বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেছেন, ক্ষমতায় যাওয়ার লক্ষ্য নিয়ে তারা আন্দোলন করেননি। পরিস্থিতির কারণে তাদের সেই অবস্থানে যেতে হয়েছে। তবে বিএনপি সরকার সংস্কারের পরিবর্তে নির্বাচনের ওপর জোর দিয়ে ক্ষমতায় এসেছে। তিনি বলেন, সরকার এখন দেশ পরিচালনা করছে, কিন্তু কোনো ধরনের স্বৈরতন্ত্র বা দুর্নীতি মেনে নেওয়া হবে না।
সোমবার (৩ আগস্ট) বিকেলে রাজধানীর ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশনে (আইডিইবি) ‘শহীদ পরিবার ও আহতদের কণ্ঠে জনতার ১ দফা’ শীর্ষক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
নাহিদ ইসলাম বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানকে ঘিরে যারা অপপ্রচার চালাচ্ছে, তাদের সেই প্রচেষ্টা সফল হবে না। কারা এ ধরনের প্রচারণা চালাচ্ছে, সেটিও তাদের জানা আছে। তিনি বলেন, তারা ধৈর্য ধারণ করছেন এবং আইনের শাসনে বিশ্বাস করেন। ৫ আগস্ট পর্যন্ত তারা যেভাবে প্রতিরোধ গড়ে তুলেছিলেন, প্রয়োজন হলে ভবিষ্যতেও একইভাবে প্রতিরোধ গড়ে তোলা হবে। তিনি আরও বলেন, জুলাইকে কেন্দ্র করে সারা দেশে কারও ওপর হামলা বা কটূক্তি করা হলে তার পরিণতি ভালো হবে না। এটি যে দল বা যে গণমাধ্যমই করুক না কেন, বিষয়টি তাদের নজরদারিতে রয়েছে।
তিনি আরও বলেন, নতুন বন্দোবস্ত ও নতুন বাংলাদেশের ‘১ দফা’ বাস্তবায়নের লক্ষ্যেই আন্দোলন করা হয়েছে। শুরু থেকেই তারা বলে আসছেন, নতুন সংবিধানের মাধ্যমেই এই ১ দফা বাস্তবায়ন করতে হবে। তার দাবি, বাহাত্তরের সংবিধানে ফ্যাসিবাদের বীজ রোপণ করা হয়েছে। তিনি বলেন, বিএনপি সরকার ওই সংবিধান রক্ষার চেষ্টা করছে। বর্তমানে তারা সংশোধন কমিটি গঠন করেছে। সংস্কারের জায়গা থেকে তারা মধ্যপন্থায় এসেছিল, কিন্তু এখন সেই সংস্কারের অবস্থান থেকেও সরে এসেছে। যদি সংস্কারের সেই পথও বাদ দেওয়া হয়, তাহলে নতুন সংবিধানের দাবিতে আবারও আন্দোলনে নামবেন বলে জানান তিনি।
নাহিদ ইসলাম আরও বলেন, শেখ হাসিনা যদি ডিসেম্বরে দেশে ফেরেন, তাহলে বিমানবন্দর থেকেই তাকে সরাসরি ফাঁসির মঞ্চে নেওয়া হবে এবং এ বিষয়ে কোনো ধরনের ছাড় দেওয়া হবে না। তার ভাষ্য, বাংলাদেশের জনগণ, ১ হাজার ৪০০ শহীদ পরিবার, ৩ লাখ আহত ব্যক্তি এবং লাখো ছাত্র-জনতা সেদিন রাজপথে থাকবে। তিনি বলেন, শেখ হাসিনাকে সরাসরি ফাঁসির মঞ্চে নিয়ে যাওয়া হবে এবং ফাঁসি কার্যকর না হওয়া পর্যন্ত তারা রাজপথ ছেড়ে ঘরে ফিরবেন না।
সূত্র: মানবজমিন

সোমবার, ০৩ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ আগস্ট ২০২৬
বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেছেন, ক্ষমতায় যাওয়ার লক্ষ্য নিয়ে তারা আন্দোলন করেননি। পরিস্থিতির কারণে তাদের সেই অবস্থানে যেতে হয়েছে। তবে বিএনপি সরকার সংস্কারের পরিবর্তে নির্বাচনের ওপর জোর দিয়ে ক্ষমতায় এসেছে। তিনি বলেন, সরকার এখন দেশ পরিচালনা করছে, কিন্তু কোনো ধরনের স্বৈরতন্ত্র বা দুর্নীতি মেনে নেওয়া হবে না।
সোমবার (৩ আগস্ট) বিকেলে রাজধানীর ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশনে (আইডিইবি) ‘শহীদ পরিবার ও আহতদের কণ্ঠে জনতার ১ দফা’ শীর্ষক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
নাহিদ ইসলাম বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানকে ঘিরে যারা অপপ্রচার চালাচ্ছে, তাদের সেই প্রচেষ্টা সফল হবে না। কারা এ ধরনের প্রচারণা চালাচ্ছে, সেটিও তাদের জানা আছে। তিনি বলেন, তারা ধৈর্য ধারণ করছেন এবং আইনের শাসনে বিশ্বাস করেন। ৫ আগস্ট পর্যন্ত তারা যেভাবে প্রতিরোধ গড়ে তুলেছিলেন, প্রয়োজন হলে ভবিষ্যতেও একইভাবে প্রতিরোধ গড়ে তোলা হবে। তিনি আরও বলেন, জুলাইকে কেন্দ্র করে সারা দেশে কারও ওপর হামলা বা কটূক্তি করা হলে তার পরিণতি ভালো হবে না। এটি যে দল বা যে গণমাধ্যমই করুক না কেন, বিষয়টি তাদের নজরদারিতে রয়েছে।
তিনি আরও বলেন, নতুন বন্দোবস্ত ও নতুন বাংলাদেশের ‘১ দফা’ বাস্তবায়নের লক্ষ্যেই আন্দোলন করা হয়েছে। শুরু থেকেই তারা বলে আসছেন, নতুন সংবিধানের মাধ্যমেই এই ১ দফা বাস্তবায়ন করতে হবে। তার দাবি, বাহাত্তরের সংবিধানে ফ্যাসিবাদের বীজ রোপণ করা হয়েছে। তিনি বলেন, বিএনপি সরকার ওই সংবিধান রক্ষার চেষ্টা করছে। বর্তমানে তারা সংশোধন কমিটি গঠন করেছে। সংস্কারের জায়গা থেকে তারা মধ্যপন্থায় এসেছিল, কিন্তু এখন সেই সংস্কারের অবস্থান থেকেও সরে এসেছে। যদি সংস্কারের সেই পথও বাদ দেওয়া হয়, তাহলে নতুন সংবিধানের দাবিতে আবারও আন্দোলনে নামবেন বলে জানান তিনি।
নাহিদ ইসলাম আরও বলেন, শেখ হাসিনা যদি ডিসেম্বরে দেশে ফেরেন, তাহলে বিমানবন্দর থেকেই তাকে সরাসরি ফাঁসির মঞ্চে নেওয়া হবে এবং এ বিষয়ে কোনো ধরনের ছাড় দেওয়া হবে না। তার ভাষ্য, বাংলাদেশের জনগণ, ১ হাজার ৪০০ শহীদ পরিবার, ৩ লাখ আহত ব্যক্তি এবং লাখো ছাত্র-জনতা সেদিন রাজপথে থাকবে। তিনি বলেন, শেখ হাসিনাকে সরাসরি ফাঁসির মঞ্চে নিয়ে যাওয়া হবে এবং ফাঁসি কার্যকর না হওয়া পর্যন্ত তারা রাজপথ ছেড়ে ঘরে ফিরবেন না।
সূত্র: মানবজমিন

আপনার মতামত লিখুন