ভোলার মনপুরায় প্রায় ১১০০ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত টেকসই বেড়িবাঁধের বর্তমান অবস্থা দেখে হতবাক স্থানীয়রা!
যে বেড়িবাঁধকে বলা হয়েছিল টেকসই—সেই বাঁধের এখন অনেক জায়গায় নেই টেকসইয়ের কোনো চিহ্ন। কোথাও বাঁধে দেখা দিয়েছে ভাঙন, কোথাও ধস, আবার কোথাও তৈরি হয়েছে বড় বড় গর্ত।
ফলে প্রতিদিন ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। বিশেষ করে রাতের অন্ধকারে বাঁধের ঝুঁকিপূর্ণ অংশগুলো হয়ে উঠেছে ভয়ংকর মরণ ফাঁদে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, নিম্নমানের কাজ, নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ ও প্রয়োজনীয় সংস্কারের অভাবে গুরুত্বপূর্ণ এই বেড়িবাঁধ এখন মৃত্যুফাঁদে পরিণত হয়েছে।
তাদের আশঙ্কা, বর্ষা মৌসুমে নদীর পানি বৃদ্ধি পেলে কিংবা জোয়ারের তীব্রতা বাড়লে বাঁধের দুর্বল অংশগুলো দিয়ে পানি ঢুকে পড়তে পারে লোকালয়ে। এতে হুমকির মুখে পড়তে পারে মানুষের জীবন ও সম্পদ।
এই বেড়ীবাঁধের কাজ পেয়েছিলো ৬টি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান : এনবি, ওটিবিএল, জিসিএল, এলএকেএসএসএ, পিডিএল, ওয়েস্টার্ন।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী(পুর) আসফাউদদৌলা জানান," বেড়ীবাঁধের কাজ এখনো চলমান, কাজ সম্পূর্ণ হয়ে গেলে এ জাতীয় সমস্যা থাকবেনা। অতিদ্রুত ভাঙা অংশ মেরামতের জন্য যথাযথ ব্যবস্থা নিবেন বলে ও আশ্বস্ত করেন তিনি।
স্থানীয়রা দ্রুত বাঁধের ঝুঁকিপূর্ণ অংশগুলো চিহ্নিত করে জরুরি ভিত্তিতে সংস্কার ও মেরামতের দাবি জানিয়েছেন।
একই সঙ্গে, ১১০০ কোটি টাকার মতো বিপুল অর্থ ব্যয়ে নির্মিত এই বাঁধের বর্তমান বেহাল দশার কারণ খতিয়ে দেখতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কার্যকর পদক্ষেপ দাবি করেছেন তারা।
এখন মনপুরাবাসীর মুখে একটাই প্রশ্ন—এত টাকা ব্যয়ে নির্মিত টেকসই বেড়িবাঁধ যদি এক বর্ষাতেই এমন বেহাল হয়ে পড়ে, তাহলে ভবিষ্যতে কি হবে? আর এর দায় কার?

শনিবার, ০১ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ আগস্ট ২০২৬
ভোলার মনপুরায় প্রায় ১১০০ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত টেকসই বেড়িবাঁধের বর্তমান অবস্থা দেখে হতবাক স্থানীয়রা!
যে বেড়িবাঁধকে বলা হয়েছিল টেকসই—সেই বাঁধের এখন অনেক জায়গায় নেই টেকসইয়ের কোনো চিহ্ন। কোথাও বাঁধে দেখা দিয়েছে ভাঙন, কোথাও ধস, আবার কোথাও তৈরি হয়েছে বড় বড় গর্ত।
ফলে প্রতিদিন ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। বিশেষ করে রাতের অন্ধকারে বাঁধের ঝুঁকিপূর্ণ অংশগুলো হয়ে উঠেছে ভয়ংকর মরণ ফাঁদে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, নিম্নমানের কাজ, নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ ও প্রয়োজনীয় সংস্কারের অভাবে গুরুত্বপূর্ণ এই বেড়িবাঁধ এখন মৃত্যুফাঁদে পরিণত হয়েছে।
তাদের আশঙ্কা, বর্ষা মৌসুমে নদীর পানি বৃদ্ধি পেলে কিংবা জোয়ারের তীব্রতা বাড়লে বাঁধের দুর্বল অংশগুলো দিয়ে পানি ঢুকে পড়তে পারে লোকালয়ে। এতে হুমকির মুখে পড়তে পারে মানুষের জীবন ও সম্পদ।
এই বেড়ীবাঁধের কাজ পেয়েছিলো ৬টি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান : এনবি, ওটিবিএল, জিসিএল, এলএকেএসএসএ, পিডিএল, ওয়েস্টার্ন।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী(পুর) আসফাউদদৌলা জানান," বেড়ীবাঁধের কাজ এখনো চলমান, কাজ সম্পূর্ণ হয়ে গেলে এ জাতীয় সমস্যা থাকবেনা। অতিদ্রুত ভাঙা অংশ মেরামতের জন্য যথাযথ ব্যবস্থা নিবেন বলে ও আশ্বস্ত করেন তিনি।
স্থানীয়রা দ্রুত বাঁধের ঝুঁকিপূর্ণ অংশগুলো চিহ্নিত করে জরুরি ভিত্তিতে সংস্কার ও মেরামতের দাবি জানিয়েছেন।
একই সঙ্গে, ১১০০ কোটি টাকার মতো বিপুল অর্থ ব্যয়ে নির্মিত এই বাঁধের বর্তমান বেহাল দশার কারণ খতিয়ে দেখতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কার্যকর পদক্ষেপ দাবি করেছেন তারা।
এখন মনপুরাবাসীর মুখে একটাই প্রশ্ন—এত টাকা ব্যয়ে নির্মিত টেকসই বেড়িবাঁধ যদি এক বর্ষাতেই এমন বেহাল হয়ে পড়ে, তাহলে ভবিষ্যতে কি হবে? আর এর দায় কার?

আপনার মতামত লিখুন