মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬) সকালে তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে এ সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় প্রধানমন্ত্রী শহীদ সেনাসদস্যদের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন এবং তাঁদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।
সাক্ষাতে প্রধানমন্ত্রীর সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান, সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামানসহ ঊর্ধ্বতন সেনা কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
এ সময় প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে সেনাসদস্যরা প্রাণ দিয়েছেন এবং দেশের জন্য শহীদ হয়েছেন। তাঁদের এই আত্মত্যাগ জাতি গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করবে।
শোকাহত পরিবারের সদস্যদের উদ্দেশে তারেক রহমান বলেন, এই শোকের সময়ে সরকার তাঁদের পাশে রয়েছে এবং ভবিষ্যতেও থাকবে। সরকার ও সেনাবাহিনী সবসময় তাঁদের পরিবারের পাশে থাকবে। প্রয়োজনীয় সহায়তার পাশাপাশি শহীদ সেনাসদস্যদের পরিবারের দেখভালের দায়িত্বও সরকার পালন করবে বলে জানান তিনি।
পরে শহীদ দুই সেনাসদস্যের পরিবারের হাতে আর্থিক সহায়তার চেক তুলে দেন প্রধানমন্ত্রী।
এ ছাড়া সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে শহীদ সেনাসদস্যদের স্থায়ী ঠিকানায় তাঁদের পরিবারের জন্য একটি করে বাড়ি নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হবে বলে জানানো হয়। তাঁদের স্ত্রীদের চাকরির ব্যবস্থা এবং সন্তানদের জন্য মাসিক ভাতা দেওয়ার কথাও জানানো হয়েছে।
গত ৯ সেপ্টেম্বর হাটহাজারী ফিল্ড ফায়ারিং রেঞ্জে ট্যাংক ফায়ারিংয়ের সময় গোলা বিস্ফোরণে দুই সেনাসদস্য শহীদ হন। তাঁরা হলেন সৈনিক (অপারেটর) আবু বকর সিদ্দিক ও সৈনিক (গানার) মো. তাসনিম রিফায়াত।
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাতে আবু বকর সিদ্দিকের পরিবারের পক্ষ থেকে উপস্থিত ছিলেন তাঁর স্ত্রী সুরাইয়া আক্তার জুতি, শিশু কন্যা ফাতেমা সিদ্দিকা, বাবা আব্দুল ওহাব ও মা পারভীন আক্তার।
মো. তাসনিম রিফায়াতের পরিবারের পক্ষ থেকে উপস্থিত ছিলেন তাঁর স্ত্রী মোসা. ফাহমিদা আফরিন, শিশু কন্যা রাফসা তাসনিম ইফরা এবং বাবা মো. আসাদুল হক।
সূত্র: ইনকিলাব

মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬) সকালে তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে এ সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় প্রধানমন্ত্রী শহীদ সেনাসদস্যদের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন এবং তাঁদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।
সাক্ষাতে প্রধানমন্ত্রীর সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান, সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামানসহ ঊর্ধ্বতন সেনা কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
এ সময় প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে সেনাসদস্যরা প্রাণ দিয়েছেন এবং দেশের জন্য শহীদ হয়েছেন। তাঁদের এই আত্মত্যাগ জাতি গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করবে।
শোকাহত পরিবারের সদস্যদের উদ্দেশে তারেক রহমান বলেন, এই শোকের সময়ে সরকার তাঁদের পাশে রয়েছে এবং ভবিষ্যতেও থাকবে। সরকার ও সেনাবাহিনী সবসময় তাঁদের পরিবারের পাশে থাকবে। প্রয়োজনীয় সহায়তার পাশাপাশি শহীদ সেনাসদস্যদের পরিবারের দেখভালের দায়িত্বও সরকার পালন করবে বলে জানান তিনি।
পরে শহীদ দুই সেনাসদস্যের পরিবারের হাতে আর্থিক সহায়তার চেক তুলে দেন প্রধানমন্ত্রী।
এ ছাড়া সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে শহীদ সেনাসদস্যদের স্থায়ী ঠিকানায় তাঁদের পরিবারের জন্য একটি করে বাড়ি নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হবে বলে জানানো হয়। তাঁদের স্ত্রীদের চাকরির ব্যবস্থা এবং সন্তানদের জন্য মাসিক ভাতা দেওয়ার কথাও জানানো হয়েছে।
গত ৯ সেপ্টেম্বর হাটহাজারী ফিল্ড ফায়ারিং রেঞ্জে ট্যাংক ফায়ারিংয়ের সময় গোলা বিস্ফোরণে দুই সেনাসদস্য শহীদ হন। তাঁরা হলেন সৈনিক (অপারেটর) আবু বকর সিদ্দিক ও সৈনিক (গানার) মো. তাসনিম রিফায়াত।
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাতে আবু বকর সিদ্দিকের পরিবারের পক্ষ থেকে উপস্থিত ছিলেন তাঁর স্ত্রী সুরাইয়া আক্তার জুতি, শিশু কন্যা ফাতেমা সিদ্দিকা, বাবা আব্দুল ওহাব ও মা পারভীন আক্তার।
মো. তাসনিম রিফায়াতের পরিবারের পক্ষ থেকে উপস্থিত ছিলেন তাঁর স্ত্রী মোসা. ফাহমিদা আফরিন, শিশু কন্যা রাফসা তাসনিম ইফরা এবং বাবা মো. আসাদুল হক।
সূত্র: ইনকিলাব

আপনার মতামত লিখুন