ভোলার বোরহানউদ্দিন উপজেলার কাচিয়া ইউনিয়নের পদ্মামনসা এলাকায় পঞ্চম শ্রেণির এক স্কুলছাত্রীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগে পাঁচ কিশোরের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে। এ ঘটনায় তিন কিশোরকে আটক করে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠিয়েছে পুলিশ। অপর দুই অভিযুক্তকে গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত ২৬ জুলাই স্কুলের টিফিন বিরতির সময় বাড়িতে খাবার খেতে যাওয়ার পথে এক অভিযুক্ত জরুরি কথা বলার কথা বলে ওই ছাত্রীকে পাশের একটি কলাবাগানে নিয়ে যায়। সেখানে আগে থেকে অবস্থান করা অন্যদের সহযোগিতায় তাকে জোরপূর্বক ধর্ষণের অভিযোগ করা হয়েছে। এ ঘটনায় ভিডিও ধারণের অভিযোগও রয়েছে।
ভুক্তভোগীর চিৎকার শুনে স্থানীয় লোকজন ঘটনাস্থলের দিকে এগিয়ে গেলে অভিযুক্তরা পালিয়ে যায়। পরে পরিবারের কাছে বিষয়টি জানালে স্থানীয়দের সঙ্গে আলোচনা করে বোরহানউদ্দিন থানায় মামলা দায়ের করা হয়।
মামলার পর পুলিশ অভিযান চালিয়ে তিন কিশোরকে আটক করে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠায়। বাকি দুই অভিযুক্তকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।
পুলিশ জানিয়েছে, অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত চলছে এবং প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। অভিযুক্তরা অপ্রাপ্তবয়স্ক হওয়ায় তাদের বিরুদ্ধে প্রচলিত শিশু আইন অনুযায়ী বিচারিক কার্যক্রম পরিচালিত হবে।

শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ আগস্ট ২০২৬
ভোলার বোরহানউদ্দিন উপজেলার কাচিয়া ইউনিয়নের পদ্মামনসা এলাকায় পঞ্চম শ্রেণির এক স্কুলছাত্রীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগে পাঁচ কিশোরের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে। এ ঘটনায় তিন কিশোরকে আটক করে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠিয়েছে পুলিশ। অপর দুই অভিযুক্তকে গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত ২৬ জুলাই স্কুলের টিফিন বিরতির সময় বাড়িতে খাবার খেতে যাওয়ার পথে এক অভিযুক্ত জরুরি কথা বলার কথা বলে ওই ছাত্রীকে পাশের একটি কলাবাগানে নিয়ে যায়। সেখানে আগে থেকে অবস্থান করা অন্যদের সহযোগিতায় তাকে জোরপূর্বক ধর্ষণের অভিযোগ করা হয়েছে। এ ঘটনায় ভিডিও ধারণের অভিযোগও রয়েছে।
ভুক্তভোগীর চিৎকার শুনে স্থানীয় লোকজন ঘটনাস্থলের দিকে এগিয়ে গেলে অভিযুক্তরা পালিয়ে যায়। পরে পরিবারের কাছে বিষয়টি জানালে স্থানীয়দের সঙ্গে আলোচনা করে বোরহানউদ্দিন থানায় মামলা দায়ের করা হয়।
মামলার পর পুলিশ অভিযান চালিয়ে তিন কিশোরকে আটক করে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠায়। বাকি দুই অভিযুক্তকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।
পুলিশ জানিয়েছে, অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত চলছে এবং প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। অভিযুক্তরা অপ্রাপ্তবয়স্ক হওয়ায় তাদের বিরুদ্ধে প্রচলিত শিশু আইন অনুযায়ী বিচারিক কার্যক্রম পরিচালিত হবে।

আপনার মতামত লিখুন