স্থানীয় সূত্র ও সুফিয়া আক্তারের ভাষ্য অনুযায়ী, করাব ইউনিয়নের সিংহগ্রামের ইনছান আলীর মেয়ে সুফিয়ার সঙ্গে মুড়িয়াউক গ্রামের হারুন মিয়ার ছেলে রায়হান উদ্দীনের প্রায় দুই বছর আগে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে পরিচয় হয়। পরবর্তীতে নিয়মিত ফোনে যোগাযোগের একপর্যায়ে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে বলে দাবি সুফিয়ার।
সুফিয়ার দাবি, সম্পর্ক ঘনিষ্ঠ হওয়ার পর রায়হান তাকে ঢাকার পুরান ঢাকার চানখারপুল এলাকার একটি বাসায় নিয়ে যান। সেখানে প্রায় এক সপ্তাহ থাকার সময় তাদের মধ্যে একাধিকবার শারীরিক সম্পর্ক হয় বলেও দাবি করেন তিনি। পরে রায়হান তাকে ঢাকার একটি সড়কে রেখে চলে যান বলে অভিযোগ করেন সুফিয়া।
সুফিয়া বলেন, রায়হান তাকে বিয়ে করে স্ত্রীর মর্যাদা না দেওয়া পর্যন্ত তিনি তার বাড়ি থেকে যাবেন না। রায়হানের কারণে তার আগের স্বামীও তাকে তালাক দিয়ে অন্যত্র বিয়ে করেছেন বলে দাবি করেন তিনি। বর্তমানে তার যাওয়ার মতো আর কোনো জায়গা নেই বলেও জানান সুফিয়া।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সুফিয়ার আগে সিংহগ্রামের মৃত আদম আলীর ছেলে সুবেলের সঙ্গে বিয়ে হয়েছিল। প্রায় তিন মাস ধরে তিনি ওই স্বামীর কাছ থেকে আলাদা রয়েছেন বলে জানা গেছে।
এদিকে বিষয়টি মীমাংসার উদ্যোগ নেওয়া হলেও রায়হানের পরিবার রাজি না হওয়ায় তা সম্ভব হয়নি বলে জানিয়েছেন স্থানীয় ওয়ার্ড সদস্য নুরে আলম। তিনি বলেন, বিষয়টি সমাধানের জন্য চেষ্টা করা হয়েছিল। কিন্তু রায়হানের পক্ষ সম্মত না হওয়ায় সেটি শেষ করা সম্ভব হয়নি।
সরেজমিনে দেখা যায়, রায়হানের বাড়িতে অবস্থান নিয়ে স্ত্রীর স্বীকৃতির দাবিতে অনশন করছেন সুফিয়া আক্তার। তাকে দেখতে সেখানে স্থানীয় লোকজনের ভিড়ও দেখা যায়। ঘটনাটি ঘিরে এলাকায় নানা আলোচনা ও গুঞ্জন চলছে।
তবে সুফিয়ার অভিযোগের বিষয়ে রায়হান উদ্দীন ও তার পরিবারের বক্তব্য জানতে তাদের বাড়িতে গিয়ে কাউকে পাওয়া যায়নি। ফলে তাদের বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।
লাখাই থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শরীফ আহমেদ বলেন, এ বিষয়ে এখনো কেউ থানায় কোনো তথ্য দেয়নি। অভিযোগ পাওয়া গেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
স্থানীয়রা জানান, ঘটনাটি কেন্দ্র করে যাতে কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি তৈরি না হয়, সে জন্য সংশ্লিষ্টদের দ্রুত উদ্যোগ নেওয়া এবং প্রকৃত ঘটনা যাচাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন।
সূত্র: আমার দেশ

শুক্রবার, ১৪ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ আগস্ট ২০২৬
স্থানীয় সূত্র ও সুফিয়া আক্তারের ভাষ্য অনুযায়ী, করাব ইউনিয়নের সিংহগ্রামের ইনছান আলীর মেয়ে সুফিয়ার সঙ্গে মুড়িয়াউক গ্রামের হারুন মিয়ার ছেলে রায়হান উদ্দীনের প্রায় দুই বছর আগে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে পরিচয় হয়। পরবর্তীতে নিয়মিত ফোনে যোগাযোগের একপর্যায়ে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে বলে দাবি সুফিয়ার।
সুফিয়ার দাবি, সম্পর্ক ঘনিষ্ঠ হওয়ার পর রায়হান তাকে ঢাকার পুরান ঢাকার চানখারপুল এলাকার একটি বাসায় নিয়ে যান। সেখানে প্রায় এক সপ্তাহ থাকার সময় তাদের মধ্যে একাধিকবার শারীরিক সম্পর্ক হয় বলেও দাবি করেন তিনি। পরে রায়হান তাকে ঢাকার একটি সড়কে রেখে চলে যান বলে অভিযোগ করেন সুফিয়া।
সুফিয়া বলেন, রায়হান তাকে বিয়ে করে স্ত্রীর মর্যাদা না দেওয়া পর্যন্ত তিনি তার বাড়ি থেকে যাবেন না। রায়হানের কারণে তার আগের স্বামীও তাকে তালাক দিয়ে অন্যত্র বিয়ে করেছেন বলে দাবি করেন তিনি। বর্তমানে তার যাওয়ার মতো আর কোনো জায়গা নেই বলেও জানান সুফিয়া।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সুফিয়ার আগে সিংহগ্রামের মৃত আদম আলীর ছেলে সুবেলের সঙ্গে বিয়ে হয়েছিল। প্রায় তিন মাস ধরে তিনি ওই স্বামীর কাছ থেকে আলাদা রয়েছেন বলে জানা গেছে।
এদিকে বিষয়টি মীমাংসার উদ্যোগ নেওয়া হলেও রায়হানের পরিবার রাজি না হওয়ায় তা সম্ভব হয়নি বলে জানিয়েছেন স্থানীয় ওয়ার্ড সদস্য নুরে আলম। তিনি বলেন, বিষয়টি সমাধানের জন্য চেষ্টা করা হয়েছিল। কিন্তু রায়হানের পক্ষ সম্মত না হওয়ায় সেটি শেষ করা সম্ভব হয়নি।
সরেজমিনে দেখা যায়, রায়হানের বাড়িতে অবস্থান নিয়ে স্ত্রীর স্বীকৃতির দাবিতে অনশন করছেন সুফিয়া আক্তার। তাকে দেখতে সেখানে স্থানীয় লোকজনের ভিড়ও দেখা যায়। ঘটনাটি ঘিরে এলাকায় নানা আলোচনা ও গুঞ্জন চলছে।
তবে সুফিয়ার অভিযোগের বিষয়ে রায়হান উদ্দীন ও তার পরিবারের বক্তব্য জানতে তাদের বাড়িতে গিয়ে কাউকে পাওয়া যায়নি। ফলে তাদের বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।
লাখাই থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শরীফ আহমেদ বলেন, এ বিষয়ে এখনো কেউ থানায় কোনো তথ্য দেয়নি। অভিযোগ পাওয়া গেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
স্থানীয়রা জানান, ঘটনাটি কেন্দ্র করে যাতে কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি তৈরি না হয়, সে জন্য সংশ্লিষ্টদের দ্রুত উদ্যোগ নেওয়া এবং প্রকৃত ঘটনা যাচাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন।
সূত্র: আমার দেশ

আপনার মতামত লিখুন