ফরিদপুরের মধুখালীতে ছয় বছর বয়সী এক কন্যাশিশুকে ধর্ষণচেষ্টার দায়ে মো. হাকিম বিশ্বাস (৫৮) নামে এক ব্যক্তিকে সাত বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও ২০ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন আদালত। জরিমানার টাকা অনাদায়ে তাকে আরও তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে।
বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) দুপুর আড়াইটার দিকে ফরিদপুর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক (জেলা ও দায়রা জজ) শামীমা পারভীন এ রায় ঘোষণা করেন। রায় ঘোষণার সময় আসামি আদালতে উপস্থিত ছিলেন। পরে তাকে পুলিশ পাহারায় ফরিদপুর জেলা কারাগারে পাঠানো হয়।
দণ্ডপ্রাপ্ত হাকিম বিশ্বাস ফরিদপুরের মধুখালী উপজেলার একটি গ্রামের বাসিন্দা। তিনি নির্যাতনের শিকার শিশুটির প্রতিবেশী।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ২০১৮ সালের ২ আগস্ট দুপুরে শিশুটির মা তার অসুস্থ শ্বশুর-শাশুড়ির কাছে ছয় বছর বয়সী মেয়েকে রেখে ব্যক্তিগত কাজে মধুখালী বাজারে যান। বিকেল ৪টার দিকে বাড়িতে ফিরে তিনি জানতে পারেন, প্রতিবেশী হাকিম তার শিশুকন্যাকে যৌন হেনস্তা করেছেন।
এ ঘটনায় পরদিন ৩ আগস্ট শিশুটির মা বাদী হয়ে হাকিম বিশ্বাসকে একমাত্র আসামি করে মধুখালী থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেন। মামলাটি তদন্ত করেন মধুখালী থানার উপপরিদর্শক (এসআই) পলাশ কুমার দাস। তিনি ২০১৯ সালের ১ মে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন।
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) গোলাম রব্বানী ভূঁইয়া রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, এ রায়ে আমরা সন্তুষ্ট।

বৃহস্পতিবার, ১৩ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৩ আগস্ট ২০২৬
ফরিদপুরের মধুখালীতে ছয় বছর বয়সী এক কন্যাশিশুকে ধর্ষণচেষ্টার দায়ে মো. হাকিম বিশ্বাস (৫৮) নামে এক ব্যক্তিকে সাত বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও ২০ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন আদালত। জরিমানার টাকা অনাদায়ে তাকে আরও তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে।
বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) দুপুর আড়াইটার দিকে ফরিদপুর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক (জেলা ও দায়রা জজ) শামীমা পারভীন এ রায় ঘোষণা করেন। রায় ঘোষণার সময় আসামি আদালতে উপস্থিত ছিলেন। পরে তাকে পুলিশ পাহারায় ফরিদপুর জেলা কারাগারে পাঠানো হয়।
দণ্ডপ্রাপ্ত হাকিম বিশ্বাস ফরিদপুরের মধুখালী উপজেলার একটি গ্রামের বাসিন্দা। তিনি নির্যাতনের শিকার শিশুটির প্রতিবেশী।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ২০১৮ সালের ২ আগস্ট দুপুরে শিশুটির মা তার অসুস্থ শ্বশুর-শাশুড়ির কাছে ছয় বছর বয়সী মেয়েকে রেখে ব্যক্তিগত কাজে মধুখালী বাজারে যান। বিকেল ৪টার দিকে বাড়িতে ফিরে তিনি জানতে পারেন, প্রতিবেশী হাকিম তার শিশুকন্যাকে যৌন হেনস্তা করেছেন।
এ ঘটনায় পরদিন ৩ আগস্ট শিশুটির মা বাদী হয়ে হাকিম বিশ্বাসকে একমাত্র আসামি করে মধুখালী থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেন। মামলাটি তদন্ত করেন মধুখালী থানার উপপরিদর্শক (এসআই) পলাশ কুমার দাস। তিনি ২০১৯ সালের ১ মে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন।
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) গোলাম রব্বানী ভূঁইয়া রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, এ রায়ে আমরা সন্তুষ্ট।

আপনার মতামত লিখুন