আন্দোলনে অংশ নেওয়া অধিকাংশ মানুষের অভিজ্ঞতার সঙ্গে এসব ঘটনার কোনো না কোনো মিল রয়েছে। তবে প্রশ্ন হলো, জুলাই কি শুধু রক্ত আর সহিংসতার গল্পেই সীমাবদ্ধ ছিল? রক্তাক্ত পথের পাশাপাশি সেখানে ছিল অপরিচিত মানুষের সাহস জাগিয়ে তোলার গল্প, ছিল অচেনা মানুষের আশ্রয়ে অকৃত্রিম ভালোবাসা পাওয়ার অভিজ্ঞতা, ছিল মানবিকতা ও সহমর্মিতার অসংখ্য স্মৃতি।
জুলাই আন্দোলনের একজন ক্ষুদ্র অংশগ্রহণকারী হিসেবে আমি আজ রক্ত আর লাশের বাইরের কিছু স্মৃতির কথা বলতে চাই। এমন কিছু মানুষের গল্প, যাদের কারও সঙ্গে পরিচয় হয়েছিল, আবার কেউ অপরিচিত হয়েও চিরদিনের জন্য মনে গেঁথে আছেন।
গল্পের শুরু ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। তখন আমি আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের মাস্টার্সের শিক্ষার্থী। কোটা সংস্কার আন্দোলন শুরু হয়েছে, আর আমাদের সেমিস্টার ফাইনাল পরীক্ষা চলছিল। একটি পরীক্ষা হওয়ার পর বাকিগুলো সম্মিলিত সিদ্ধান্তে বর্জন করা হয়। আমি শামসুন নাহার হলে থাকতাম। প্রতিদিন হলের মেয়েদের নিয়ে ব্যানার হাতে আন্দোলনে অংশ নিতাম।
এরপর ঘোষণা আসে ‘বাংলা ব্লকেড’ কর্মসূচির। এর আগে মাঝে মধ্যে স্লোগান দিলেও বক্তব্য দেওয়ার মঞ্চে কখনো উঠিনি। কিন্তু সেদিন কী মনে করে কথা বলেছিলাম। খুব সাধারণ ভাষায়, তাত্ত্বিক আলোচনা নয়; বরং শিক্ষার্থীদের বাস্তব অনুভূতির কথাই তুলে ধরেছিলাম। বক্তব্যের সময় বারবার করতালি পেয়েছিলাম। বক্তব্য শেষ করে বসার জায়গায় ফিরে আসতেই হলের এক শিক্ষার্থী আমার হাত ধরে কেঁদে ফেলল। সে বলল, ‘আপু, আমি সারাদিন পড়াশোনা করি, রুম থেকে বের হই না। আমার আম্মু ডিম বিক্রি করে, পুকুরের মাছ বিক্রি করে আমার খরচ চালান। আপনার কথা শুনে সেসব মনে পড়ে গেল। আমি এই আন্দোলন শেষ না হওয়া পর্যন্ত থাকব।’
সেই মেয়েটি প্রতিদিন সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত শাহবাগের প্রচণ্ড গরমে অবস্থান করত। পরে মাথাব্যথা নিয়েই পড়তে বসত। হাজারো মানুষের ভিড়ে তার সেই কান্না দেখে আমি সেদিন মনে মনে সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম, আর পেছনে ফেরার সুযোগ নেই। পরে সে প্রথম বিসিএস পরীক্ষাতেই শিক্ষা ক্যাডারে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়। তখনও আমরা মাস্টার্সে অধ্যয়নরত এবং হলে অবস্থান করছিলাম।
আন্দোলনে শুধু শিক্ষার্থীরাই ছিলেন, এমন নয়। আমি একজন যুগ্মসচিবের মেয়েকে পড়াতাম। শাহবাগে আন্দোলন শেষে হেঁটে টিউশনি করতে যেতাম। প্রতিদিন সেই শিক্ষার্থীর মা আমাকে বসিয়ে বলতেন, তিনি আমাদের আন্দোলনের পাশে আছেন। একদিন তিনি কিছু টাকা হাতে দিয়ে বললেন, ‘মা, আমি তো আন্দোলনে যেতে পারি না, তোমরা এই টাকা দিয়ে পানি কিনো।’
এভাবেই অসংখ্য মা-বাবার সহযোগিতা আমরা পেয়েছি।
পরে আন্দোলন যখন গণঅভ্যুত্থানে রূপ নেয়, তখন এক জুনিয়রের মাধ্যমে তার টিউশনের বাসায় আশ্রয় নিই। বাসার সেই আপু আমাকে চিনতেন না। আমি হল থেকে মাত্র দুটি বাইরে পরার জামা নিয়ে বের হতে পেরেছিলাম। প্রতিদিন আন্দোলন শেষে ফিরে দেখতাম, তিনি জামাকাপড় ধুয়ে রাখার ব্যবস্থা করেছেন, যাতে পরদিন আবার বের হতে পারি। তার অসুস্থ শাশুড়ির দেখাশোনার জন্য যিনি ছিলেন, তাকেও আমাদের পায়ে মালিশ করে দিতে বলতেন। আমরা অনেক কষ্টে তাকে তা থেকে বিরত রাখতাম। প্রতিদিন তিনি অনেক খাবার রান্না করে আন্দোলনকারীদের জন্য নিয়ে যেতেন। আমাদের বলতেন, ‘তোমরা নিশ্চিন্তে ঘুমাও। আমি থাকতে তোমাদের কোনো বিপদ হবে না।’
এমন অসংখ্য মানুষের সহযোগিতা পেয়েছি, যা ভাষায় প্রকাশ করা কঠিন। অচেনা নম্বর থেকে মোবাইলে রিচার্জ এসেছে। রাস্তায় বের হলেই পানি ও খাবারের ব্যবস্থা পেয়েছি।
পানির প্রসঙ্গ এলেই অভ্যুত্থানের সময়ের সবচেয়ে স্মরণীয় একটি ঘটনার কথা মনে পড়ে।
সেদিন ছিল ৩ আগস্ট। সবাই শহীদ মিনারে জড়ো হচ্ছিল। আমিও অনেকটা পথ হেঁটে সেখানে পৌঁছে ক্লান্ত হয়ে এক পাশে বসেছিলাম। হঠাৎ দেখি, একজন মানুষ হাতে পানির বোতল নিয়ে দাঁড়িয়ে আছেন। তার পোশাক ছিল জরাজীর্ণ, হাত-পায়ের চামড়ায় বয়সের ছাপ স্পষ্ট। আমি পানির বোতল নিয়ে টাকা দিতে চাইলে তিনি তা নিতে অস্বীকৃতি জানান। কারণ জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘মা, ৩০ বছর ধরে ঢাকায় ভিক্ষা করি। জীবনে এভাবে মানুষ মরতে দেখিনি। তুমি এই পানিটা নাও। আমি সারাদিন ভিক্ষা করে যত টাকা পেয়েছি, তা দিয়ে তোমাদের জন্য পানি কিনেছি।’
আমি পানির বোতলটি হাতে নিলেও মুহূর্তটিতে এতটাই আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েছিলাম যে তাকে ধন্যবাদও জানাতে পারিনি। কিছুক্ষণ বসে শুধু কেঁদেছিলাম মানুষের এমন নিঃস্বার্থ ভালোবাসা দেখে। আশপাশের কেউ আমার দিকে অস্বাভাবিক দৃষ্টিতে তাকাননি।
এরপর যতবার গণঅভ্যুত্থান নিয়ে বিতর্ক দেখেছি, ততবার ওই বৃদ্ধ মানুষের বাড়িয়ে দেওয়া হাতটির কথা মনে পড়েছে। আমরা যে বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখেছিলাম, আমার কাছে সেই বাংলাদেশ ৩ আগস্টই ধরা দিয়েছিল। ৫ আগস্টের পর স্বার্থের দ্বন্দ্ব, মানুষের ক্ষোভ এবং রাজনৈতিক সংঘাত দেখে বারবার মনে হয়েছে, ৩ আগস্টের সেই বাংলাদেশকে আর ফিরে পাওয়া গেল না।
সেদিন শহীদ মিনারে ভিক্ষুক থেকে শুরু করে এসি গাড়িতে চলাফেরা করা ধনী মানুষ, হুজুর থেকে হাতে ট্যাটু আঁকা শিল্পী—সবাই একসঙ্গে ছিলেন। কেউ কাউকে ছোট করে দেখেননি, কেউ কাউকে অস্বস্তিতে ফেলেননি। সেই বিশাল জনসমাগমে কোনো নারীও অপ্রীতিকর পরিস্থিতির মুখোমুখি হননি।
যারা সেদিনের সেই বাংলাদেশ দেখেছেন, তাদের হৃদয়ে সারাজীবন এমন একটি দেশ গড়ার আকাঙ্ক্ষা থাকবে। বাংলাদেশের সব মানুষের প্রতি আমার আহ্বান—সেদিনের সহাবস্থান ও সম্প্রীতির বাংলাদেশ গড়ে তোলাই হোক আমাদের অঙ্গীকার। সেই বাংলাদেশই ছিল জুলাইয়ের প্রকৃত আকাঙ্ক্ষা।
সূত্র: আমার দেশ

বুধবার, ০৫ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ আগস্ট ২০২৬
আন্দোলনে অংশ নেওয়া অধিকাংশ মানুষের অভিজ্ঞতার সঙ্গে এসব ঘটনার কোনো না কোনো মিল রয়েছে। তবে প্রশ্ন হলো, জুলাই কি শুধু রক্ত আর সহিংসতার গল্পেই সীমাবদ্ধ ছিল? রক্তাক্ত পথের পাশাপাশি সেখানে ছিল অপরিচিত মানুষের সাহস জাগিয়ে তোলার গল্প, ছিল অচেনা মানুষের আশ্রয়ে অকৃত্রিম ভালোবাসা পাওয়ার অভিজ্ঞতা, ছিল মানবিকতা ও সহমর্মিতার অসংখ্য স্মৃতি।
জুলাই আন্দোলনের একজন ক্ষুদ্র অংশগ্রহণকারী হিসেবে আমি আজ রক্ত আর লাশের বাইরের কিছু স্মৃতির কথা বলতে চাই। এমন কিছু মানুষের গল্প, যাদের কারও সঙ্গে পরিচয় হয়েছিল, আবার কেউ অপরিচিত হয়েও চিরদিনের জন্য মনে গেঁথে আছেন।
গল্পের শুরু ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। তখন আমি আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের মাস্টার্সের শিক্ষার্থী। কোটা সংস্কার আন্দোলন শুরু হয়েছে, আর আমাদের সেমিস্টার ফাইনাল পরীক্ষা চলছিল। একটি পরীক্ষা হওয়ার পর বাকিগুলো সম্মিলিত সিদ্ধান্তে বর্জন করা হয়। আমি শামসুন নাহার হলে থাকতাম। প্রতিদিন হলের মেয়েদের নিয়ে ব্যানার হাতে আন্দোলনে অংশ নিতাম।
এরপর ঘোষণা আসে ‘বাংলা ব্লকেড’ কর্মসূচির। এর আগে মাঝে মধ্যে স্লোগান দিলেও বক্তব্য দেওয়ার মঞ্চে কখনো উঠিনি। কিন্তু সেদিন কী মনে করে কথা বলেছিলাম। খুব সাধারণ ভাষায়, তাত্ত্বিক আলোচনা নয়; বরং শিক্ষার্থীদের বাস্তব অনুভূতির কথাই তুলে ধরেছিলাম। বক্তব্যের সময় বারবার করতালি পেয়েছিলাম। বক্তব্য শেষ করে বসার জায়গায় ফিরে আসতেই হলের এক শিক্ষার্থী আমার হাত ধরে কেঁদে ফেলল। সে বলল, ‘আপু, আমি সারাদিন পড়াশোনা করি, রুম থেকে বের হই না। আমার আম্মু ডিম বিক্রি করে, পুকুরের মাছ বিক্রি করে আমার খরচ চালান। আপনার কথা শুনে সেসব মনে পড়ে গেল। আমি এই আন্দোলন শেষ না হওয়া পর্যন্ত থাকব।’
সেই মেয়েটি প্রতিদিন সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত শাহবাগের প্রচণ্ড গরমে অবস্থান করত। পরে মাথাব্যথা নিয়েই পড়তে বসত। হাজারো মানুষের ভিড়ে তার সেই কান্না দেখে আমি সেদিন মনে মনে সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম, আর পেছনে ফেরার সুযোগ নেই। পরে সে প্রথম বিসিএস পরীক্ষাতেই শিক্ষা ক্যাডারে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়। তখনও আমরা মাস্টার্সে অধ্যয়নরত এবং হলে অবস্থান করছিলাম।
আন্দোলনে শুধু শিক্ষার্থীরাই ছিলেন, এমন নয়। আমি একজন যুগ্মসচিবের মেয়েকে পড়াতাম। শাহবাগে আন্দোলন শেষে হেঁটে টিউশনি করতে যেতাম। প্রতিদিন সেই শিক্ষার্থীর মা আমাকে বসিয়ে বলতেন, তিনি আমাদের আন্দোলনের পাশে আছেন। একদিন তিনি কিছু টাকা হাতে দিয়ে বললেন, ‘মা, আমি তো আন্দোলনে যেতে পারি না, তোমরা এই টাকা দিয়ে পানি কিনো।’
এভাবেই অসংখ্য মা-বাবার সহযোগিতা আমরা পেয়েছি।
পরে আন্দোলন যখন গণঅভ্যুত্থানে রূপ নেয়, তখন এক জুনিয়রের মাধ্যমে তার টিউশনের বাসায় আশ্রয় নিই। বাসার সেই আপু আমাকে চিনতেন না। আমি হল থেকে মাত্র দুটি বাইরে পরার জামা নিয়ে বের হতে পেরেছিলাম। প্রতিদিন আন্দোলন শেষে ফিরে দেখতাম, তিনি জামাকাপড় ধুয়ে রাখার ব্যবস্থা করেছেন, যাতে পরদিন আবার বের হতে পারি। তার অসুস্থ শাশুড়ির দেখাশোনার জন্য যিনি ছিলেন, তাকেও আমাদের পায়ে মালিশ করে দিতে বলতেন। আমরা অনেক কষ্টে তাকে তা থেকে বিরত রাখতাম। প্রতিদিন তিনি অনেক খাবার রান্না করে আন্দোলনকারীদের জন্য নিয়ে যেতেন। আমাদের বলতেন, ‘তোমরা নিশ্চিন্তে ঘুমাও। আমি থাকতে তোমাদের কোনো বিপদ হবে না।’
এমন অসংখ্য মানুষের সহযোগিতা পেয়েছি, যা ভাষায় প্রকাশ করা কঠিন। অচেনা নম্বর থেকে মোবাইলে রিচার্জ এসেছে। রাস্তায় বের হলেই পানি ও খাবারের ব্যবস্থা পেয়েছি।
পানির প্রসঙ্গ এলেই অভ্যুত্থানের সময়ের সবচেয়ে স্মরণীয় একটি ঘটনার কথা মনে পড়ে।
সেদিন ছিল ৩ আগস্ট। সবাই শহীদ মিনারে জড়ো হচ্ছিল। আমিও অনেকটা পথ হেঁটে সেখানে পৌঁছে ক্লান্ত হয়ে এক পাশে বসেছিলাম। হঠাৎ দেখি, একজন মানুষ হাতে পানির বোতল নিয়ে দাঁড়িয়ে আছেন। তার পোশাক ছিল জরাজীর্ণ, হাত-পায়ের চামড়ায় বয়সের ছাপ স্পষ্ট। আমি পানির বোতল নিয়ে টাকা দিতে চাইলে তিনি তা নিতে অস্বীকৃতি জানান। কারণ জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘মা, ৩০ বছর ধরে ঢাকায় ভিক্ষা করি। জীবনে এভাবে মানুষ মরতে দেখিনি। তুমি এই পানিটা নাও। আমি সারাদিন ভিক্ষা করে যত টাকা পেয়েছি, তা দিয়ে তোমাদের জন্য পানি কিনেছি।’
আমি পানির বোতলটি হাতে নিলেও মুহূর্তটিতে এতটাই আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েছিলাম যে তাকে ধন্যবাদও জানাতে পারিনি। কিছুক্ষণ বসে শুধু কেঁদেছিলাম মানুষের এমন নিঃস্বার্থ ভালোবাসা দেখে। আশপাশের কেউ আমার দিকে অস্বাভাবিক দৃষ্টিতে তাকাননি।
এরপর যতবার গণঅভ্যুত্থান নিয়ে বিতর্ক দেখেছি, ততবার ওই বৃদ্ধ মানুষের বাড়িয়ে দেওয়া হাতটির কথা মনে পড়েছে। আমরা যে বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখেছিলাম, আমার কাছে সেই বাংলাদেশ ৩ আগস্টই ধরা দিয়েছিল। ৫ আগস্টের পর স্বার্থের দ্বন্দ্ব, মানুষের ক্ষোভ এবং রাজনৈতিক সংঘাত দেখে বারবার মনে হয়েছে, ৩ আগস্টের সেই বাংলাদেশকে আর ফিরে পাওয়া গেল না।
সেদিন শহীদ মিনারে ভিক্ষুক থেকে শুরু করে এসি গাড়িতে চলাফেরা করা ধনী মানুষ, হুজুর থেকে হাতে ট্যাটু আঁকা শিল্পী—সবাই একসঙ্গে ছিলেন। কেউ কাউকে ছোট করে দেখেননি, কেউ কাউকে অস্বস্তিতে ফেলেননি। সেই বিশাল জনসমাগমে কোনো নারীও অপ্রীতিকর পরিস্থিতির মুখোমুখি হননি।
যারা সেদিনের সেই বাংলাদেশ দেখেছেন, তাদের হৃদয়ে সারাজীবন এমন একটি দেশ গড়ার আকাঙ্ক্ষা থাকবে। বাংলাদেশের সব মানুষের প্রতি আমার আহ্বান—সেদিনের সহাবস্থান ও সম্প্রীতির বাংলাদেশ গড়ে তোলাই হোক আমাদের অঙ্গীকার। সেই বাংলাদেশই ছিল জুলাইয়ের প্রকৃত আকাঙ্ক্ষা।
সূত্র: আমার দেশ

আপনার মতামত লিখুন