নওগাঁ জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তারিকুল ইসলামের দিকনির্দেশনা এবং সাধারণ জনগণের প্রদত্ত তথ্যের ভিত্তিতে মান্দা থানার পুলিশ একটি বড় ধরনের মাদকবিরোধী অভিযান পরিচালনা করে চোলাই মদ তৈরির একটি কারখানার সন্ধান পেয়েছে। এ সময় বিপুল পরিমাণ চোলাই মদ ও মদ তৈরির উপাদান জব্দ করা হয় এবং একজনকে গ্রেফতার করা হয়।
মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) রাতে অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মান্দা থানার নেতৃত্বে উপজেলার ৪ নম্বর মান্দা ইউনিয়নের কামারকুড়ি মৌজার প্রসাদপুর বাজার এলাকার সরদারপাড়ায় এ অভিযান পরিচালিত হয়।
অভিযানে মো. মোতাহার হোসেন (৪৫) নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করা হয়। তিনি মৃত আহম্মদ আলীর ছেলে এবং বারিল্যা গ্রামের বাসিন্দা।
পুলিশ জানায়, অভিযানে আসামির বাড়ি থেকে ১২টি নীল রঙের প্লাস্টিকের ড্রামে সংরক্ষিত ৯৬০ লিটার ওয়াশ (চোলাই মদ তৈরির উপাদান), একটি বড় পাতিলে রাখা আরও ৩০ লিটার ওয়াশ এবং তিনটি প্লাস্টিকের জারকিনে রাখা ৩০ লিটার চোলাই মদ উদ্ধার করা হয়। এছাড়া একটি মাটির পাতিল, একটি গ্যাস সিলিন্ডার ও একটি গ্যাসের চুলা জব্দ করা হয়, যা চোলাই মদ তৈরির কাজে ব্যবহৃত হতো।
জব্দকৃত চোলাই মদ ও মদ তৈরির উপাদানের মোট পরিমাণ ১,০২০ লিটার, যার আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ৪ লাখ ৮ হাজার টাকা।
পুলিশের প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, পুরো বাড়িটিই চোলাই মদ তৈরির একটি কারখানা হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছিল। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় নমুনা সংরক্ষণ করে অবশিষ্ট চোলাই মদ, মদ তৈরির উপাদান ও কারখানার সরঞ্জাম ধ্বংস করা হয়েছে।
অভিযান শুরুর আগেই কয়েকজন আসামি পালিয়ে যায়। তাদের গ্রেফতারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। এ ঘটনায় গ্রেফতার ও পলাতক আসামিদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।
এ বিষয়ে জেলা পুলিশ সাধারণ জনগণকে মাদকবিরোধী তথ্য দিয়ে সহযোগিতা করার জন্য ধন্যবাদ জানিয়ে মাদকমুক্ত সমাজ গড়তে সবাইকে একযোগে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছে।

বুধবার, ০৫ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ আগস্ট ২০২৬
নওগাঁ জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তারিকুল ইসলামের দিকনির্দেশনা এবং সাধারণ জনগণের প্রদত্ত তথ্যের ভিত্তিতে মান্দা থানার পুলিশ একটি বড় ধরনের মাদকবিরোধী অভিযান পরিচালনা করে চোলাই মদ তৈরির একটি কারখানার সন্ধান পেয়েছে। এ সময় বিপুল পরিমাণ চোলাই মদ ও মদ তৈরির উপাদান জব্দ করা হয় এবং একজনকে গ্রেফতার করা হয়।
মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) রাতে অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মান্দা থানার নেতৃত্বে উপজেলার ৪ নম্বর মান্দা ইউনিয়নের কামারকুড়ি মৌজার প্রসাদপুর বাজার এলাকার সরদারপাড়ায় এ অভিযান পরিচালিত হয়।
অভিযানে মো. মোতাহার হোসেন (৪৫) নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করা হয়। তিনি মৃত আহম্মদ আলীর ছেলে এবং বারিল্যা গ্রামের বাসিন্দা।
পুলিশ জানায়, অভিযানে আসামির বাড়ি থেকে ১২টি নীল রঙের প্লাস্টিকের ড্রামে সংরক্ষিত ৯৬০ লিটার ওয়াশ (চোলাই মদ তৈরির উপাদান), একটি বড় পাতিলে রাখা আরও ৩০ লিটার ওয়াশ এবং তিনটি প্লাস্টিকের জারকিনে রাখা ৩০ লিটার চোলাই মদ উদ্ধার করা হয়। এছাড়া একটি মাটির পাতিল, একটি গ্যাস সিলিন্ডার ও একটি গ্যাসের চুলা জব্দ করা হয়, যা চোলাই মদ তৈরির কাজে ব্যবহৃত হতো।
জব্দকৃত চোলাই মদ ও মদ তৈরির উপাদানের মোট পরিমাণ ১,০২০ লিটার, যার আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ৪ লাখ ৮ হাজার টাকা।
পুলিশের প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, পুরো বাড়িটিই চোলাই মদ তৈরির একটি কারখানা হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছিল। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় নমুনা সংরক্ষণ করে অবশিষ্ট চোলাই মদ, মদ তৈরির উপাদান ও কারখানার সরঞ্জাম ধ্বংস করা হয়েছে।
অভিযান শুরুর আগেই কয়েকজন আসামি পালিয়ে যায়। তাদের গ্রেফতারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। এ ঘটনায় গ্রেফতার ও পলাতক আসামিদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।
এ বিষয়ে জেলা পুলিশ সাধারণ জনগণকে মাদকবিরোধী তথ্য দিয়ে সহযোগিতা করার জন্য ধন্যবাদ জানিয়ে মাদকমুক্ত সমাজ গড়তে সবাইকে একযোগে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন