কেন্দ্রটি পরিচালনাকারী কোম্পানি ‘ইডিএফ’ জানিয়েছে, তাদের ছয়টি চুল্লির মধ্যে বর্তমানে মাত্র একটি পূর্ণ সক্ষমতায় চালু রয়েছে। তিনটি চুল্লি সম্পূর্ণ বন্ধ, একটি চুল্লির উৎপাদন অর্ধেকে নামিয়ে আনা হয়েছে এবং আরেকটি আগে থেকেই রক্ষণাবেক্ষণের জন্য বন্ধ রয়েছে। প্রায় একই ঘটনা এক বছর আগেও ঘটেছিল। তখন জেলিফিশের কারণে দুই দিন বিদ্যুৎকেন্দ্রটির কার্যক্রম ব্যাহত হয়েছিল।
তবে ইডিএফ জানিয়েছে, এ ঘটনায় আতঙ্কিত হওয়ার কোনো কারণ নেই। এতে বিদ্যুৎকেন্দ্রের কর্মী, স্থাপনা কিংবা পরিবেশের কোনো ক্ষতি হবে না। পরিস্থিতি দ্রুত স্বাভাবিক করতে কর্মীরা কাজ করছেন। জেলিফিশ সরাতে কয়েকটি মাছ ধরার নৌকা দিন-রাত কাজ করছে। নৌকাগুলো পাম্পের আশপাশ থেকে জেলিফিশ ধরে গভীর সমুদ্রে ছেড়ে দিচ্ছে এবং আটকে থাকা পাম্প পরিষ্কার করছে।
চলতি বছরে ফ্রান্সে বিদ্যুৎকেন্দ্র বন্ধ হওয়ার ঘটনা এটাই প্রথম নয়। এর আগে তীব্র গরম ও খরার কারণেও দেশটির কয়েকটি চুল্লি বন্ধ রাখতে হয়েছিল।
ফ্রান্স ছাড়াও জেলিফিশের কারণে পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র বন্ধ হওয়ার ঘটনা অতীতে ঘটেছে। ২০১৩ সালে সুইডেন এবং ১৯৯৯ সালে জাপানেও একই ধরনের পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল।
বিশেষজ্ঞদের মতে, অতিরিক্ত মাছ ধরা, প্লাস্টিক দূষণ এবং জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে সমুদ্রের পানির তাপমাত্রা বাড়ছে। এর প্রভাবে সমুদ্রে জেলিফিশের সংখ্যা দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে।
সূত্র: এনডিটিভি

বৃহস্পতিবার, ১৩ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৩ আগস্ট ২০২৬
কেন্দ্রটি পরিচালনাকারী কোম্পানি ‘ইডিএফ’ জানিয়েছে, তাদের ছয়টি চুল্লির মধ্যে বর্তমানে মাত্র একটি পূর্ণ সক্ষমতায় চালু রয়েছে। তিনটি চুল্লি সম্পূর্ণ বন্ধ, একটি চুল্লির উৎপাদন অর্ধেকে নামিয়ে আনা হয়েছে এবং আরেকটি আগে থেকেই রক্ষণাবেক্ষণের জন্য বন্ধ রয়েছে। প্রায় একই ঘটনা এক বছর আগেও ঘটেছিল। তখন জেলিফিশের কারণে দুই দিন বিদ্যুৎকেন্দ্রটির কার্যক্রম ব্যাহত হয়েছিল।
তবে ইডিএফ জানিয়েছে, এ ঘটনায় আতঙ্কিত হওয়ার কোনো কারণ নেই। এতে বিদ্যুৎকেন্দ্রের কর্মী, স্থাপনা কিংবা পরিবেশের কোনো ক্ষতি হবে না। পরিস্থিতি দ্রুত স্বাভাবিক করতে কর্মীরা কাজ করছেন। জেলিফিশ সরাতে কয়েকটি মাছ ধরার নৌকা দিন-রাত কাজ করছে। নৌকাগুলো পাম্পের আশপাশ থেকে জেলিফিশ ধরে গভীর সমুদ্রে ছেড়ে দিচ্ছে এবং আটকে থাকা পাম্প পরিষ্কার করছে।
চলতি বছরে ফ্রান্সে বিদ্যুৎকেন্দ্র বন্ধ হওয়ার ঘটনা এটাই প্রথম নয়। এর আগে তীব্র গরম ও খরার কারণেও দেশটির কয়েকটি চুল্লি বন্ধ রাখতে হয়েছিল।
ফ্রান্স ছাড়াও জেলিফিশের কারণে পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র বন্ধ হওয়ার ঘটনা অতীতে ঘটেছে। ২০১৩ সালে সুইডেন এবং ১৯৯৯ সালে জাপানেও একই ধরনের পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল।
বিশেষজ্ঞদের মতে, অতিরিক্ত মাছ ধরা, প্লাস্টিক দূষণ এবং জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে সমুদ্রের পানির তাপমাত্রা বাড়ছে। এর প্রভাবে সমুদ্রে জেলিফিশের সংখ্যা দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে।
সূত্র: এনডিটিভি

আপনার মতামত লিখুন