সেখানে সারজিস আলম প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের উদ্দেশে বলেন, মসজিদের ইমাম ও মুয়াজ্জিনদের সম্মানী ভাতার ব্যবস্থা করায় তিনি আগে তাকে ধন্যবাদ জানিয়েছিলেন। তবে স্থানীয় পর্যায়ে এ ভাতা দেওয়াকে কেন্দ্র করে যে পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে, সেটিকে তিনি অত্যন্ত লজ্জাজনক বলে মন্তব্য করেন।
তিনি বলেন, গ্রাম পর্যায়ের অধিকাংশ মসজিদের ইমাম-মুয়াজ্জিন আগে তেমন কোনো সম্মানী পেতেন না। কোথাও সম্মানী থাকলেও তা ছিল খুবই সামান্য। বছরের পর বছর আল্লাহর সন্তুষ্টির আশায় অনেকেই স্বেচ্ছাশ্রম হিসেবে ইমাম ও মুয়াজ্জিনের দায়িত্ব পালন করে আসছেন।
সারজিস আলমের বক্তব্য অনুযায়ী, প্রতিদিন পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের নির্দিষ্ট সময়ে মসজিদে উপস্থিত থাকার কারণে একজন ইমাম বা মুয়াজ্জিনের পক্ষে স্বাধীনভাবে অন্য কোনো পূর্ণকালীন কাজ করা সহজ নয়। এরপরও অনেকে কোনো ধরনের পাওয়ার প্রত্যাশা ছাড়াই দীর্ঘদিন এই দায়িত্ব পালন করে গেছেন।
তিনি আরও বলেন, দীর্ঘদিন ধরে মসজিদের খেদমত করে আসা এসব মানুষের কাছেই রাষ্ট্রীয় সম্মানী পৌঁছাবে বলে তারা আশা করেছিলেন। কিন্তু তার অভিযোগ, বিএনপির স্থানীয় নেতারা এখন মসজিদগুলোকে দলীয়করণ ও অর্থ আত্মসাতের ক্ষেত্র হিসেবে ব্যবহার করছেন।
তার দাবি, যেসব মসজিদের ইমাম ও মুয়াজ্জিনকে সম্মানী ভাতার আওতায় আনা হচ্ছে, সেখানে নতুন করে বিএনপিপন্থি ইমাম-মুয়াজ্জিন দলীয়ভাবে নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে। একই সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে মসজিদে দায়িত্ব পালন করা ব্যক্তিদের অপমান করে জোরপূর্বক সরিয়ে দেওয়ার অভিযোগও করেন তিনি।
সারজিস আলম জানান, এমন একজন ইমাম তাকে ফোন করে বলেছেন, তারেক রহমানের কাছে যেন শুধু একটি কথা পৌঁছে দেওয়া হয়—সরকারের দেওয়া সম্মানী এখন অনেক মসজিদের ইমাম ও মুয়াজ্জিনের জন্য অভিশাপ এবং সম্মানহানির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
ওই বক্তব্য তুলে ধরে সারজিস আলম প্রধানমন্ত্রীকে সতর্ক করে বলেন, একজন ইমামের মনে তৈরি হওয়া ক্ষোভ পুরো সমাজকে তার ও তার দলের বিরুদ্ধে দাঁড় করাতে পারে। এ ধরনের পরিস্থিতির দায়ভার নেওয়ার সক্ষমতা প্রধানমন্ত্রী বা তার দলের কারও নেই বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
সময় থাকতে এ বিষয়ে কঠোর নির্দেশনা দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, অন্যথায় সাধারণ মুসল্লিরা এ ধরনের চেষ্টা প্রতিরোধ করবেন।
সূত্র: আমার দেশ

বুধবার, ১২ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১২ আগস্ট ২০২৬
সেখানে সারজিস আলম প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের উদ্দেশে বলেন, মসজিদের ইমাম ও মুয়াজ্জিনদের সম্মানী ভাতার ব্যবস্থা করায় তিনি আগে তাকে ধন্যবাদ জানিয়েছিলেন। তবে স্থানীয় পর্যায়ে এ ভাতা দেওয়াকে কেন্দ্র করে যে পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে, সেটিকে তিনি অত্যন্ত লজ্জাজনক বলে মন্তব্য করেন।
তিনি বলেন, গ্রাম পর্যায়ের অধিকাংশ মসজিদের ইমাম-মুয়াজ্জিন আগে তেমন কোনো সম্মানী পেতেন না। কোথাও সম্মানী থাকলেও তা ছিল খুবই সামান্য। বছরের পর বছর আল্লাহর সন্তুষ্টির আশায় অনেকেই স্বেচ্ছাশ্রম হিসেবে ইমাম ও মুয়াজ্জিনের দায়িত্ব পালন করে আসছেন।
সারজিস আলমের বক্তব্য অনুযায়ী, প্রতিদিন পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের নির্দিষ্ট সময়ে মসজিদে উপস্থিত থাকার কারণে একজন ইমাম বা মুয়াজ্জিনের পক্ষে স্বাধীনভাবে অন্য কোনো পূর্ণকালীন কাজ করা সহজ নয়। এরপরও অনেকে কোনো ধরনের পাওয়ার প্রত্যাশা ছাড়াই দীর্ঘদিন এই দায়িত্ব পালন করে গেছেন।
তিনি আরও বলেন, দীর্ঘদিন ধরে মসজিদের খেদমত করে আসা এসব মানুষের কাছেই রাষ্ট্রীয় সম্মানী পৌঁছাবে বলে তারা আশা করেছিলেন। কিন্তু তার অভিযোগ, বিএনপির স্থানীয় নেতারা এখন মসজিদগুলোকে দলীয়করণ ও অর্থ আত্মসাতের ক্ষেত্র হিসেবে ব্যবহার করছেন।
তার দাবি, যেসব মসজিদের ইমাম ও মুয়াজ্জিনকে সম্মানী ভাতার আওতায় আনা হচ্ছে, সেখানে নতুন করে বিএনপিপন্থি ইমাম-মুয়াজ্জিন দলীয়ভাবে নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে। একই সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে মসজিদে দায়িত্ব পালন করা ব্যক্তিদের অপমান করে জোরপূর্বক সরিয়ে দেওয়ার অভিযোগও করেন তিনি।
সারজিস আলম জানান, এমন একজন ইমাম তাকে ফোন করে বলেছেন, তারেক রহমানের কাছে যেন শুধু একটি কথা পৌঁছে দেওয়া হয়—সরকারের দেওয়া সম্মানী এখন অনেক মসজিদের ইমাম ও মুয়াজ্জিনের জন্য অভিশাপ এবং সম্মানহানির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
ওই বক্তব্য তুলে ধরে সারজিস আলম প্রধানমন্ত্রীকে সতর্ক করে বলেন, একজন ইমামের মনে তৈরি হওয়া ক্ষোভ পুরো সমাজকে তার ও তার দলের বিরুদ্ধে দাঁড় করাতে পারে। এ ধরনের পরিস্থিতির দায়ভার নেওয়ার সক্ষমতা প্রধানমন্ত্রী বা তার দলের কারও নেই বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
সময় থাকতে এ বিষয়ে কঠোর নির্দেশনা দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, অন্যথায় সাধারণ মুসল্লিরা এ ধরনের চেষ্টা প্রতিরোধ করবেন।
সূত্র: আমার দেশ

আপনার মতামত লিখুন