জাতীয় সংসদের ভারপ্রাপ্ত স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল বলেছেন, বর্তমান সংসদের প্রতি দেশের মানুষের প্রত্যাশা অনেক বেশি। তার মতে, ১৮ কোটি মানুষের দৃষ্টি সংসদের কার্যক্রমের ওপর নিবদ্ধ রয়েছে এবং জনগণ আশা করে সংসদ সদস্যরা জ্ঞানগর্ভ আলোচনা, গঠনমূলক সমালোচনা ও যুক্তিনির্ভর সিদ্ধান্তের মাধ্যমে দেশের মানুষের প্রত্যাশা পূরণ করবেন। সম্প্রতি বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা (বাসস)-কে দেওয়া এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন।
সাক্ষাৎকারে তিনি বর্তমান সংসদকে ‘মজলুমের সংসদ’ হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, অধিকাংশ সংসদ সদস্য অতীতে গুম, নির্যাতন, কারাবাস, নির্বাসন ও নানা ধরনের নিপীড়নের অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে এসেছেন। তার দাবি, এ কারণে বর্তমান সংসদ বিশ্বের ইতিহাসেও ব্যতিক্রমধর্মী একটি সংসদ। তিনি আরও বলেন, সংসদের কার্যক্রম দেশের সাধারণ মানুষ, বিশেষ করে কৃষক, শ্রমিক ও মেহনতি মানুষও নিবিড়ভাবে অনুসরণ করছেন।
ব্যারিস্টার কায়সার কামাল বলেন, সংসদ পরিচালনায় ন্যায়বিচার ও নিরপেক্ষতা বজায় রাখাই তার প্রধান অঙ্গীকার। পাশাপাশি গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে সরকার ও বিরোধী দলকে সমানভাবে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান তিনি। তার মতে, রাষ্ট্র পরিচালনার সব গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে জাতীয় সংসদের ভূমিকা কেন্দ্রীয় হওয়া উচিত এবং সংসদেই গঠনমূলক আলোচনা-সমালোচনার মাধ্যমে নীতি নির্ধারণ হওয়া প্রয়োজন।
সাক্ষাৎকারে তিনি বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসের বিভিন্ন পর্যায় নিয়েও নিজের মূল্যায়ন তুলে ধরেন। মুক্তিযুদ্ধ-পরবর্তী সময়, বাকশাল, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সময়ে গণতন্ত্র পুনঃপ্রবর্তন, এরশাদবিরোধী আন্দোলন, বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে সংসদীয় গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা, ওয়ান-ইলেভেন, ২০০৮, ২০১৪, ২০১৮ ও ২০২৪ সালের নির্বাচন এবং ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থান সম্পর্কে নিজের বক্তব্য তুলে ধরেন তিনি।
ভারপ্রাপ্ত স্পিকার বলেন, ২০২৬ সালের ১২ ফেব্রুয়ারির জাতীয় সংসদ নির্বাচন ছিল দেশের ইতিহাসে অন্যতম শান্তিপূর্ণ, সুষ্ঠু ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন। তার মতে, এই নির্বাচনের মধ্য দিয়ে দেশে গণতন্ত্রের নতুন অভিযাত্রা শুরু হয়েছে এবং সেই অভিযাত্রার কেন্দ্রবিন্দু হিসেবে জাতীয় সংসদ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

শনিবার, ০১ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ আগস্ট ২০২৬
জাতীয় সংসদের ভারপ্রাপ্ত স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল বলেছেন, বর্তমান সংসদের প্রতি দেশের মানুষের প্রত্যাশা অনেক বেশি। তার মতে, ১৮ কোটি মানুষের দৃষ্টি সংসদের কার্যক্রমের ওপর নিবদ্ধ রয়েছে এবং জনগণ আশা করে সংসদ সদস্যরা জ্ঞানগর্ভ আলোচনা, গঠনমূলক সমালোচনা ও যুক্তিনির্ভর সিদ্ধান্তের মাধ্যমে দেশের মানুষের প্রত্যাশা পূরণ করবেন। সম্প্রতি বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা (বাসস)-কে দেওয়া এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন।
সাক্ষাৎকারে তিনি বর্তমান সংসদকে ‘মজলুমের সংসদ’ হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, অধিকাংশ সংসদ সদস্য অতীতে গুম, নির্যাতন, কারাবাস, নির্বাসন ও নানা ধরনের নিপীড়নের অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে এসেছেন। তার দাবি, এ কারণে বর্তমান সংসদ বিশ্বের ইতিহাসেও ব্যতিক্রমধর্মী একটি সংসদ। তিনি আরও বলেন, সংসদের কার্যক্রম দেশের সাধারণ মানুষ, বিশেষ করে কৃষক, শ্রমিক ও মেহনতি মানুষও নিবিড়ভাবে অনুসরণ করছেন।
ব্যারিস্টার কায়সার কামাল বলেন, সংসদ পরিচালনায় ন্যায়বিচার ও নিরপেক্ষতা বজায় রাখাই তার প্রধান অঙ্গীকার। পাশাপাশি গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে সরকার ও বিরোধী দলকে সমানভাবে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান তিনি। তার মতে, রাষ্ট্র পরিচালনার সব গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে জাতীয় সংসদের ভূমিকা কেন্দ্রীয় হওয়া উচিত এবং সংসদেই গঠনমূলক আলোচনা-সমালোচনার মাধ্যমে নীতি নির্ধারণ হওয়া প্রয়োজন।
সাক্ষাৎকারে তিনি বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসের বিভিন্ন পর্যায় নিয়েও নিজের মূল্যায়ন তুলে ধরেন। মুক্তিযুদ্ধ-পরবর্তী সময়, বাকশাল, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সময়ে গণতন্ত্র পুনঃপ্রবর্তন, এরশাদবিরোধী আন্দোলন, বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে সংসদীয় গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা, ওয়ান-ইলেভেন, ২০০৮, ২০১৪, ২০১৮ ও ২০২৪ সালের নির্বাচন এবং ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থান সম্পর্কে নিজের বক্তব্য তুলে ধরেন তিনি।
ভারপ্রাপ্ত স্পিকার বলেন, ২০২৬ সালের ১২ ফেব্রুয়ারির জাতীয় সংসদ নির্বাচন ছিল দেশের ইতিহাসে অন্যতম শান্তিপূর্ণ, সুষ্ঠু ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন। তার মতে, এই নির্বাচনের মধ্য দিয়ে দেশে গণতন্ত্রের নতুন অভিযাত্রা শুরু হয়েছে এবং সেই অভিযাত্রার কেন্দ্রবিন্দু হিসেবে জাতীয় সংসদ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

আপনার মতামত লিখুন