তিনি বলেন, হকারদের কর্মসংস্থানের সুযোগ বজায় রাখার পাশাপাশি পথচারী ও যান চলাচল স্বাভাবিক রাখা, সড়কে শৃঙ্খলা নিশ্চিত করা এবং নিরাপদ, পথচারীবান্ধব ও স্বাস্থ্যসম্মত নগর গড়ে তোলাই প্রস্তাবিত হকার ব্যবস্থাপনা নীতিমালার প্রধান উদ্দেশ্য।
নগর ভবনে হকার ব্যবস্থাপনা নিয়ে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় হকার প্রতিনিধিদের সামনে প্রস্তাবিত নীতিমালার বিভিন্ন বিষয় তুলে ধরে এসব কথা বলেন ডিএসসিসি প্রশাসক।
তিনি জানান, নিবন্ধিত হকারের ব্যবসার ধরন, নির্ধারিত জোন বা অবস্থান, স্টলের আয়তন, ব্যবসার সময় এবং মাসিক ফি নিবন্ধন সনদে স্পষ্টভাবে উল্লেখ থাকবে। নিবন্ধিত হকারের জন্য বরাদ্দ করা জায়গা অন্য কেউ দখল করতে পারবেন না। একই সঙ্গে ওই স্থান ব্যবহারের বিনিময়ে হকারদের কাছে কেউ চাঁদাও দাবি করতে পারবেন না।
ডিএসসিসি প্রশাসক বলেন, হকার নিবন্ধনের জন্য এককালীন ৫ হাজার টাকা এবং প্রতি বছর নবায়ন বাবদ ২ হাজার ৫০০ টাকা নেওয়ার প্রস্তাব করা হয়েছে। এ ছাড়া সিটি করপোরেশনের জায়গা ব্যবহার, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ও সার্বিক ব্যবস্থাপনা বাবদ প্রতি হকারের কাছ থেকে মাসে ৩ হাজার টাকা ফি নির্ধারণের প্রস্তাব রয়েছে।
নিবন্ধিত প্রত্যেক হকারকে পরিচয়সংবলিত স্মার্ট কার্ড বা লাইসেন্স দেওয়ার কথা জানিয়ে তিনি বলেন, কার্ডে বারকোড ও কিউআর কোড থাকবে। এর মাধ্যমে প্রয়োজন হলে ট্রাফিক পুলিশসহ সংশ্লিষ্টরা সহজেই কার্ডের তথ্য যাচাই করতে পারবেন। লাইসেন্স অন্যের কাছে হস্তান্তর করা যাবে না। কোনো হকার ব্যবসা বন্ধ করতে চাইলে সিটি করপোরেশনকে বিষয়টি জানাতে হবে।
তিনি আরও বলেন, কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছাড়া হকাররা ব্যবসার ধরন পরিবর্তন করতে পারবেন না। নির্ধারিত মাপের চেয়ে বড় স্টল বা ভ্যান করা যাবে না এবং বরাদ্দকৃত জায়গার বাইরে অতিরিক্ত স্থান দখল করা নিষিদ্ধ থাকবে। শর্ত লঙ্ঘন করলে কর্তৃপক্ষ সতর্ক করার পাশাপাশি প্রয়োজন হলে নিবন্ধন বাতিল করতে পারবে।
আব্দুস সালাম জানান, আবেদন পাওয়ার এক মাসের মধ্যে এবং জায়গা খালি থাকা সাপেক্ষে নিবন্ধন প্রক্রিয়া শেষ করে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত দেওয়া হবে। নিবন্ধনের আবেদনকারীকে কমপক্ষে ১৮ বছর বয়সী এবং বাংলাদেশের নাগরিক হতে হবে। একটি পরিবারের জন্য একটি লাইসেন্স দেওয়ার প্রস্তাব রাখা হয়েছে।
নিবন্ধিত হকারদের হালনাগাদ তালিকা ডিএসসিসির ওয়েবসাইট ও নোটিশ বোর্ডে প্রকাশ করা হবে বলেও জানান প্রশাসক। সেখানে হকারের নাম, পরিচয়, ঠিকানা ও ব্যবসার ধরনসহ প্রয়োজনীয় তথ্য থাকবে। এর মাধ্যমে নিবন্ধিত হকারদের ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করা সম্ভব হবে বলে তিনি জানান।
পথচারীদের চলাচলের বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে তিনি বলেন, হকার বসানোর জন্য এমন সড়ক ও ফুটপাত নির্বাচন করা হবে, যেখানে হকার বসার পরও পথচারীদের চলাচলের জন্য অন্তত ৫ থেকে ৬ ফুট জায়গা খালি থাকে।
প্রধান সড়কে হকার বসতে পারবেন না। মেট্রো স্টেশন, বাসস্টপ ও গুরুত্বপূর্ণ মোড় থেকেও নির্দিষ্ট দূরত্ব বজায় রাখতে হবে, যাতে যানজটের সৃষ্টি না হয়।
ডিএসসিসি প্রশাসক জানান, সাপ্তাহিক ও সরকারি ছুটির দিনে নির্ধারিত স্থানে ‘হলিডে মার্কেট’ এবং অফিস সময় শেষ হওয়ার পর বাণিজ্যিক ও জনবহুল এলাকায় ‘নৈশকালীন মার্কেট’ চালুর পরিকল্পনা রয়েছে। হলিডে মার্কেটে খাবারের পাশাপাশি হস্তশিল্প ও গৃহস্থালি পণ্যকে গুরুত্ব দেওয়া হবে। নৈশকালীন মার্কেটের জন্য দিনের বেলায় ব্যস্ত কিন্তু রাতে তুলনামূলক ফাঁকা থাকা বাণিজ্যিক এলাকার নির্দিষ্ট লেন বিবেচনায় নেওয়া হবে।
তিনি বলেন, হলিডে ও নৈশকালীন মার্কেটের স্থান নির্বাচনের সময় পথচারী ও যান চলাচলে কোনো ধরনের বাধা সৃষ্টি না করার বিষয়টি গুরুত্ব পাবে। পাশাপাশি প্রতিবন্ধী ও নারীদের অগ্রাধিকার দেওয়ার কথাও জানান তিনি। খেলার মাঠ, স্কুল মাঠ, উপাসনালয়ের মাঠ ও কবরস্থানে কোনো মার্কেট বসানো যাবে না।
জনস্বার্থ ও নগর উন্নয়নের প্রয়োজনে কোনো এলাকাকে হকারমুক্ত ঘোষণা করা হলে সেটিকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে বলেও জানান ডিএসসিসি প্রশাসক। আবাসিক এলাকায় হকার বসানো নিরুৎসাহিত করা হবে। একই সঙ্গে লাইসেন্স ছাড়া ব্যবসা করা হকারদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার ক্ষমতা কর্তৃপক্ষের থাকবে।
খাদ্য বিক্রেতা হকারদের স্বাস্থ্যসম্মতভাবে খাবার প্রস্তুত ও বিক্রি নিশ্চিত করার ওপরও গুরুত্ব দেন তিনি। প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও স্বাস্থ্যবিধি না মেনে খাদ্য বিক্রির সুযোগ থাকবে না।
হকার ব্যবস্থাপনায় সিটি করপোরেশন ও পুলিশের সমন্বয়ে আঞ্চলিক ও কেন্দ্রীয় পর্যায়ে ব্যবস্থাপনা কমিটি গঠনের কথা জানান প্রশাসক। সংশ্লিষ্ট এলাকার হকারদের বিষয়গুলো স্থানীয় পর্যায়েই সমন্বয়ের মাধ্যমে দেখার কথা বলা হয়েছে। পাশাপাশি হকার সংগঠনের প্রতিনিধিদের সম্পৃক্ত করার বিষয়টিও আলোচনার মাধ্যমে বিবেচনা করা হবে।
মতবিনিময় সভায় হকার প্রতিনিধিরা প্রস্তাবিত নিবন্ধন ও মাসিক ফি কমানোর দাবি জানান। একই সঙ্গে হকারদের পুনর্বাসন, সংগঠনের প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করা এবং তুলনামূলক সংকীর্ণ ফুটপাতে হকার ব্যবস্থাপনা নিয়ে বিভিন্ন প্রস্তাব দেন তারা। প্রশাসক তাদের বক্তব্য শোনেন এবং প্রস্তাবিত নীতিমালার আলোকে বিষয়গুলো বিবেচনার আশ্বাস দেন।
সভায় হকার নেতারা রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে ব্যবসা করে আসা হকারদের সঠিক তালিকা তৈরির পাশাপাশি উপযুক্ত স্থানে পুনর্বাসনের দাবি জানান। বিশেষ করে পুরান ঢাকা ও জুরাইন এলাকার হকারদের নির্দিষ্ট স্থানে পুনর্বাসনের প্রস্তাবও তারা তুলে ধরেন।
ডিএসসিসি প্রশাসক বলেন, হকার ও নগরবাসী—উভয় পক্ষের স্বার্থ বিবেচনা করে একটি মানবিক ও কার্যকর ব্যবস্থাপনা গড়ে তুলতে চায় সিটি করপোরেশন। প্রস্তাবিত নীতিমালার মাধ্যমে হকারদের কর্মসংস্থানের সুযোগ বজায় রাখার পাশাপাশি রাজধানীর ফুটপাত ও সড়কে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা সম্ভব হবে।
সূত্র: দৈনিক ইত্তেফাক

সোমবার, ১৭ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৭ আগস্ট ২০২৬
তিনি বলেন, হকারদের কর্মসংস্থানের সুযোগ বজায় রাখার পাশাপাশি পথচারী ও যান চলাচল স্বাভাবিক রাখা, সড়কে শৃঙ্খলা নিশ্চিত করা এবং নিরাপদ, পথচারীবান্ধব ও স্বাস্থ্যসম্মত নগর গড়ে তোলাই প্রস্তাবিত হকার ব্যবস্থাপনা নীতিমালার প্রধান উদ্দেশ্য।
নগর ভবনে হকার ব্যবস্থাপনা নিয়ে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় হকার প্রতিনিধিদের সামনে প্রস্তাবিত নীতিমালার বিভিন্ন বিষয় তুলে ধরে এসব কথা বলেন ডিএসসিসি প্রশাসক।
তিনি জানান, নিবন্ধিত হকারের ব্যবসার ধরন, নির্ধারিত জোন বা অবস্থান, স্টলের আয়তন, ব্যবসার সময় এবং মাসিক ফি নিবন্ধন সনদে স্পষ্টভাবে উল্লেখ থাকবে। নিবন্ধিত হকারের জন্য বরাদ্দ করা জায়গা অন্য কেউ দখল করতে পারবেন না। একই সঙ্গে ওই স্থান ব্যবহারের বিনিময়ে হকারদের কাছে কেউ চাঁদাও দাবি করতে পারবেন না।
ডিএসসিসি প্রশাসক বলেন, হকার নিবন্ধনের জন্য এককালীন ৫ হাজার টাকা এবং প্রতি বছর নবায়ন বাবদ ২ হাজার ৫০০ টাকা নেওয়ার প্রস্তাব করা হয়েছে। এ ছাড়া সিটি করপোরেশনের জায়গা ব্যবহার, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ও সার্বিক ব্যবস্থাপনা বাবদ প্রতি হকারের কাছ থেকে মাসে ৩ হাজার টাকা ফি নির্ধারণের প্রস্তাব রয়েছে।
নিবন্ধিত প্রত্যেক হকারকে পরিচয়সংবলিত স্মার্ট কার্ড বা লাইসেন্স দেওয়ার কথা জানিয়ে তিনি বলেন, কার্ডে বারকোড ও কিউআর কোড থাকবে। এর মাধ্যমে প্রয়োজন হলে ট্রাফিক পুলিশসহ সংশ্লিষ্টরা সহজেই কার্ডের তথ্য যাচাই করতে পারবেন। লাইসেন্স অন্যের কাছে হস্তান্তর করা যাবে না। কোনো হকার ব্যবসা বন্ধ করতে চাইলে সিটি করপোরেশনকে বিষয়টি জানাতে হবে।
তিনি আরও বলেন, কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছাড়া হকাররা ব্যবসার ধরন পরিবর্তন করতে পারবেন না। নির্ধারিত মাপের চেয়ে বড় স্টল বা ভ্যান করা যাবে না এবং বরাদ্দকৃত জায়গার বাইরে অতিরিক্ত স্থান দখল করা নিষিদ্ধ থাকবে। শর্ত লঙ্ঘন করলে কর্তৃপক্ষ সতর্ক করার পাশাপাশি প্রয়োজন হলে নিবন্ধন বাতিল করতে পারবে।
আব্দুস সালাম জানান, আবেদন পাওয়ার এক মাসের মধ্যে এবং জায়গা খালি থাকা সাপেক্ষে নিবন্ধন প্রক্রিয়া শেষ করে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত দেওয়া হবে। নিবন্ধনের আবেদনকারীকে কমপক্ষে ১৮ বছর বয়সী এবং বাংলাদেশের নাগরিক হতে হবে। একটি পরিবারের জন্য একটি লাইসেন্স দেওয়ার প্রস্তাব রাখা হয়েছে।
নিবন্ধিত হকারদের হালনাগাদ তালিকা ডিএসসিসির ওয়েবসাইট ও নোটিশ বোর্ডে প্রকাশ করা হবে বলেও জানান প্রশাসক। সেখানে হকারের নাম, পরিচয়, ঠিকানা ও ব্যবসার ধরনসহ প্রয়োজনীয় তথ্য থাকবে। এর মাধ্যমে নিবন্ধিত হকারদের ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করা সম্ভব হবে বলে তিনি জানান।
পথচারীদের চলাচলের বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে তিনি বলেন, হকার বসানোর জন্য এমন সড়ক ও ফুটপাত নির্বাচন করা হবে, যেখানে হকার বসার পরও পথচারীদের চলাচলের জন্য অন্তত ৫ থেকে ৬ ফুট জায়গা খালি থাকে।
প্রধান সড়কে হকার বসতে পারবেন না। মেট্রো স্টেশন, বাসস্টপ ও গুরুত্বপূর্ণ মোড় থেকেও নির্দিষ্ট দূরত্ব বজায় রাখতে হবে, যাতে যানজটের সৃষ্টি না হয়।
ডিএসসিসি প্রশাসক জানান, সাপ্তাহিক ও সরকারি ছুটির দিনে নির্ধারিত স্থানে ‘হলিডে মার্কেট’ এবং অফিস সময় শেষ হওয়ার পর বাণিজ্যিক ও জনবহুল এলাকায় ‘নৈশকালীন মার্কেট’ চালুর পরিকল্পনা রয়েছে। হলিডে মার্কেটে খাবারের পাশাপাশি হস্তশিল্প ও গৃহস্থালি পণ্যকে গুরুত্ব দেওয়া হবে। নৈশকালীন মার্কেটের জন্য দিনের বেলায় ব্যস্ত কিন্তু রাতে তুলনামূলক ফাঁকা থাকা বাণিজ্যিক এলাকার নির্দিষ্ট লেন বিবেচনায় নেওয়া হবে।
তিনি বলেন, হলিডে ও নৈশকালীন মার্কেটের স্থান নির্বাচনের সময় পথচারী ও যান চলাচলে কোনো ধরনের বাধা সৃষ্টি না করার বিষয়টি গুরুত্ব পাবে। পাশাপাশি প্রতিবন্ধী ও নারীদের অগ্রাধিকার দেওয়ার কথাও জানান তিনি। খেলার মাঠ, স্কুল মাঠ, উপাসনালয়ের মাঠ ও কবরস্থানে কোনো মার্কেট বসানো যাবে না।
জনস্বার্থ ও নগর উন্নয়নের প্রয়োজনে কোনো এলাকাকে হকারমুক্ত ঘোষণা করা হলে সেটিকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে বলেও জানান ডিএসসিসি প্রশাসক। আবাসিক এলাকায় হকার বসানো নিরুৎসাহিত করা হবে। একই সঙ্গে লাইসেন্স ছাড়া ব্যবসা করা হকারদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার ক্ষমতা কর্তৃপক্ষের থাকবে।
খাদ্য বিক্রেতা হকারদের স্বাস্থ্যসম্মতভাবে খাবার প্রস্তুত ও বিক্রি নিশ্চিত করার ওপরও গুরুত্ব দেন তিনি। প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও স্বাস্থ্যবিধি না মেনে খাদ্য বিক্রির সুযোগ থাকবে না।
হকার ব্যবস্থাপনায় সিটি করপোরেশন ও পুলিশের সমন্বয়ে আঞ্চলিক ও কেন্দ্রীয় পর্যায়ে ব্যবস্থাপনা কমিটি গঠনের কথা জানান প্রশাসক। সংশ্লিষ্ট এলাকার হকারদের বিষয়গুলো স্থানীয় পর্যায়েই সমন্বয়ের মাধ্যমে দেখার কথা বলা হয়েছে। পাশাপাশি হকার সংগঠনের প্রতিনিধিদের সম্পৃক্ত করার বিষয়টিও আলোচনার মাধ্যমে বিবেচনা করা হবে।
মতবিনিময় সভায় হকার প্রতিনিধিরা প্রস্তাবিত নিবন্ধন ও মাসিক ফি কমানোর দাবি জানান। একই সঙ্গে হকারদের পুনর্বাসন, সংগঠনের প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করা এবং তুলনামূলক সংকীর্ণ ফুটপাতে হকার ব্যবস্থাপনা নিয়ে বিভিন্ন প্রস্তাব দেন তারা। প্রশাসক তাদের বক্তব্য শোনেন এবং প্রস্তাবিত নীতিমালার আলোকে বিষয়গুলো বিবেচনার আশ্বাস দেন।
সভায় হকার নেতারা রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে ব্যবসা করে আসা হকারদের সঠিক তালিকা তৈরির পাশাপাশি উপযুক্ত স্থানে পুনর্বাসনের দাবি জানান। বিশেষ করে পুরান ঢাকা ও জুরাইন এলাকার হকারদের নির্দিষ্ট স্থানে পুনর্বাসনের প্রস্তাবও তারা তুলে ধরেন।
ডিএসসিসি প্রশাসক বলেন, হকার ও নগরবাসী—উভয় পক্ষের স্বার্থ বিবেচনা করে একটি মানবিক ও কার্যকর ব্যবস্থাপনা গড়ে তুলতে চায় সিটি করপোরেশন। প্রস্তাবিত নীতিমালার মাধ্যমে হকারদের কর্মসংস্থানের সুযোগ বজায় রাখার পাশাপাশি রাজধানীর ফুটপাত ও সড়কে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা সম্ভব হবে।
সূত্র: দৈনিক ইত্তেফাক

আপনার মতামত লিখুন