ঢাকা    সোমবার, ১৭ আগস্ট ২০২৬, ২ ভাদ্র ১৪৩৩
ইনসাফ টাইম ২৪

জাতীয়

হৃদরোগের ঝুঁকি কমাতে খাদ্যপণ্যে ট্রান্স ফ্যাটের সর্বোচ্চ সীমা ২ শতাংশ

হৃদরোগের ঝুঁকি কমাতে খাদ্যপণ্যে ট্রান্স ফ্যাটের সর্বোচ্চ সীমা ২ শতাংশ
হৃদরোগের ঝুঁকি কমাতে খাদ্যপণ্যে ট্রান্স ফ্যাটের সর্বোচ্চ সীমা ২ শতাংশ

হৃদরোগসহ বিভিন্ন অসংক্রামক রোগের ঝুঁকি কমানোর লক্ষ্যে খাদ্যপণ্যে শিল্পোৎপাদিত ট্রান্স ফ্যাটি অ্যাসিড (টিএফএ) নিয়ন্ত্রণে নতুন উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশন (বিএসটিআই)। এর আওতায় ভোজ্যতেল, বনস্পতি, লাচ্চা সেমাই, কেক, চিপস ও চানাচুরসহ বিভিন্ন খাদ্যপণ্যে ট্রান্স ফ্যাটের সর্বোচ্চ মাত্রা ২ শতাংশ নির্ধারণ করে মান প্রণয়ন করা হয়েছে।

সোমবার ঢাকার তেজগাঁওয়ে বিএসটিআইয়ের প্রধান কার্যালয়ে বিএসটিআই ও ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন অব বাংলাদেশের যৌথ আয়োজনে ‘বাংলাদেশে টিএফএমুক্ত ভোজ্যতেল ও পিএইচও (পার্শিয়ালি হাইড্রোজেনেটেড অয়েল) উৎপাদন উৎসাহিতকরণ’ শীর্ষক অংশীজন পরামর্শ সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় এসব বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হয়। পরে সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে তথ্যগুলো জানায় বিএসটিআই।

সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন বিএসটিআই মহাপরিচালক (সচিব) কাজী ইমদাদুল হক। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশনের অধ্যাপক ডা. সোহেল রেজা চৌধুরী। রিসোর্স পারসন ছিলেন বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. মো. আব্দুল আলীম।

অনুষ্ঠানে বসুন্ধরা গ্রুপ, সিটি গ্রুপ, টিকে গ্রুপ, বাংলাদেশ এডিবল অয়েল, মেঘনা গ্রুপসহ দেশের বিভিন্ন ভোজ্যতেল উৎপাদন ও পরিশোধনকারী প্রতিষ্ঠান এবং গবেষণা প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা অংশ নেন।

সভায় ‘অসংক্রামক রোগ নিয়ন্ত্রণে এসডিজির তাগিদ এবং সরকারের অগ্রাধিকার’ শীর্ষক উপস্থাপনা করেন বিএসটিআইয়ের উপপরিচালক (কৃষি ও খাদ্য) এনামুল হক।

বিএসটিআই মহাপরিচালক (সচিব) কাজী ইমদাদুল হক বলেন, ট্রান্স ফ্যাটমুক্ত নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে উৎপাদক ও ব্যবসায়ীদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। শিল্পখাতের বাস্তব সমস্যা, প্রযুক্তিগত সক্ষমতা এবং উৎপাদন প্রক্রিয়ার বিষয়গুলো বিবেচনায় নিয়ে সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের সঙ্গে সমন্বয় করে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হবে বলে জানান তিনি।

শিল্পোৎপাদিত ট্রান্স ফ্যাটি অ্যাসিড হৃদরোগসহ বিভিন্ন অসংক্রামক রোগের অন্যতম ঝুঁকি হিসেবে বিশ্বব্যাপী স্বীকৃত। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা খাদ্য সরবরাহ ব্যবস্থা থেকে ট্রান্স ফ্যাট নির্মূলকে অকালমৃত্যু প্রতিরোধের একটি কার্যকর ও ব্যয়সাশ্রয়ী পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচনা করে।

এ পরিস্থিতিতে বাংলাদেশ সরকার ‘খাদ্যদ্রব্যে ট্রান্স ফ্যাটি অ্যাসিড (টিএফএ) নিয়ন্ত্রণ প্রবিধানমালা, ২০২১’ প্রণয়ন করেছে। প্রবিধানটির কার্যকর বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে বিএসটিআই বনস্পতি ও নন-ডেইরি ভেজিটেবল ঘি-এর জন্য নির্ধারিত বাংলাদেশ জাতীয় মান সংশোধন করেছে।

সূত্র: আমার দেশ

আপনার মতামত লিখুন

ইনসাফ টাইম ২৪

সোমবার, ১৭ আগস্ট ২০২৬


হৃদরোগের ঝুঁকি কমাতে খাদ্যপণ্যে ট্রান্স ফ্যাটের সর্বোচ্চ সীমা ২ শতাংশ

প্রকাশের তারিখ : ১৭ আগস্ট ২০২৬

featured Image

হৃদরোগসহ বিভিন্ন অসংক্রামক রোগের ঝুঁকি কমানোর লক্ষ্যে খাদ্যপণ্যে শিল্পোৎপাদিত ট্রান্স ফ্যাটি অ্যাসিড (টিএফএ) নিয়ন্ত্রণে নতুন উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশন (বিএসটিআই)। এর আওতায় ভোজ্যতেল, বনস্পতি, লাচ্চা সেমাই, কেক, চিপস ও চানাচুরসহ বিভিন্ন খাদ্যপণ্যে ট্রান্স ফ্যাটের সর্বোচ্চ মাত্রা ২ শতাংশ নির্ধারণ করে মান প্রণয়ন করা হয়েছে।

সোমবার ঢাকার তেজগাঁওয়ে বিএসটিআইয়ের প্রধান কার্যালয়ে বিএসটিআই ও ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন অব বাংলাদেশের যৌথ আয়োজনে ‘বাংলাদেশে টিএফএমুক্ত ভোজ্যতেল ও পিএইচও (পার্শিয়ালি হাইড্রোজেনেটেড অয়েল) উৎপাদন উৎসাহিতকরণ’ শীর্ষক অংশীজন পরামর্শ সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় এসব বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হয়। পরে সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে তথ্যগুলো জানায় বিএসটিআই।

সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন বিএসটিআই মহাপরিচালক (সচিব) কাজী ইমদাদুল হক। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশনের অধ্যাপক ডা. সোহেল রেজা চৌধুরী। রিসোর্স পারসন ছিলেন বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. মো. আব্দুল আলীম।

অনুষ্ঠানে বসুন্ধরা গ্রুপ, সিটি গ্রুপ, টিকে গ্রুপ, বাংলাদেশ এডিবল অয়েল, মেঘনা গ্রুপসহ দেশের বিভিন্ন ভোজ্যতেল উৎপাদন ও পরিশোধনকারী প্রতিষ্ঠান এবং গবেষণা প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা অংশ নেন।

সভায় ‘অসংক্রামক রোগ নিয়ন্ত্রণে এসডিজির তাগিদ এবং সরকারের অগ্রাধিকার’ শীর্ষক উপস্থাপনা করেন বিএসটিআইয়ের উপপরিচালক (কৃষি ও খাদ্য) এনামুল হক।

বিএসটিআই মহাপরিচালক (সচিব) কাজী ইমদাদুল হক বলেন, ট্রান্স ফ্যাটমুক্ত নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে উৎপাদক ও ব্যবসায়ীদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। শিল্পখাতের বাস্তব সমস্যা, প্রযুক্তিগত সক্ষমতা এবং উৎপাদন প্রক্রিয়ার বিষয়গুলো বিবেচনায় নিয়ে সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের সঙ্গে সমন্বয় করে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হবে বলে জানান তিনি।

শিল্পোৎপাদিত ট্রান্স ফ্যাটি অ্যাসিড হৃদরোগসহ বিভিন্ন অসংক্রামক রোগের অন্যতম ঝুঁকি হিসেবে বিশ্বব্যাপী স্বীকৃত। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা খাদ্য সরবরাহ ব্যবস্থা থেকে ট্রান্স ফ্যাট নির্মূলকে অকালমৃত্যু প্রতিরোধের একটি কার্যকর ও ব্যয়সাশ্রয়ী পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচনা করে।

এ পরিস্থিতিতে বাংলাদেশ সরকার ‘খাদ্যদ্রব্যে ট্রান্স ফ্যাটি অ্যাসিড (টিএফএ) নিয়ন্ত্রণ প্রবিধানমালা, ২০২১’ প্রণয়ন করেছে। প্রবিধানটির কার্যকর বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে বিএসটিআই বনস্পতি ও নন-ডেইরি ভেজিটেবল ঘি-এর জন্য নির্ধারিত বাংলাদেশ জাতীয় মান সংশোধন করেছে।

সূত্র: আমার দেশ


ইনসাফ টাইম ২৪

প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান - মোঃ জাকারিয়া আহম্মেদ 
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক - মোঃ আতিকুল ইসলাম
প্রকাশক ও নির্বাহী সম্পাদক - মোঃ রাকিব হোসাইন হৃদয় 
সহ-সম্পাদক- মোঃ জাকারিয়া হোসেন
বার্তা সম্পাদক - মোঃ ওলিউল্লাহ

কপিরাইট © ২০২৬ ইনসাফ টাইম ২৪ । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
হৃদরোগের ঝুঁকি কমাতে খাদ্যপণ্যে ট্রান্স ফ্যাটের সর্বোচ্চ সীমা ২ শতাংশ
0:00 0:00
1.0x