৪০ বছরের মধ্যে সবচেয়ে দুর্বল অবস্থানে পৌঁছেছে জাপানের মুদ্রা ইয়েন। এর দরপতন ঠেকাতে জাপান ও যুক্তরাষ্ট্র যৌথভাবে বৈদেশিক মুদ্রাবাজারে হস্তক্ষেপ করেছে। সোমবার (৩ আগস্ট) জাপানের অর্থ মন্ত্রণালয় এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।
মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, প্রয়োজন হলে ভবিষ্যতেও দুই দেশ সমন্বিতভাবে এ ধরনের পদক্ষেপ নিতে পারে।
২০১১ সালের পর এই প্রথম জাপান ও যুক্তরাষ্ট্র যৌথভাবে মুদ্রাবাজারে হস্তক্ষেপ করল। এ ঘোষণার পর ডলারের বিপরীতে ইয়েনের মূল্য ১ শতাংশের বেশি বেড়ে প্রতি ডলারে ১৫৫ দশমিক ২০ ইয়েনে দাঁড়ায়।
মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট জানিয়েছেন, ভবিষ্যতেও জাপানের সঙ্গে যৌথ হস্তক্ষেপে অংশ নিতে যুক্তরাষ্ট্র প্রস্তুত রয়েছে। একই সঙ্গে তিনি জাপানের কেন্দ্রীয় ব্যাংককে সুদের হার আরও বাড়ানোর আহ্বান জানিয়েছেন।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প রোববার বলেন, বন্ধুত্বের সম্পর্ক বজায় রাখা এবং বৈশ্বিক অর্থনীতিতে সহায়তা করার অংশ হিসেবে যুক্তরাষ্ট্র জাপানকে ইয়েনের মূল্য ধরে রাখতে সহযোগিতা করছে।
তবে সাময়িকভাবে ইয়েনের অবস্থান শক্তিশালী হলেও মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতের কারণে জ্বালানির উচ্চ মূল্য এবং জাপান-যুক্তরাষ্ট্রের সুদের হারের ব্যবধানের মতো মৌলিক বিষয়গুলো এখনো বিদ্যমান। ফলে দীর্ঘমেয়াদে ইয়েনের ওপর চাপ অব্যাহত থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
সূত্র: যুগান্তর

সোমবার, ০৩ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ আগস্ট ২০২৬
৪০ বছরের মধ্যে সবচেয়ে দুর্বল অবস্থানে পৌঁছেছে জাপানের মুদ্রা ইয়েন। এর দরপতন ঠেকাতে জাপান ও যুক্তরাষ্ট্র যৌথভাবে বৈদেশিক মুদ্রাবাজারে হস্তক্ষেপ করেছে। সোমবার (৩ আগস্ট) জাপানের অর্থ মন্ত্রণালয় এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।
মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, প্রয়োজন হলে ভবিষ্যতেও দুই দেশ সমন্বিতভাবে এ ধরনের পদক্ষেপ নিতে পারে।
২০১১ সালের পর এই প্রথম জাপান ও যুক্তরাষ্ট্র যৌথভাবে মুদ্রাবাজারে হস্তক্ষেপ করল। এ ঘোষণার পর ডলারের বিপরীতে ইয়েনের মূল্য ১ শতাংশের বেশি বেড়ে প্রতি ডলারে ১৫৫ দশমিক ২০ ইয়েনে দাঁড়ায়।
মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট জানিয়েছেন, ভবিষ্যতেও জাপানের সঙ্গে যৌথ হস্তক্ষেপে অংশ নিতে যুক্তরাষ্ট্র প্রস্তুত রয়েছে। একই সঙ্গে তিনি জাপানের কেন্দ্রীয় ব্যাংককে সুদের হার আরও বাড়ানোর আহ্বান জানিয়েছেন।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প রোববার বলেন, বন্ধুত্বের সম্পর্ক বজায় রাখা এবং বৈশ্বিক অর্থনীতিতে সহায়তা করার অংশ হিসেবে যুক্তরাষ্ট্র জাপানকে ইয়েনের মূল্য ধরে রাখতে সহযোগিতা করছে।
তবে সাময়িকভাবে ইয়েনের অবস্থান শক্তিশালী হলেও মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতের কারণে জ্বালানির উচ্চ মূল্য এবং জাপান-যুক্তরাষ্ট্রের সুদের হারের ব্যবধানের মতো মৌলিক বিষয়গুলো এখনো বিদ্যমান। ফলে দীর্ঘমেয়াদে ইয়েনের ওপর চাপ অব্যাহত থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
সূত্র: যুগান্তর

আপনার মতামত লিখুন