সোমবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে এ অভিযোগ করেন সাদিক কায়েম।
পোস্টে তিনি জানান, এফএইচ হলের এক শিক্ষার্থীকে প্রভোস্টের কক্ষে আটকে নির্যাতনের অভিযোগের প্রতিবাদে শিক্ষার্থীরা আন্দোলন করছিলেন। একই সঙ্গে ওই ঘটনার সিসিটিভি ফুটেজ প্রকাশ এবং প্রভোস্টের অপসারণের দাবিও জানানো হচ্ছিল। তার অভিযোগ, এই আন্দোলনের বিরোধিতা করে গভীর রাতে ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা হামলা চালান।
সাদিক কায়েম আরও দাবি করেন, শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের সঙ্গে সংহতি জানাতে আসা ডাকসু ও বিভিন্ন হল সংসদের নেতাদেরও হামলার লক্ষ্য করা হয়। এতে এফএইচ হল সংসদের নির্বাচিত ভিপি ও জিএসসহ অন্তত ১০ জন আহত হন।
তার অভিযোগ, শিক্ষার্থীদের সম্মিলিত আন্দোলনের কারণে প্রভোস্ট ও প্রশাসন ‘ভীত’ হয়ে গভীর রাত পর্যন্ত ‘তালবাহানা’ করার পর ছাত্রদলের বহিরাগত নেতাকর্মীদের এনে হলে হামলা চালানো হয়েছে।
পোস্টে আরও উল্লেখ করা হয়, হামলাকারীরা এফএইচ হলের অফিসে অন্য হল থেকে আসা কাউকে অবস্থান করতে দেবে না বলে জানায়। তবে হামলার ঘটনায় এফএইচ হলের নির্বাচিত প্রতিনিধিরাও আহত হয়েছেন বলে দাবি করেন সাদিক কায়েম।
এদিকে, একটি জাতীয় দৈনিকে প্রকাশিত প্রতিবেদনের স্ক্রিনশটও নিজের পোস্টের সঙ্গে যুক্ত করেন ডাকসু ভিপি। ওই প্রতিবেদনে প্রভোস্টের কক্ষে নির্যাতনের শিকার হওয়া শিক্ষার্থীর বক্তব্য রয়েছে।
সাদিক কায়েমের ভাষ্য, এই হামলার ঘটনায় ছাত্রদলের পাশাপাশি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের ‘নগ্ন চেহারা’ও প্রকাশ পেয়েছে।
সূত্র: আমার দেশ।

সোমবার, ১৭ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৭ আগস্ট ২০২৬
সোমবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে এ অভিযোগ করেন সাদিক কায়েম।
পোস্টে তিনি জানান, এফএইচ হলের এক শিক্ষার্থীকে প্রভোস্টের কক্ষে আটকে নির্যাতনের অভিযোগের প্রতিবাদে শিক্ষার্থীরা আন্দোলন করছিলেন। একই সঙ্গে ওই ঘটনার সিসিটিভি ফুটেজ প্রকাশ এবং প্রভোস্টের অপসারণের দাবিও জানানো হচ্ছিল। তার অভিযোগ, এই আন্দোলনের বিরোধিতা করে গভীর রাতে ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা হামলা চালান।
সাদিক কায়েম আরও দাবি করেন, শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের সঙ্গে সংহতি জানাতে আসা ডাকসু ও বিভিন্ন হল সংসদের নেতাদেরও হামলার লক্ষ্য করা হয়। এতে এফএইচ হল সংসদের নির্বাচিত ভিপি ও জিএসসহ অন্তত ১০ জন আহত হন।
তার অভিযোগ, শিক্ষার্থীদের সম্মিলিত আন্দোলনের কারণে প্রভোস্ট ও প্রশাসন ‘ভীত’ হয়ে গভীর রাত পর্যন্ত ‘তালবাহানা’ করার পর ছাত্রদলের বহিরাগত নেতাকর্মীদের এনে হলে হামলা চালানো হয়েছে।
পোস্টে আরও উল্লেখ করা হয়, হামলাকারীরা এফএইচ হলের অফিসে অন্য হল থেকে আসা কাউকে অবস্থান করতে দেবে না বলে জানায়। তবে হামলার ঘটনায় এফএইচ হলের নির্বাচিত প্রতিনিধিরাও আহত হয়েছেন বলে দাবি করেন সাদিক কায়েম।
এদিকে, একটি জাতীয় দৈনিকে প্রকাশিত প্রতিবেদনের স্ক্রিনশটও নিজের পোস্টের সঙ্গে যুক্ত করেন ডাকসু ভিপি। ওই প্রতিবেদনে প্রভোস্টের কক্ষে নির্যাতনের শিকার হওয়া শিক্ষার্থীর বক্তব্য রয়েছে।
সাদিক কায়েমের ভাষ্য, এই হামলার ঘটনায় ছাত্রদলের পাশাপাশি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের ‘নগ্ন চেহারা’ও প্রকাশ পেয়েছে।
সূত্র: আমার দেশ।

আপনার মতামত লিখুন