শনিবার (৮ আগস্ট) সকালে ঢাকার ইবনে সিনা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সাঘাটা উপজেলা ছাত্রশিবিরের সভাপতি সাজেদুর রহমান সাদা। তিনি জানান, দীর্ঘ ৪৭ দিন চিকিৎসা নেওয়ার পর সালাউদ্দিনের মৃত্যু হয়েছে।
এর আগে চলতি বছরের ২১ জুন বিকেল ৩টার দিকে সাঘাটা উপজেলার বোনারপাড়া চৌরাস্তা মোড়ে প্রতিপক্ষের ছুরিকাঘাতে সালাউদ্দিন আহত হন। একই ঘটনায় ওই দিন শিবির নেতা সাইফুল ইসলামও মারা যান। তিনি বোনারপাড়া ইউনিয়ন ছাত্রশিবিরের সভাপতি ছিলেন। তার বাড়ি বোনারপাড়া শিমুল তাইড় গ্রামে। তিনি ওই গ্রামের হাবিবুর রহমানের ছেলে।
স্থানীয়দের ভাষ্য, সাঘাটা উপজেলার কচুয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটি গঠনকে কেন্দ্র করে বিরোধের জেরে তাদের ওপর ছুরিকাঘাতের ঘটনা ঘটে।
পরে স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে গাইবান্ধা জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে চিকিৎসক শিবির নেতা সাইফুল্লাহকে মৃত ঘোষণা করেন। গুরুতর আহত সালাউদ্দিনকে প্রথমে বগুড়া জিয়াউর রহমান হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে তার অবস্থার অবনতি হলে পরে তাকে ঢাকার ইবনে সিনা হাসপাতালে নেওয়া হয়।
এ ঘটনায় শিবির নেতা সাইফুল্লাহর বাবা হাবিবুর রহমান ২২ জুন সাঘাটা থানায় হত্যা মামলা করেন। মামলায় ছয়জনের নাম উল্লেখ করা হয় এবং অজ্ঞাতনামা আরও ১৪-১৫ জনকে আসামি করা হয়।
সাঘাটা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহবুব আলম বলেন, ‘সাইফুল্লাহ বারী হত্যা মামলায় এখন পর্যন্ত প্রধান আসামি মোখলেছুর রহমান মুকুলসহ মোট পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।’
সূত্র: কালের কণ্ঠ

শনিবার, ০৮ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ আগস্ট ২০২৬
শনিবার (৮ আগস্ট) সকালে ঢাকার ইবনে সিনা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সাঘাটা উপজেলা ছাত্রশিবিরের সভাপতি সাজেদুর রহমান সাদা। তিনি জানান, দীর্ঘ ৪৭ দিন চিকিৎসা নেওয়ার পর সালাউদ্দিনের মৃত্যু হয়েছে।
এর আগে চলতি বছরের ২১ জুন বিকেল ৩টার দিকে সাঘাটা উপজেলার বোনারপাড়া চৌরাস্তা মোড়ে প্রতিপক্ষের ছুরিকাঘাতে সালাউদ্দিন আহত হন। একই ঘটনায় ওই দিন শিবির নেতা সাইফুল ইসলামও মারা যান। তিনি বোনারপাড়া ইউনিয়ন ছাত্রশিবিরের সভাপতি ছিলেন। তার বাড়ি বোনারপাড়া শিমুল তাইড় গ্রামে। তিনি ওই গ্রামের হাবিবুর রহমানের ছেলে।
স্থানীয়দের ভাষ্য, সাঘাটা উপজেলার কচুয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটি গঠনকে কেন্দ্র করে বিরোধের জেরে তাদের ওপর ছুরিকাঘাতের ঘটনা ঘটে।
পরে স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে গাইবান্ধা জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে চিকিৎসক শিবির নেতা সাইফুল্লাহকে মৃত ঘোষণা করেন। গুরুতর আহত সালাউদ্দিনকে প্রথমে বগুড়া জিয়াউর রহমান হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে তার অবস্থার অবনতি হলে পরে তাকে ঢাকার ইবনে সিনা হাসপাতালে নেওয়া হয়।
এ ঘটনায় শিবির নেতা সাইফুল্লাহর বাবা হাবিবুর রহমান ২২ জুন সাঘাটা থানায় হত্যা মামলা করেন। মামলায় ছয়জনের নাম উল্লেখ করা হয় এবং অজ্ঞাতনামা আরও ১৪-১৫ জনকে আসামি করা হয়।
সাঘাটা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহবুব আলম বলেন, ‘সাইফুল্লাহ বারী হত্যা মামলায় এখন পর্যন্ত প্রধান আসামি মোখলেছুর রহমান মুকুলসহ মোট পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।’
সূত্র: কালের কণ্ঠ

আপনার মতামত লিখুন