ঢাকা    শনিবার, ০৮ আগস্ট ২০২৬, ২৪ শ্রাবণ ১৪৩৩
ইনসাফ টাইম ২৪

রাজনীতি

জুলাই স্মৃতি জাদুঘর থেকে সীমান্ত হত্যা ও মোদিবিরোধী আন্দোলনের স্মৃতি বাদ দেওয়ার অভিযোগ নাহিদের

জুলাই স্মৃতি জাদুঘর থেকে সীমান্ত হত্যা ও মোদিবিরোধী আন্দোলনের স্মৃতি বাদ দেওয়ার অভিযোগ নাহিদের
জুলাই স্মৃতি জাদুঘর থেকে সীমান্ত হত্যা ও মোদিবিরোধী আন্দোলনের স্মৃতি বাদ দেওয়ার অভিযোগ নাহিদের

জুলাই স্মৃতি জাদুঘর থেকে সীমান্তে সংঘটিত হত্যাকাণ্ড এবং মোদিবিরোধী আন্দোলনের স্মৃতি সরিয়ে ফেলা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম।

শনিবার (৮ আগস্ট) বেলা ১১টার পর জুলাই স্মৃতি জাদুঘর পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ অভিযোগ করেন।

নাহিদ ইসলাম বলেন, জাদুঘরে সীমান্ত হত্যাকাণ্ড নিয়ে একটি আলাদা অংশ ছিল। সীমান্তে সংঘটিত হত্যাকাণ্ডের স্মৃতি এবং মোদিবিরোধী আন্দোলনের স্মৃতিও সেখান থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে।

জাদুঘরে বিএনপির আন্দোলন-সংগ্রাম তুলনামূলক বেশি গুরুত্ব পেয়েছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি। নাহিদ ইসলামের ভাষ্য, গত ১৬ বছর বাংলাদেশে যে ফ্যাসিবাদ ছিল, তার সঙ্গে ভারত জড়িত ছিল। বিএনপি হয়তো ভারতকে ভয় পাচ্ছে এবং সরকার মনে করছে, এ ধরনের পদক্ষেপের মাধ্যমে ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক ভালো রাখা সম্ভব হবে।

তিনি বলেন, ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক ভালো বা খারাপ—এভাবে বিষয়টি দেখার সুযোগ নেই। দুই দেশের সম্পর্ক হতে হবে মর্যাদাপূর্ণ।

জুলাই স্মৃতি জাদুঘর যে গণভবনে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে, সেটি নিয়েও কথা বলেন নাহিদ ইসলাম। তিনি বলেন, এই গণভবন থেকেই শেখ হাসিনা স্বৈরাচারী বিভিন্ন সিদ্ধান্ত নিতেন। মানুষ ও রাষ্ট্রের অর্থ লুটপাটসহ নানা সিদ্ধান্তও এখান থেকেই নেওয়া হতো।

নাহিদ ইসলাম জানান, অন্তর্বর্তী সরকার গণভবনকে জাদুঘরে রূপান্তরের পরিকল্পনা করেছিল। জাদুঘরটি জনসাধারণের জন্য খুলে দেওয়ার বিষয়ে তারা সংসদ ও সংসদের বাইরে বিভিন্ন সময় কথা বলেছেন। এর আগে তিনিও জাদুঘরটি পরিদর্শন করেছিলেন। তবে নির্বাচনের পর সরকার জাদুঘরে কিছু পরিবর্তন করেছে বলে জানান তিনি।

জুলাই অভ্যুত্থানের স্মৃতিগুলো জাদুঘরে আরও বিস্তারিতভাবে উপস্থাপনের প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরেন এনসিপির আহ্বায়ক। তাঁর মতে, সময়ের ধারাবাহিকতায় বিভিন্ন জেলার পাশাপাশি সরকারি-বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় ও অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের অবদানও সেখানে তুলে ধরা উচিত।

জাদুঘরে কেন্দ্রীয় ও পরিচিত ব্যক্তিদের বারবার উপস্থাপন করা হচ্ছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি। বিষয়টি জাদুঘরের দায়িত্বশীলদের জানানো হয়েছে বলে জানান নাহিদ ইসলাম। একই সঙ্গে জাদুঘরে পর্যাপ্ত জনবল নিয়োগ দেওয়া হয়নি বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

তিনি বলেন, সংসদে তারা জাদুঘরটিকে স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান করার কথা জানিয়েছিলেন।

জুলাইয়ের চেতনায় বিশ্বাসী ব্যক্তিদের দিয়ে জাদুঘর পরিচালনার আহ্বান জানিয়ে নাহিদ ইসলাম বলেন, জুলাই স্মৃতি জাদুঘর যেন কোনো দলের ইতিহাস চর্চার কেন্দ্রে পরিণত না হয়। এটি জাতীয় ইতিহাস চর্চার জায়গা হওয়া উচিত, যেখানে প্রকৃত ঘটনা তুলে ধরা হবে এবং সবাই সেই ইতিহাস ধারণ করতে পারবে।

এ সময় এনসিপির সদস্যসচিব আখতার হোসেনসহ দলের কেন্দ্রীয় নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

সূত্র: আমার দেশ

আপনার মতামত লিখুন

ইনসাফ টাইম ২৪

শনিবার, ০৮ আগস্ট ২০২৬


জুলাই স্মৃতি জাদুঘর থেকে সীমান্ত হত্যা ও মোদিবিরোধী আন্দোলনের স্মৃতি বাদ দেওয়ার অভিযোগ নাহিদের

প্রকাশের তারিখ : ০৮ আগস্ট ২০২৬

featured Image

জুলাই স্মৃতি জাদুঘর থেকে সীমান্তে সংঘটিত হত্যাকাণ্ড এবং মোদিবিরোধী আন্দোলনের স্মৃতি সরিয়ে ফেলা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম।

শনিবার (৮ আগস্ট) বেলা ১১টার পর জুলাই স্মৃতি জাদুঘর পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ অভিযোগ করেন।

নাহিদ ইসলাম বলেন, জাদুঘরে সীমান্ত হত্যাকাণ্ড নিয়ে একটি আলাদা অংশ ছিল। সীমান্তে সংঘটিত হত্যাকাণ্ডের স্মৃতি এবং মোদিবিরোধী আন্দোলনের স্মৃতিও সেখান থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে।

জাদুঘরে বিএনপির আন্দোলন-সংগ্রাম তুলনামূলক বেশি গুরুত্ব পেয়েছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি। নাহিদ ইসলামের ভাষ্য, গত ১৬ বছর বাংলাদেশে যে ফ্যাসিবাদ ছিল, তার সঙ্গে ভারত জড়িত ছিল। বিএনপি হয়তো ভারতকে ভয় পাচ্ছে এবং সরকার মনে করছে, এ ধরনের পদক্ষেপের মাধ্যমে ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক ভালো রাখা সম্ভব হবে।

তিনি বলেন, ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক ভালো বা খারাপ—এভাবে বিষয়টি দেখার সুযোগ নেই। দুই দেশের সম্পর্ক হতে হবে মর্যাদাপূর্ণ।

জুলাই স্মৃতি জাদুঘর যে গণভবনে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে, সেটি নিয়েও কথা বলেন নাহিদ ইসলাম। তিনি বলেন, এই গণভবন থেকেই শেখ হাসিনা স্বৈরাচারী বিভিন্ন সিদ্ধান্ত নিতেন। মানুষ ও রাষ্ট্রের অর্থ লুটপাটসহ নানা সিদ্ধান্তও এখান থেকেই নেওয়া হতো।

নাহিদ ইসলাম জানান, অন্তর্বর্তী সরকার গণভবনকে জাদুঘরে রূপান্তরের পরিকল্পনা করেছিল। জাদুঘরটি জনসাধারণের জন্য খুলে দেওয়ার বিষয়ে তারা সংসদ ও সংসদের বাইরে বিভিন্ন সময় কথা বলেছেন। এর আগে তিনিও জাদুঘরটি পরিদর্শন করেছিলেন। তবে নির্বাচনের পর সরকার জাদুঘরে কিছু পরিবর্তন করেছে বলে জানান তিনি।

জুলাই অভ্যুত্থানের স্মৃতিগুলো জাদুঘরে আরও বিস্তারিতভাবে উপস্থাপনের প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরেন এনসিপির আহ্বায়ক। তাঁর মতে, সময়ের ধারাবাহিকতায় বিভিন্ন জেলার পাশাপাশি সরকারি-বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় ও অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের অবদানও সেখানে তুলে ধরা উচিত।

জাদুঘরে কেন্দ্রীয় ও পরিচিত ব্যক্তিদের বারবার উপস্থাপন করা হচ্ছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি। বিষয়টি জাদুঘরের দায়িত্বশীলদের জানানো হয়েছে বলে জানান নাহিদ ইসলাম। একই সঙ্গে জাদুঘরে পর্যাপ্ত জনবল নিয়োগ দেওয়া হয়নি বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

তিনি বলেন, সংসদে তারা জাদুঘরটিকে স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান করার কথা জানিয়েছিলেন।

জুলাইয়ের চেতনায় বিশ্বাসী ব্যক্তিদের দিয়ে জাদুঘর পরিচালনার আহ্বান জানিয়ে নাহিদ ইসলাম বলেন, জুলাই স্মৃতি জাদুঘর যেন কোনো দলের ইতিহাস চর্চার কেন্দ্রে পরিণত না হয়। এটি জাতীয় ইতিহাস চর্চার জায়গা হওয়া উচিত, যেখানে প্রকৃত ঘটনা তুলে ধরা হবে এবং সবাই সেই ইতিহাস ধারণ করতে পারবে।

এ সময় এনসিপির সদস্যসচিব আখতার হোসেনসহ দলের কেন্দ্রীয় নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

সূত্র: আমার দেশ


ইনসাফ টাইম ২৪

প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান - মোঃ জাকারিয়া আহম্মেদ 
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক - মোঃ আতিকুল ইসলাম
প্রকাশক ও নির্বাহী সম্পাদক - মোঃ রাকিব হোসাইন হৃদয় 
সহ-সম্পাদক- মোঃ জাকারিয়া হোসেন
বার্তা সম্পাদক - 

কপিরাইট © ২০২৬ ইনসাফ টাইম ২৪ । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
জুলাই স্মৃতি জাদুঘর থেকে সীমান্ত হত্যা ও মোদিবিরোধী আন্দোলনের স্মৃতি বাদ দেওয়ার অভিযোগ নাহিদের
0:00 0:00
1.0x