ভোলার মনপুরায় ষষ্ঠ শ্রেণির এক অপ্রাপ্তবয়স্ক মাদ্রাসাছাত্রীকে মুখ চেপে জোরপূর্বক ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে মো. সুমন (২৭) নামে এক যুবকের বিরুদ্ধে। ঘটনার ছয় দিন পর বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) সন্ধ্যা ৬টার দিকে ভুক্তভোগী ছাত্রীর মা বাদী হয়ে মনপুরা থানায় মামলা দায়ের করেছেন।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, অভিযুক্ত সুমন উপজেলার ১ নম্বর মনপুরা ইউনিয়নের ঈশ্বরগঞ্জ এলাকার মোস্তফা মিয়ার ছেলে। তিনি ভুক্তভোগী ছাত্রীর প্রতিবেশী এবং একই কলোনীতে পাশাপাশি ঘরে থাকেন বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে।
মামলার অভিযোগে বলা হয়, গত ৬ আগস্ট বৃহস্পতিবার রাত আনুমানিক ৭টার দিকে রান্না করা তরকারি গরম করার জন্য শুকনো নারকেল পাতা আনতে ওই ছাত্রীকে বাড়ির পেছনে পাঠানো হয়। এ সময় পাশের বাড়ির সুমন তার মুখ চেপে ধরে জোরপূর্বক তাদের বাড়ির রান্নাঘরে নিয়ে যান বলে অভিযোগ করা হয়েছে। সেখানে তাকে ধর্ষণ করা হয়েছে বলেও মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়।
ঘটনার পর ভয়ে ওই ছাত্রী তাৎক্ষণিকভাবে পরিবারের সদস্যদের বিষয়টি জানায়নি। পরে সে বিষয়টি তার এক বান্ধবীকে জানায়। ওই বান্ধবীর মাধ্যমে ঘটনাটি ভুক্তভোগীর মায়ের কাছে পৌঁছায়। এরপর পরিবারের সদস্যরা বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করেন।
পরে স্থানীয় এক সচেতন নারীর পরামর্শে ঘটনার ছয় দিন পর বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় ভুক্তভোগীর মা মনপুরা থানায় গিয়ে মামলা দায়ের করেন।
মামলা দায়েরের পর ঘটনাটি এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয়দের মধ্যে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। এলাকাবাসী ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্তের পাশাপাশি অভিযোগের সত্যতা প্রমাণিত হলে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।
মনপুরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাজহারুল ইসলাম মামলা হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, “ধর্ষণের ঘটনায় থানায় মামলা হয়েছে। মামলার আসামিকে গ্রেপ্তারের জন্য পুলিশ অভিযান পরিচালনা করছে।” পুলিশ জানিয়েছে, মামলার অভিযোগ তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। তদন্তে প্রাপ্ত তথ্য ও প্রমাণের ভিত্তিতে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
অপ্রাপ্তবয়স্ক ভুক্তভোগীর পরিচয় আইনগত ও মানবিক কারণে গোপন রাখা হয়েছে। মামলায় আনা অভিযোগের সত্যতা তদন্ত ও বিচারিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে নির্ধারিত হবে।

বৃহস্পতিবার, ১৩ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৩ আগস্ট ২০২৬
ভোলার মনপুরায় ষষ্ঠ শ্রেণির এক অপ্রাপ্তবয়স্ক মাদ্রাসাছাত্রীকে মুখ চেপে জোরপূর্বক ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে মো. সুমন (২৭) নামে এক যুবকের বিরুদ্ধে। ঘটনার ছয় দিন পর বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) সন্ধ্যা ৬টার দিকে ভুক্তভোগী ছাত্রীর মা বাদী হয়ে মনপুরা থানায় মামলা দায়ের করেছেন।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, অভিযুক্ত সুমন উপজেলার ১ নম্বর মনপুরা ইউনিয়নের ঈশ্বরগঞ্জ এলাকার মোস্তফা মিয়ার ছেলে। তিনি ভুক্তভোগী ছাত্রীর প্রতিবেশী এবং একই কলোনীতে পাশাপাশি ঘরে থাকেন বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে।
মামলার অভিযোগে বলা হয়, গত ৬ আগস্ট বৃহস্পতিবার রাত আনুমানিক ৭টার দিকে রান্না করা তরকারি গরম করার জন্য শুকনো নারকেল পাতা আনতে ওই ছাত্রীকে বাড়ির পেছনে পাঠানো হয়। এ সময় পাশের বাড়ির সুমন তার মুখ চেপে ধরে জোরপূর্বক তাদের বাড়ির রান্নাঘরে নিয়ে যান বলে অভিযোগ করা হয়েছে। সেখানে তাকে ধর্ষণ করা হয়েছে বলেও মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়।
ঘটনার পর ভয়ে ওই ছাত্রী তাৎক্ষণিকভাবে পরিবারের সদস্যদের বিষয়টি জানায়নি। পরে সে বিষয়টি তার এক বান্ধবীকে জানায়। ওই বান্ধবীর মাধ্যমে ঘটনাটি ভুক্তভোগীর মায়ের কাছে পৌঁছায়। এরপর পরিবারের সদস্যরা বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করেন।
পরে স্থানীয় এক সচেতন নারীর পরামর্শে ঘটনার ছয় দিন পর বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় ভুক্তভোগীর মা মনপুরা থানায় গিয়ে মামলা দায়ের করেন।
মামলা দায়েরের পর ঘটনাটি এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয়দের মধ্যে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। এলাকাবাসী ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্তের পাশাপাশি অভিযোগের সত্যতা প্রমাণিত হলে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।
মনপুরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাজহারুল ইসলাম মামলা হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, “ধর্ষণের ঘটনায় থানায় মামলা হয়েছে। মামলার আসামিকে গ্রেপ্তারের জন্য পুলিশ অভিযান পরিচালনা করছে।” পুলিশ জানিয়েছে, মামলার অভিযোগ তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। তদন্তে প্রাপ্ত তথ্য ও প্রমাণের ভিত্তিতে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
অপ্রাপ্তবয়স্ক ভুক্তভোগীর পরিচয় আইনগত ও মানবিক কারণে গোপন রাখা হয়েছে। মামলায় আনা অভিযোগের সত্যতা তদন্ত ও বিচারিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে নির্ধারিত হবে।

আপনার মতামত লিখুন