ফরিদপুর পৌরসভার স্বর্ণপট্টি এলাকার কালি মন্দির সড়কের উন্নয়নকাজে বৈষম্যমূলক আচরণ এবং পূর্ব নোটিশ ছাড়াই স্থাপনা ভাঙার অভিযোগ তুলেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। তাদের দাবি, একই সড়কে কোথাও ১৮ ফুট আবার কোথাও ১৬ ফুট প্রশস্ত করে নির্মাণকাজ করা হচ্ছে। এছাড়া কোনো ধরনের লিখিত নোটিশ বা পূর্ব সতর্কতা ছাড়াই কয়েকটি বাড়ির মূল ফটক, দোকানপাট ও অন্যান্য স্থাপনা ভেঙে ফেলা হয়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, অতীতে কালি মন্দির সড়কে যতবার উন্নয়নকাজ হয়েছে, প্রতিবারই সমান প্রস্থ বজায় রেখে রাস্তা নির্মাণ করা হয়েছে। কিন্তু চলমান প্রকল্পে সেই নীতি অনুসরণ করা হচ্ছে না। এতে কয়েকজন বাসিন্দা বৈষম্যের শিকার হয়েছেন বলে তারা দাবি করেন।
ভুক্তভোগী আলী আসলাম মো. নাঈম বলেন, “আমরা দীর্ঘদিন ধরে এই এলাকার বাসিন্দা। অতীতে যতবার সড়ক উন্নয়ন হয়েছে, প্রতিটি ক্ষেত্রেই সমান প্রস্থের রাস্তা নির্মাণ করা হয়েছে। কিন্তু এবার কোথাও ১৮ ফুট, কোথাও ১৬ ফুট করে রাস্তা নির্মাণ করা হচ্ছে। এতে আমরা চরম বৈষম্যের শিকার হয়েছি।”
তিনি আরও বলেন, “রাস্তা নির্মাণের সময় আমাদের কোনো ধরনের লিখিত নোটিশ বা পূর্ব সতর্কতা দেওয়া হয়নি। অথচ পৌরসভার উদ্যোগে আমাদের বাড়ির মেইন গেট, দোকানপাট ও অন্যান্য স্থাপনা ভেঙে ফেলা হয়েছে। বিষয়টি আইনসঙ্গত নয় বলে আমরা মনে করি।”
ক্ষতিগ্রস্ত বাসিন্দারা সড়ক নির্মাণে সমতা নিশ্চিত করা, অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত এবং ক্ষতিগ্রস্তদের যথাযথ ক্ষতিপূরণ ও ন্যায়বিচারের দাবি জানিয়েছেন।

শুক্রবার, ০৭ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ আগস্ট ২০২৬
ফরিদপুর পৌরসভার স্বর্ণপট্টি এলাকার কালি মন্দির সড়কের উন্নয়নকাজে বৈষম্যমূলক আচরণ এবং পূর্ব নোটিশ ছাড়াই স্থাপনা ভাঙার অভিযোগ তুলেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। তাদের দাবি, একই সড়কে কোথাও ১৮ ফুট আবার কোথাও ১৬ ফুট প্রশস্ত করে নির্মাণকাজ করা হচ্ছে। এছাড়া কোনো ধরনের লিখিত নোটিশ বা পূর্ব সতর্কতা ছাড়াই কয়েকটি বাড়ির মূল ফটক, দোকানপাট ও অন্যান্য স্থাপনা ভেঙে ফেলা হয়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, অতীতে কালি মন্দির সড়কে যতবার উন্নয়নকাজ হয়েছে, প্রতিবারই সমান প্রস্থ বজায় রেখে রাস্তা নির্মাণ করা হয়েছে। কিন্তু চলমান প্রকল্পে সেই নীতি অনুসরণ করা হচ্ছে না। এতে কয়েকজন বাসিন্দা বৈষম্যের শিকার হয়েছেন বলে তারা দাবি করেন।
ভুক্তভোগী আলী আসলাম মো. নাঈম বলেন, “আমরা দীর্ঘদিন ধরে এই এলাকার বাসিন্দা। অতীতে যতবার সড়ক উন্নয়ন হয়েছে, প্রতিটি ক্ষেত্রেই সমান প্রস্থের রাস্তা নির্মাণ করা হয়েছে। কিন্তু এবার কোথাও ১৮ ফুট, কোথাও ১৬ ফুট করে রাস্তা নির্মাণ করা হচ্ছে। এতে আমরা চরম বৈষম্যের শিকার হয়েছি।”
তিনি আরও বলেন, “রাস্তা নির্মাণের সময় আমাদের কোনো ধরনের লিখিত নোটিশ বা পূর্ব সতর্কতা দেওয়া হয়নি। অথচ পৌরসভার উদ্যোগে আমাদের বাড়ির মেইন গেট, দোকানপাট ও অন্যান্য স্থাপনা ভেঙে ফেলা হয়েছে। বিষয়টি আইনসঙ্গত নয় বলে আমরা মনে করি।”
ক্ষতিগ্রস্ত বাসিন্দারা সড়ক নির্মাণে সমতা নিশ্চিত করা, অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত এবং ক্ষতিগ্রস্তদের যথাযথ ক্ষতিপূরণ ও ন্যায়বিচারের দাবি জানিয়েছেন।

আপনার মতামত লিখুন