পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালী উপজেলার মৌডুবী ফরেস্ট ক্যাম্পে দায়িত্বরত বিট কর্মকর্তা সোহেব খানের বিরুদ্ধে সংরক্ষিত বন ও উপকূলীয় চরাঞ্চলে মাছ ধরার অনুমতি দেওয়ার নামে জেলেদের কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ অর্থ আদায়ের অভিযোগ উঠেছে। এ অভিযোগে মঙ্গলবার ভুক্তভোগী জেলে ও স্থানীয়রা মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করে সুষ্ঠু তদন্ত, অর্থ ফেরত এবং দোষীদের বিচার দাবি করেন।
মানববন্ধনে অংশ নেওয়া ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে বন বিভাগের আওতাধীন বিভিন্ন খাল ও চরাঞ্চলে মাছ ধরার অনুমতি দেওয়ার কথা বলে বিভিন্ন জেলে ও মৎস্য ব্যবসায়ীর কাছ থেকে মোটা অঙ্কের টাকা নেওয়া হয়েছে। কিন্তু অনেক ক্ষেত্রে প্রতিশ্রুত অনুমতিপত্র দেওয়া হয়নি, আবার কেউ কাঙ্ক্ষিত এলাকায় মাছ ধরার সুযোগ পাননি।
ভুক্তভোগী জেলে তোফাজ্জল ভূঁইয়া অভিযোগ করেন, চর তালুকদার খালে মাছ ধরার জন্য ২০২৪, ২০২৫ ও ২০২৬ সালে ধাপে ধাপে তার কাছ থেকে মোট এক লাখ ১৫ হাজার টাকা নেওয়া হয়েছে। কিন্তু পরবর্তীতে ওই এলাকায় মাছ ধরতে গেলে তাকে বাধার মুখে পড়তে হয়। তিনি টাকা ফেরত এবং নির্বিঘ্নে মাছ ধরার সুযোগ নিশ্চিত করার দাবি জানান।
একই ধরনের অভিযোগ করেন বসির মোল্লা, মোশাররফ মাতব্বর, নজরুল হাওলাদার, নুহু ভূঁইয়া, কালাম ভূঁইয়া ও মিজানুর ভূঁইয়াসহ আরও কয়েকজন জেলে ও মৎস্য ব্যবসায়ী। তাদের দাবি, বিভিন্ন খাল ও চরাঞ্চলে মাছ ধরার অনুমতি দেওয়ার আশ্বাসে তাদের কাছ থেকেও ২০ হাজার থেকে দেড় লাখ টাকা পর্যন্ত নেওয়া হয়েছে। তবে অনেকেই প্রতিশ্রুত অনুমতিপত্র পাননি কিংবা কাঙ্ক্ষিত এলাকায় মাছ ধরার সুযোগ থেকে বঞ্চিত হয়েছেন।
মানববন্ধনে বক্তারা অভিযোগ করেন, অর্থ না দিলে বনাঞ্চলে প্রবেশ ও মাছ ধরতে বাধা দেওয়া হতো এবং অনেককে মামলার ভয়ও দেখানো হয়েছে বলে তারা দাবি করেন।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগীরা বন বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করে অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্ত, অর্থ ফেরত এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান।

মঙ্গলবার, ০৪ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৪ আগস্ট ২০২৬
পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালী উপজেলার মৌডুবী ফরেস্ট ক্যাম্পে দায়িত্বরত বিট কর্মকর্তা সোহেব খানের বিরুদ্ধে সংরক্ষিত বন ও উপকূলীয় চরাঞ্চলে মাছ ধরার অনুমতি দেওয়ার নামে জেলেদের কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ অর্থ আদায়ের অভিযোগ উঠেছে। এ অভিযোগে মঙ্গলবার ভুক্তভোগী জেলে ও স্থানীয়রা মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করে সুষ্ঠু তদন্ত, অর্থ ফেরত এবং দোষীদের বিচার দাবি করেন।
মানববন্ধনে অংশ নেওয়া ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে বন বিভাগের আওতাধীন বিভিন্ন খাল ও চরাঞ্চলে মাছ ধরার অনুমতি দেওয়ার কথা বলে বিভিন্ন জেলে ও মৎস্য ব্যবসায়ীর কাছ থেকে মোটা অঙ্কের টাকা নেওয়া হয়েছে। কিন্তু অনেক ক্ষেত্রে প্রতিশ্রুত অনুমতিপত্র দেওয়া হয়নি, আবার কেউ কাঙ্ক্ষিত এলাকায় মাছ ধরার সুযোগ পাননি।
ভুক্তভোগী জেলে তোফাজ্জল ভূঁইয়া অভিযোগ করেন, চর তালুকদার খালে মাছ ধরার জন্য ২০২৪, ২০২৫ ও ২০২৬ সালে ধাপে ধাপে তার কাছ থেকে মোট এক লাখ ১৫ হাজার টাকা নেওয়া হয়েছে। কিন্তু পরবর্তীতে ওই এলাকায় মাছ ধরতে গেলে তাকে বাধার মুখে পড়তে হয়। তিনি টাকা ফেরত এবং নির্বিঘ্নে মাছ ধরার সুযোগ নিশ্চিত করার দাবি জানান।
একই ধরনের অভিযোগ করেন বসির মোল্লা, মোশাররফ মাতব্বর, নজরুল হাওলাদার, নুহু ভূঁইয়া, কালাম ভূঁইয়া ও মিজানুর ভূঁইয়াসহ আরও কয়েকজন জেলে ও মৎস্য ব্যবসায়ী। তাদের দাবি, বিভিন্ন খাল ও চরাঞ্চলে মাছ ধরার অনুমতি দেওয়ার আশ্বাসে তাদের কাছ থেকেও ২০ হাজার থেকে দেড় লাখ টাকা পর্যন্ত নেওয়া হয়েছে। তবে অনেকেই প্রতিশ্রুত অনুমতিপত্র পাননি কিংবা কাঙ্ক্ষিত এলাকায় মাছ ধরার সুযোগ থেকে বঞ্চিত হয়েছেন।
মানববন্ধনে বক্তারা অভিযোগ করেন, অর্থ না দিলে বনাঞ্চলে প্রবেশ ও মাছ ধরতে বাধা দেওয়া হতো এবং অনেককে মামলার ভয়ও দেখানো হয়েছে বলে তারা দাবি করেন।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগীরা বন বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করে অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্ত, অর্থ ফেরত এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান।

আপনার মতামত লিখুন