‘কুষ্টিয়া সদর আসনের সংসদ সদস্য মুফতি আমির হামজা বলেছেন, বাংলাদেশের মধ্যে তাঁর নির্বাচনী আসনটি একটি স্বতন্ত্র আসন। তিনি বলেন, ‘আমি আগেই বলেছি, এখানকার সরকার আমি। আমার আসনে কোনো ধরনের চাঁদাবাজি চলবে না, ইনশাআল্লাহ।’
রোববার বাদ আসর কুষ্টিয়া শহরের ৬ রাস্তার মোড়ে জেলা জামায়াতে ইসলামী আয়োজিত এক সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন।
আমির হামজা বলেন, ‘কাউকে চাঁদা দেবেন না। কেউ চাঁদা চাইতে এলে বলবেন, এমপি সাহেবের কাছে দেওয়া আছে। সেখান থেকে ভাগ নিয়ে নেন। কার বাবার বুকের কলিজা কত বড়, সেটা আমি দেখব।’
সংসদ সদস্য আমির হামজার ওপর হামলার প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশের আয়োজন করা হয়।
সমাবেশে আমির হামজা বলেন, ‘এটা এখন আর অধিকার পরিষদ নেই, এটি গণধিকৃত পরিষদে পরিণত হয়েছে। আমি আপনাদের ভোটে নির্বাচিত একজন চলমান জনপ্রতিনিধি। আমার সামনে পুলিশের গাড়ি এবং পেছনেও পুলিশের গাড়ি ছিল। এরপরও যদি আমাকে হত্যার উদ্দেশ্যে হামলা করা হয়, তাহলে এদের সন্ত্রাসী বলতে আর কোনো বাধা নেই।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমার কুষ্টিয়ায় কোনো সন্ত্রাসের স্থান হবে না। আমরা যতদিন আছি, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী, ইসলামী ছাত্রশিবির ও কুষ্টিয়ার তৌহিদি জনতা কোনো সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড হতে দেব না।’
প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ‘কোনো দলের তাবেদারি করা যাবে না। আপনারা সরকারের লোক, সরকারের দায়িত্ব পালন করবেন। কুষ্টিয়ার ডিসি, এসপি, ওসি ও ইউএনও যারা দায়িত্বে আছেন, জনগণের জন্য কাজ করলে আপনারা কুষ্টিয়ায় থাকবেন। তা না হলে আমরা আপনাদের বিদায় করতে বাধ্য হব।’
আমির হামজা বলেন, ‘আল্লাহর নামে শপথ নিয়ে প্রতিদিন আমাদের বাড়ি থেকে বের হতে হয়। বাংলাদেশের মধ্যে আমার আসন একটি আলাদা আসন। আমি আগেই বলেছি, এখানকার সরকার আমি। আমার আসনে কোনো চাঁদাবাজি চলবে না, ইনশাআল্লাহ।’
তিনি আরও বলেন, ‘বাংলাদেশের এই ৫৫ বছরে জামায়াত-শিবিরের বিরুদ্ধে যে গেম খেলা হয়েছে—রাজাকার, আলবদর, জঙ্গি—এসব ভারতের একটি নাটক। বাংলাদেশে এই নাটক আর কেউ খায় না, ভবিষ্যতেও খাবে না, ইনশাআল্লাহ।’
তিনি বলেন, ‘আমরা সন্ত্রাসীদের জানিয়ে দিতে চাই, বাংলাদেশে জামায়াতে ইসলামী ও ছাত্রশিবিরের ওপর কেউ যদি এ ধরনের ট্যাগ দিতে চায়, তাহলে আমি স্পষ্টভাবে বলতে চাই—আল্লামা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদী সংসদে বলেছিলেন, যারা আমাকে রাজাকার বলে, তারা পিতৃপরিচয়হীন অবৈধ সন্তান। এখন থেকে কেউ যদি জামায়াতে ইসলামী ও শিবিরের ওপর এ ধরনের ট্যাগ দেয়, তাহলে আমি ঘোষণা দিলাম, ওইগুলো ওইরকম (জারজ)।’
সমাবেশে কুষ্টিয়া-৪ আসনের সংসদ সদস্য আফজাল হোসেন বলেন, ‘গতকাল প্রায় এই সময় এই এলাকার কিছু কুলাঙ্গার, পরিচয়হীন জারজ সন্তান আমির হামজার ওপর হামলা করেছে। আমির হামজা শুধু কুষ্টিয়ার সম্পদ নন, তিনি সারা বিশ্বের কোটি কোটি মানুষের সম্পদ। তাঁর কোনো ক্ষতি হলে সারা বিশ্বের কোটি কোটি মানুষ রাস্তায় নেমে আসবে।’
সমাবেশে জেলা জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি মাওলানা এনামুল হক, সাবেক সেক্রেটারি সুজাউদ্দিন জোয়ার্দ্দারসহ জেলা জামায়াতের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
এর আগে বিকেলে জামায়াতের নেতাকর্মীরা জেলা প্রশাসকের কার্যালয় চত্বরে জড়ো হন। বাদ আসর সেখান থেকে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের হয়ে শহরের প্রধান সড়কগুলো প্রদক্ষিণ করে। পরে মিছিলটি শহরের ৬ রাস্তার মোড়ে গিয়ে সমাবেশে মিলিত হয়।
সূত্র: আমার দেশ

সোমবার, ১৭ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৬ আগস্ট ২০২৬
‘কুষ্টিয়া সদর আসনের সংসদ সদস্য মুফতি আমির হামজা বলেছেন, বাংলাদেশের মধ্যে তাঁর নির্বাচনী আসনটি একটি স্বতন্ত্র আসন। তিনি বলেন, ‘আমি আগেই বলেছি, এখানকার সরকার আমি। আমার আসনে কোনো ধরনের চাঁদাবাজি চলবে না, ইনশাআল্লাহ।’
রোববার বাদ আসর কুষ্টিয়া শহরের ৬ রাস্তার মোড়ে জেলা জামায়াতে ইসলামী আয়োজিত এক সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন।
আমির হামজা বলেন, ‘কাউকে চাঁদা দেবেন না। কেউ চাঁদা চাইতে এলে বলবেন, এমপি সাহেবের কাছে দেওয়া আছে। সেখান থেকে ভাগ নিয়ে নেন। কার বাবার বুকের কলিজা কত বড়, সেটা আমি দেখব।’
সংসদ সদস্য আমির হামজার ওপর হামলার প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশের আয়োজন করা হয়।
সমাবেশে আমির হামজা বলেন, ‘এটা এখন আর অধিকার পরিষদ নেই, এটি গণধিকৃত পরিষদে পরিণত হয়েছে। আমি আপনাদের ভোটে নির্বাচিত একজন চলমান জনপ্রতিনিধি। আমার সামনে পুলিশের গাড়ি এবং পেছনেও পুলিশের গাড়ি ছিল। এরপরও যদি আমাকে হত্যার উদ্দেশ্যে হামলা করা হয়, তাহলে এদের সন্ত্রাসী বলতে আর কোনো বাধা নেই।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমার কুষ্টিয়ায় কোনো সন্ত্রাসের স্থান হবে না। আমরা যতদিন আছি, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী, ইসলামী ছাত্রশিবির ও কুষ্টিয়ার তৌহিদি জনতা কোনো সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড হতে দেব না।’
প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ‘কোনো দলের তাবেদারি করা যাবে না। আপনারা সরকারের লোক, সরকারের দায়িত্ব পালন করবেন। কুষ্টিয়ার ডিসি, এসপি, ওসি ও ইউএনও যারা দায়িত্বে আছেন, জনগণের জন্য কাজ করলে আপনারা কুষ্টিয়ায় থাকবেন। তা না হলে আমরা আপনাদের বিদায় করতে বাধ্য হব।’
আমির হামজা বলেন, ‘আল্লাহর নামে শপথ নিয়ে প্রতিদিন আমাদের বাড়ি থেকে বের হতে হয়। বাংলাদেশের মধ্যে আমার আসন একটি আলাদা আসন। আমি আগেই বলেছি, এখানকার সরকার আমি। আমার আসনে কোনো চাঁদাবাজি চলবে না, ইনশাআল্লাহ।’
তিনি আরও বলেন, ‘বাংলাদেশের এই ৫৫ বছরে জামায়াত-শিবিরের বিরুদ্ধে যে গেম খেলা হয়েছে—রাজাকার, আলবদর, জঙ্গি—এসব ভারতের একটি নাটক। বাংলাদেশে এই নাটক আর কেউ খায় না, ভবিষ্যতেও খাবে না, ইনশাআল্লাহ।’
তিনি বলেন, ‘আমরা সন্ত্রাসীদের জানিয়ে দিতে চাই, বাংলাদেশে জামায়াতে ইসলামী ও ছাত্রশিবিরের ওপর কেউ যদি এ ধরনের ট্যাগ দিতে চায়, তাহলে আমি স্পষ্টভাবে বলতে চাই—আল্লামা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদী সংসদে বলেছিলেন, যারা আমাকে রাজাকার বলে, তারা পিতৃপরিচয়হীন অবৈধ সন্তান। এখন থেকে কেউ যদি জামায়াতে ইসলামী ও শিবিরের ওপর এ ধরনের ট্যাগ দেয়, তাহলে আমি ঘোষণা দিলাম, ওইগুলো ওইরকম (জারজ)।’
সমাবেশে কুষ্টিয়া-৪ আসনের সংসদ সদস্য আফজাল হোসেন বলেন, ‘গতকাল প্রায় এই সময় এই এলাকার কিছু কুলাঙ্গার, পরিচয়হীন জারজ সন্তান আমির হামজার ওপর হামলা করেছে। আমির হামজা শুধু কুষ্টিয়ার সম্পদ নন, তিনি সারা বিশ্বের কোটি কোটি মানুষের সম্পদ। তাঁর কোনো ক্ষতি হলে সারা বিশ্বের কোটি কোটি মানুষ রাস্তায় নেমে আসবে।’
সমাবেশে জেলা জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি মাওলানা এনামুল হক, সাবেক সেক্রেটারি সুজাউদ্দিন জোয়ার্দ্দারসহ জেলা জামায়াতের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
এর আগে বিকেলে জামায়াতের নেতাকর্মীরা জেলা প্রশাসকের কার্যালয় চত্বরে জড়ো হন। বাদ আসর সেখান থেকে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের হয়ে শহরের প্রধান সড়কগুলো প্রদক্ষিণ করে। পরে মিছিলটি শহরের ৬ রাস্তার মোড়ে গিয়ে সমাবেশে মিলিত হয়।
সূত্র: আমার দেশ

আপনার মতামত লিখুন