২০১৫ সালে নাসার মহাকাশযান ‘নিউ হরাইজনস’ প্লুটোর পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় এর ভূপৃষ্ঠের ছবি ধারণ করে। নাসার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ওই ছবিগুলোর নতুন বিশ্লেষণেই তরল পদার্থের উপস্থিতি সম্পর্কে এই তথ্য পাওয়া গেছে।
প্লুটোর ‘স্পুটনিক প্লানিটিয়া’ অঞ্চলে তরল পদার্থের উপস্থিতির প্রমাণ পাওয়া গেছে। বিশাল এই হিমায়িত নাইট্রোজেনের হিমবাহটির আয়তন যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাস ও ওকলাহোমা অঙ্গরাজ্যের সম্মিলিত আয়তনের চেয়েও বেশি। নিউ হরাইজনসের ধারণ করা ওই এলাকার উত্তর অংশের ছবিতে বেশ কিছু ভূতাত্ত্বিক কাঠামোও দেখা গেছে।
ছবিতে সরু কালো রেখার পাশাপাশি চওড়া দাগের অস্তিত্ব পাওয়া যায়। গবেষকদের মতে, এসব চিহ্নের মাধ্যমে বোঝা যায়, ওই এলাকায় কোনো একসময় তরল পদার্থ প্রবাহিত হয়েছিল।
প্লুটোর গ্রহবিজ্ঞান এবং পৃথিবীর হিমবাহ নিয়ে কাজ করা বিশেষজ্ঞদের একটি দল এই গবেষণা পরিচালনা করেছে। গত ৩১ জুলাই ‘প্ল্যানেটারি সায়েন্স জার্নাল’-এ গবেষণাটি প্রকাশিত হয়। গবেষকদের দাবি, প্লুটোর ওই কালো অঞ্চলগুলো সময় সময় ভিজে যায়।
পৃথিবীর হিমবাহ বৃষ্টিপাত কিংবা ভূগর্ভ থেকে উঠে আসা তরলের কারণে যেভাবে ভিজে যায়, প্লুটোর ক্ষেত্রেও বিষয়টি অনেকটা একই রকম। তবে প্লুটোয় তরল নাইট্রোজেনের বৃষ্টিপাত হওয়া সম্ভব নয়। এ কারণে বিজ্ঞানীরা ধারণা করছেন, বরফের ফাটল দিয়ে ভূপৃষ্ঠের নিচে থাকা নাইট্রোজেনই ওপরে উঠে আসছে।
নিউ হরাইজনস মিশনের প্রধান গবেষক এবং এই গবেষণার মূল লেখক অ্যালান স্টার্ন বলেন, “প্লুটো আমাদের চমকে দেওয়া অব্যাহত রেখেছে।”
তার ভাষ্য অনুযায়ী, এই আবিষ্কার থেকে বোঝা যায়, প্লুটোর ভূপৃষ্ঠে সাম্প্রতিক সময়েও তরল পদার্থের উপস্থিতি ঘটেছে এবং সময়ের সঙ্গে বামন গ্রহটিতে নতুন ধরনের পরিবর্তন হচ্ছে।
সূত্র: বাংলাদেশ প্রতিদিন

রোববার, ১৬ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৬ আগস্ট ২০২৬
২০১৫ সালে নাসার মহাকাশযান ‘নিউ হরাইজনস’ প্লুটোর পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় এর ভূপৃষ্ঠের ছবি ধারণ করে। নাসার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ওই ছবিগুলোর নতুন বিশ্লেষণেই তরল পদার্থের উপস্থিতি সম্পর্কে এই তথ্য পাওয়া গেছে।
প্লুটোর ‘স্পুটনিক প্লানিটিয়া’ অঞ্চলে তরল পদার্থের উপস্থিতির প্রমাণ পাওয়া গেছে। বিশাল এই হিমায়িত নাইট্রোজেনের হিমবাহটির আয়তন যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাস ও ওকলাহোমা অঙ্গরাজ্যের সম্মিলিত আয়তনের চেয়েও বেশি। নিউ হরাইজনসের ধারণ করা ওই এলাকার উত্তর অংশের ছবিতে বেশ কিছু ভূতাত্ত্বিক কাঠামোও দেখা গেছে।
ছবিতে সরু কালো রেখার পাশাপাশি চওড়া দাগের অস্তিত্ব পাওয়া যায়। গবেষকদের মতে, এসব চিহ্নের মাধ্যমে বোঝা যায়, ওই এলাকায় কোনো একসময় তরল পদার্থ প্রবাহিত হয়েছিল।
প্লুটোর গ্রহবিজ্ঞান এবং পৃথিবীর হিমবাহ নিয়ে কাজ করা বিশেষজ্ঞদের একটি দল এই গবেষণা পরিচালনা করেছে। গত ৩১ জুলাই ‘প্ল্যানেটারি সায়েন্স জার্নাল’-এ গবেষণাটি প্রকাশিত হয়। গবেষকদের দাবি, প্লুটোর ওই কালো অঞ্চলগুলো সময় সময় ভিজে যায়।
পৃথিবীর হিমবাহ বৃষ্টিপাত কিংবা ভূগর্ভ থেকে উঠে আসা তরলের কারণে যেভাবে ভিজে যায়, প্লুটোর ক্ষেত্রেও বিষয়টি অনেকটা একই রকম। তবে প্লুটোয় তরল নাইট্রোজেনের বৃষ্টিপাত হওয়া সম্ভব নয়। এ কারণে বিজ্ঞানীরা ধারণা করছেন, বরফের ফাটল দিয়ে ভূপৃষ্ঠের নিচে থাকা নাইট্রোজেনই ওপরে উঠে আসছে।
নিউ হরাইজনস মিশনের প্রধান গবেষক এবং এই গবেষণার মূল লেখক অ্যালান স্টার্ন বলেন, “প্লুটো আমাদের চমকে দেওয়া অব্যাহত রেখেছে।”
তার ভাষ্য অনুযায়ী, এই আবিষ্কার থেকে বোঝা যায়, প্লুটোর ভূপৃষ্ঠে সাম্প্রতিক সময়েও তরল পদার্থের উপস্থিতি ঘটেছে এবং সময়ের সঙ্গে বামন গ্রহটিতে নতুন ধরনের পরিবর্তন হচ্ছে।
সূত্র: বাংলাদেশ প্রতিদিন

আপনার মতামত লিখুন