বুধবার (১২ আগস্ট) সকাল আনুমানিক ৯টার দিকে মিতালী আবাসিক এলাকার ১১১ নম্বর বাসার ভেতরে রক্তাক্ত মরদেহ দেখতে পান স্থানীয় বাসিন্দারা। পরে তারা পুলিশকে খবর দেন। মিতালী আবাসিক এলাকার সাধারণ সম্পাদক নাজমুল হক নাজু ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, সকালে বাসার ভেতরে এমন হত্যাকাণ্ডের খবর পেয়ে তারা হতবাক হয়ে যান। এরপর দ্রুত আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে বিষয়টি জানানো হয়।
খবর পেয়ে থানা পুলিশ, সিআইডি এবং পিবিআইয়ের ক্রাইম সিন ইউনিট ঘটনাস্থলে যায়। সেখানে তারা বিভিন্ন আলামত সংগ্রহের কাজ শুরু করেছে।
পুলিশের প্রাথমিক ধারণা, মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) রাতের কোনো এক সময়ে দুর্বৃত্তরা প্রাচীরঘেরা ওই বাড়িতে প্রবেশ করে। এরপর তিনজনকে গলা কেটে হত্যা করে তারা পালিয়ে যায়। নিহতদের শরীরে একাধিক আঘাতের চিহ্ন রয়েছে কি না, সেটিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
নিহত আব্দুস সাত্তার এলাকায় পরিচিত আওয়ামী লীগ নেতা হিসেবে ছিলেন। একই বাড়িতে তিনজনকে গলা কেটে হত্যার ঘটনায় রায়নগর ও মিতালী আবাসিক এলাকায় আতঙ্ক ও উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। খবর পেয়ে বাড়িটির সামনে বিপুলসংখ্যক মানুষ জড়ো হয়েছেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সেখানে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
এসএমপির উপ পুলিশ কমিশনার (উত্তর) মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম জানান, মরদেহগুলো ময়নাতদন্তের জন্য সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে। পূর্বশত্রুতা, রাজনৈতিক বিরোধ নাকি ডাকাতির উদ্দেশ্যে এই হত্যাকাণ্ড ঘটানো হয়েছে, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তবে জড়িতদের দ্রুত শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের জন্য পুলিশের একাধিক দল কাজ শুরু করেছে।

বুধবার, ১২ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১২ আগস্ট ২০২৬
বুধবার (১২ আগস্ট) সকাল আনুমানিক ৯টার দিকে মিতালী আবাসিক এলাকার ১১১ নম্বর বাসার ভেতরে রক্তাক্ত মরদেহ দেখতে পান স্থানীয় বাসিন্দারা। পরে তারা পুলিশকে খবর দেন। মিতালী আবাসিক এলাকার সাধারণ সম্পাদক নাজমুল হক নাজু ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, সকালে বাসার ভেতরে এমন হত্যাকাণ্ডের খবর পেয়ে তারা হতবাক হয়ে যান। এরপর দ্রুত আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে বিষয়টি জানানো হয়।
খবর পেয়ে থানা পুলিশ, সিআইডি এবং পিবিআইয়ের ক্রাইম সিন ইউনিট ঘটনাস্থলে যায়। সেখানে তারা বিভিন্ন আলামত সংগ্রহের কাজ শুরু করেছে।
পুলিশের প্রাথমিক ধারণা, মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) রাতের কোনো এক সময়ে দুর্বৃত্তরা প্রাচীরঘেরা ওই বাড়িতে প্রবেশ করে। এরপর তিনজনকে গলা কেটে হত্যা করে তারা পালিয়ে যায়। নিহতদের শরীরে একাধিক আঘাতের চিহ্ন রয়েছে কি না, সেটিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
নিহত আব্দুস সাত্তার এলাকায় পরিচিত আওয়ামী লীগ নেতা হিসেবে ছিলেন। একই বাড়িতে তিনজনকে গলা কেটে হত্যার ঘটনায় রায়নগর ও মিতালী আবাসিক এলাকায় আতঙ্ক ও উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। খবর পেয়ে বাড়িটির সামনে বিপুলসংখ্যক মানুষ জড়ো হয়েছেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সেখানে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
এসএমপির উপ পুলিশ কমিশনার (উত্তর) মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম জানান, মরদেহগুলো ময়নাতদন্তের জন্য সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে। পূর্বশত্রুতা, রাজনৈতিক বিরোধ নাকি ডাকাতির উদ্দেশ্যে এই হত্যাকাণ্ড ঘটানো হয়েছে, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তবে জড়িতদের দ্রুত শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের জন্য পুলিশের একাধিক দল কাজ শুরু করেছে।

আপনার মতামত লিখুন