্রদীপ)-এর বাড়িতে অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে মিটারের বাইরে থেকে অবৈধভাবে বাইপাস সংযোগ ব্যবহার করে বিদ্যুৎ নেওয়ার অভিযোগে তার সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয় এবং মিটার খুলে নিয়ে যায় কর্তৃপক্ষ।
স্থানীয় সূত্রের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে ওই বাড়িতে অবৈধ সংযোগের মাধ্যমে বাণিজ্যিকভাবে প্রতি রাতে প্রায় ১০ থেকে ১২টি ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা চার্জ দেওয়া হতো। তাদের মতে, অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগের কারণে সরকারের আর্থিক ক্ষতি, সিস্টেম লস বৃদ্ধি এবং বিদ্যুৎ বিতরণ ব্যবস্থায় অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি হয়। এতে ট্রান্সফরমার ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া, বিদ্যুৎ বিভ্রাট এবং সরকারের ভর্তুকির চাপ বৃদ্ধির মতো সমস্যাও দেখা দেয়। তাই এ ধরনের অপরাধের বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযান ও তথ্য প্রকাশে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা প্রয়োজন বলে তারা মনে করেন।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে বিজয়নগর সাব-জোনাল অফিসের সহকারী জেনারেল ম্যানেজার (ও অ্যান্ড এম) মাকসুদুর রহমান অভিযান ও অভিযুক্ত গ্রাহকের বিরুদ্ধে জরিমানা আদায়ের বিষয়টি স্বীকার করেছেন। তবে জরিমানার পরিমাণ ও বিস্তারিত তথ্য দিতে তিনি অপারগতা প্রকাশ করেন। তার ভাষ্য, এসব তথ্য অফিসের "অভ্যন্তরীণ বিষয়" এবং চাকরি জীবনে সাংবাদিকদের কাছ থেকে এ ধরনের প্রশ্নের মুখোমুখি তিনি আগে হননি।ব্রাহ্মণবাড়িয়া পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির জেনারেল ম্যানেজার মো. সাইদুর রহমান বলেন, "অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগের মতো অপরাধ কোনো গোপনীয় বিষয় হতে পারে না। বিষয়টি সম্পর্কে আমি খোঁজ নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেব।"
এদিকে, অভিযুক্ত মাসুদুল হক চৌধুরী (প্রদীপ)-এর বক্তব্য জানতে মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।

শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩১ জুলাই ২০২৬
বিজয়নগরে অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগের অভিযানে জরিমানা, পরিমান দিতে অনীহা পল্লী বিদ্যুৎ কর্মকর্তার
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগরে অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগের অভিযোগে পরিচালিত অভিযানে এক গ্রাহককে জরিমানা করার বিষয়টি স্বীকার করলেও জরিমানার পরিমাণ ও সংশ্লিষ্ট তথ্য প্রকাশে অনীহা দেখিয়েছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির বিজয়নগর সাব-জোনাল অফিসের সহকারী জেনারেল ম্যানেজার (ও অ্যান্ড এম) মাকসুদুর রহমান। বিষয়টি নিয়ে স্থানীয়ভাবে আলোচনা সৃষ্টি হয়েছে।
পল্লী বিদ্যুৎ সূত্রে জানা যায়, গত ২২ জুলাই রাতে উপজেলার চান্দুরা ইউনিয়নের সাতগাঁও গ্রামে মৃত এনাম চৌধুরীর ছেলে মাসুদুল হক চৌধুরী (প্রদীপ)-এর বাড়িতে অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে মিটারের বাইরে থেকে অবৈধভাবে বাইপাস সংযোগ ব্যবহার করে বিদ্যুৎ নেওয়ার অভিযোগে তার সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয় এবং মিটার খুলে নিয়ে যায় কর্তৃপক্ষ।
স্থানীয় সূত্রের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে ওই বাড়িতে অবৈধ সংযোগের মাধ্যমে বাণিজ্যিকভাবে প্রতি রাতে প্রায় ১০ থেকে ১২টি ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা চার্জ দেওয়া হতো। তাদের মতে, অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগের কারণে সরকারের আর্থিক ক্ষতি, সিস্টেম লস বৃদ্ধি এবং বিদ্যুৎ বিতরণ ব্যবস্থায় অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি হয়। এতে ট্রান্সফরমার ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া, বিদ্যুৎ বিভ্রাট এবং সরকারের ভর্তুকির চাপ বৃদ্ধির মতো সমস্যাও দেখা দেয়। তাই এ ধরনের অপরাধের বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযান ও তথ্য প্রকাশে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা প্রয়োজন বলে তারা মনে করেন।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে বিজয়নগর সাব-জোনাল অফিসের সহকারী জেনারেল ম্যানেজার (ও অ্যান্ড এম) মাকসুদুর রহমান অভিযান ও অভিযুক্ত গ্রাহকের বিরুদ্ধে জরিমানা আদায়ের বিষয়টি স্বীকার করেছেন। তবে জরিমানার পরিমাণ ও বিস্তারিত তথ্য দিতে তিনি অপারগতা প্রকাশ করেন। তার ভাষ্য, এসব তথ্য অফিসের "অভ্যন্তরীণ বিষয়" এবং চাকরি জীবনে সাংবাদিকদের কাছ থেকে এ ধরনের প্রশ্নের মুখোমুখি তিনি আগে হননি।ব্রাহ্মণবাড়িয়া পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির জেনারেল ম্যানেজার মো. সাইদুর রহমান বলেন, "অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগের মতো অপরাধ কোনো গোপনীয় বিষয় হতে পারে না। বিষয়টি সম্পর্কে আমি খোঁজ নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেব।"
এদিকে, অভিযুক্ত মাসুদুল হক চৌধুরী (প্রদীপ)-এর বক্তব্য জানতে মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।

আপনার মতামত লিখুন