বুধবার (১২ আগস্ট) বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের বিদ্যুৎ বিভাগের সমন্বয়-২ শাখা থেকে এ সংক্রান্ত নির্দেশনা জারি করা হয়। বিদ্যুৎ বিভাগের উপসচিব মো. মামুন ভূঁইয়ার স্বাক্ষরিত স্মারকে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
এর আগে গত ১১ জুনের সরকারি সিদ্ধান্ত অনুযায়ী শপিংমল, মার্কেট ও দোকানপাট রাত ৯টা পর্যন্ত খোলা রাখার সুযোগ ছিল। নতুন সিদ্ধান্তে সেই সময়সীমা এক ঘণ্টা কমিয়ে রাত ৮টা করা হয়েছে। একই সঙ্গে সকাল ১১টা থেকে দোকানপাট খোলার সময় নির্ধারণ করা হয়েছে।
নতুন নির্দেশনায় শুধু দোকানপাটের সময়সীমাই পরিবর্তন করা হয়নি। বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের জন্য সব ধরনের আলোকিত বিলবোর্ড সন্ধ্যা ৭টার মধ্যে বন্ধ করতে বলা হয়েছে। পাশাপাশি সব ধরনের আলোকসজ্জা সম্পূর্ণ বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
দেশের বিভিন্ন এলাকায় চলমান ও অনুষ্ঠিতব্য মেলা, বাণিজ্য মেলা এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের ক্ষেত্রেও একই সময়সীমা প্রযোজ্য হবে। এসব আয়োজন রাত ৮টার মধ্যে শেষ করার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে।
তবে সব ধরনের ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে এই বিধিনিষেধ প্রযোজ্য হবে না। খাবারের দোকান, হাসপাতাল ও ওষুধের দোকানসহ সংশ্লিষ্ট জরুরি সেবাগুলো এ নির্দেশনার আওতামুক্ত থাকবে।
সরকারি নির্দেশনা বাস্তবায়নে সিটি করপোরেশনের মেয়র বা প্রশাসক, বিভাগীয় কমিশনার ও জেলা প্রশাসকদের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে। পাশাপাশি বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড, বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড, ডিপিডিসি, ডেসকো, ওজোপাডিকো ও নেসকোসহ সংশ্লিষ্ট বিদ্যুৎ সংস্থাগুলোকে বিষয়টি জানানো হয়েছে। বাংলাদেশ দোকান মালিক সমিতি ও ঢাকা দোকান মালিক সমিতিকেও সিদ্ধান্তটি অবহিত করা হয়েছে।
সরকার বিদ্যুৎ সাশ্রয় ও সামগ্রিক বিদ্যুৎ ব্যবস্থাপনা আরও কার্যকর করার অংশ হিসেবে আগের সময়সূচি পরিবর্তন করে এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে। নতুন সময়সূচি ১২ আগস্ট ২০২৬ থেকেই কার্যকর হয়েছে।
সূত্র: বিদ্যুৎ বিভাগ; বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা (বাসস); প্রথম আলো; যুগান্তর; বাংলা ট্রিবিউন; কালের কণ্ঠ।

বুধবার, ১২ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১২ আগস্ট ২০২৬
বুধবার (১২ আগস্ট) বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের বিদ্যুৎ বিভাগের সমন্বয়-২ শাখা থেকে এ সংক্রান্ত নির্দেশনা জারি করা হয়। বিদ্যুৎ বিভাগের উপসচিব মো. মামুন ভূঁইয়ার স্বাক্ষরিত স্মারকে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
এর আগে গত ১১ জুনের সরকারি সিদ্ধান্ত অনুযায়ী শপিংমল, মার্কেট ও দোকানপাট রাত ৯টা পর্যন্ত খোলা রাখার সুযোগ ছিল। নতুন সিদ্ধান্তে সেই সময়সীমা এক ঘণ্টা কমিয়ে রাত ৮টা করা হয়েছে। একই সঙ্গে সকাল ১১টা থেকে দোকানপাট খোলার সময় নির্ধারণ করা হয়েছে।
নতুন নির্দেশনায় শুধু দোকানপাটের সময়সীমাই পরিবর্তন করা হয়নি। বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের জন্য সব ধরনের আলোকিত বিলবোর্ড সন্ধ্যা ৭টার মধ্যে বন্ধ করতে বলা হয়েছে। পাশাপাশি সব ধরনের আলোকসজ্জা সম্পূর্ণ বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
দেশের বিভিন্ন এলাকায় চলমান ও অনুষ্ঠিতব্য মেলা, বাণিজ্য মেলা এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের ক্ষেত্রেও একই সময়সীমা প্রযোজ্য হবে। এসব আয়োজন রাত ৮টার মধ্যে শেষ করার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে।
তবে সব ধরনের ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে এই বিধিনিষেধ প্রযোজ্য হবে না। খাবারের দোকান, হাসপাতাল ও ওষুধের দোকানসহ সংশ্লিষ্ট জরুরি সেবাগুলো এ নির্দেশনার আওতামুক্ত থাকবে।
সরকারি নির্দেশনা বাস্তবায়নে সিটি করপোরেশনের মেয়র বা প্রশাসক, বিভাগীয় কমিশনার ও জেলা প্রশাসকদের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে। পাশাপাশি বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড, বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড, ডিপিডিসি, ডেসকো, ওজোপাডিকো ও নেসকোসহ সংশ্লিষ্ট বিদ্যুৎ সংস্থাগুলোকে বিষয়টি জানানো হয়েছে। বাংলাদেশ দোকান মালিক সমিতি ও ঢাকা দোকান মালিক সমিতিকেও সিদ্ধান্তটি অবহিত করা হয়েছে।
সরকার বিদ্যুৎ সাশ্রয় ও সামগ্রিক বিদ্যুৎ ব্যবস্থাপনা আরও কার্যকর করার অংশ হিসেবে আগের সময়সূচি পরিবর্তন করে এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে। নতুন সময়সূচি ১২ আগস্ট ২০২৬ থেকেই কার্যকর হয়েছে।
সূত্র: বিদ্যুৎ বিভাগ; বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা (বাসস); প্রথম আলো; যুগান্তর; বাংলা ট্রিবিউন; কালের কণ্ঠ।

আপনার মতামত লিখুন