পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে রাজধানীতে বিশেষ আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় রাসুলপ্রেম, আত্মশুদ্ধি, উত্তম চরিত্র গঠন এবং মহানবী হযরত মোহাম্মদ (সা.)-এর জীবনাদর্শ অনুসরণের মাধ্যমে মানবিক সমাজ গড়ে তোলার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।
ওলামা মিশন বাংলাদেশের উদ্যোগে সোমবার (১৭ আগস্ট) বিকেলে মতিঝিলের এজিবি কলোনি কমিউনিটি সেন্টারে এ আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। এতে দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে আগত পাঁচ শতাধিক আলেম-ওলামা, আশেকে রাসুল ও ইসলামী চিন্তাবিদ অংশ নেন।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন ইমাম প্রফেসর ড. কুদরত এ খোদা। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি মো. ফারুক (এম. ফারুক)।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে কুদরত এ খোদা মহানবী (সা.)-এর প্রতি গভীর ভালোবাসা, আত্মশুদ্ধি এবং সুন্দর চরিত্র গঠনের প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, মানুষের হৃদয়ে শান্তি প্রতিষ্ঠা না হলে পরিবার, সমাজ কিংবা বিশ্বে দীর্ঘস্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব নয়।
ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) পালনের প্রসঙ্গে তিনি সৈয়দ মাহবুব-এ-খোদা দেওয়ানবাগীর ভূমিকার কথা উল্লেখ করেন। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, মুসলিম সমাজে দীর্ঘ সময় ধরে ১২ রবিউল আউয়ালকে মহানবী (সা.)-এর ওফাতের দিন হিসেবে বিবেচনা করায় অনেকে তাঁর জন্মদিনের আনন্দ উদযাপন থেকে বঞ্চিত ছিলেন। তাঁর দাবি, শাহ দেওয়ানবাগী ঐতিহাসিক দলিলের ভিত্তিতে মহানবী (সা.)-এর ওফাত ১ রবিউল আউয়াল এবং জন্ম ১২ রবিউল আউয়াল তারিখে হওয়ার প্রমাণ উপস্থাপন করেন।
বাংলাদেশে আগে সিরাতুন্নবী পালিত হতো উল্লেখ করে প্রফেসর কুদরত এ খোদা বলেন, দেওয়ানবাগীর ধারাবাহিক প্রচেষ্টার ফলেই বাংলাদেশ সরকার রাষ্ট্রীয়ভাবে ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) পালন শুরু করেছে।
তিনি আলেম-ওলামা ও আশেকে রাসুলদের প্রতি মহানবী (সা.)-এর ভালোবাসা, ক্ষমা, সহমর্মিতা ও মানবিকতার শিক্ষা সমাজের সর্বস্তরে ছড়িয়ে দেওয়ার আহ্বান জানান। পাশাপাশি ব্যক্তিগত ও সামাজিক জীবনে মহানবী (সা.)-এর আদর্শ বাস্তবায়নের ওপরও গুরুত্বারোপ করেন।
আলোচনা সভায় বক্তারা মহানবী (সা.)-এর জীবন ও আদর্শ, তাঁর প্রতি ভালোবাসা, ঈদে মিলাদুন্নবীর গুরুত্ব, আত্মশুদ্ধি, সুফিবাদ এবং ব্যক্তি ও সমাজজীবনে নবীজির আদর্শ অনুসরণের প্রয়োজনীয়তা নিয়ে আলোচনা করেন।
অনুষ্ঠানে মোহাম্মদী ইসলামের মিলাদ শরিফ পাঠ করা হয়। পরে আখেরি মোনাজাতে দেশ ও জাতির কল্যাণ, মুসলিম উম্মাহর ঐক্য এবং বিশ্বমানবতার শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করা হয়।
সূত্র: কালবেলা।

মঙ্গলবার, ১৮ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৮ আগস্ট ২০২৬
পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে রাজধানীতে বিশেষ আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় রাসুলপ্রেম, আত্মশুদ্ধি, উত্তম চরিত্র গঠন এবং মহানবী হযরত মোহাম্মদ (সা.)-এর জীবনাদর্শ অনুসরণের মাধ্যমে মানবিক সমাজ গড়ে তোলার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।
ওলামা মিশন বাংলাদেশের উদ্যোগে সোমবার (১৭ আগস্ট) বিকেলে মতিঝিলের এজিবি কলোনি কমিউনিটি সেন্টারে এ আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। এতে দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে আগত পাঁচ শতাধিক আলেম-ওলামা, আশেকে রাসুল ও ইসলামী চিন্তাবিদ অংশ নেন।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন ইমাম প্রফেসর ড. কুদরত এ খোদা। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি মো. ফারুক (এম. ফারুক)।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে কুদরত এ খোদা মহানবী (সা.)-এর প্রতি গভীর ভালোবাসা, আত্মশুদ্ধি এবং সুন্দর চরিত্র গঠনের প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, মানুষের হৃদয়ে শান্তি প্রতিষ্ঠা না হলে পরিবার, সমাজ কিংবা বিশ্বে দীর্ঘস্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব নয়।
ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) পালনের প্রসঙ্গে তিনি সৈয়দ মাহবুব-এ-খোদা দেওয়ানবাগীর ভূমিকার কথা উল্লেখ করেন। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, মুসলিম সমাজে দীর্ঘ সময় ধরে ১২ রবিউল আউয়ালকে মহানবী (সা.)-এর ওফাতের দিন হিসেবে বিবেচনা করায় অনেকে তাঁর জন্মদিনের আনন্দ উদযাপন থেকে বঞ্চিত ছিলেন। তাঁর দাবি, শাহ দেওয়ানবাগী ঐতিহাসিক দলিলের ভিত্তিতে মহানবী (সা.)-এর ওফাত ১ রবিউল আউয়াল এবং জন্ম ১২ রবিউল আউয়াল তারিখে হওয়ার প্রমাণ উপস্থাপন করেন।
বাংলাদেশে আগে সিরাতুন্নবী পালিত হতো উল্লেখ করে প্রফেসর কুদরত এ খোদা বলেন, দেওয়ানবাগীর ধারাবাহিক প্রচেষ্টার ফলেই বাংলাদেশ সরকার রাষ্ট্রীয়ভাবে ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) পালন শুরু করেছে।
তিনি আলেম-ওলামা ও আশেকে রাসুলদের প্রতি মহানবী (সা.)-এর ভালোবাসা, ক্ষমা, সহমর্মিতা ও মানবিকতার শিক্ষা সমাজের সর্বস্তরে ছড়িয়ে দেওয়ার আহ্বান জানান। পাশাপাশি ব্যক্তিগত ও সামাজিক জীবনে মহানবী (সা.)-এর আদর্শ বাস্তবায়নের ওপরও গুরুত্বারোপ করেন।
আলোচনা সভায় বক্তারা মহানবী (সা.)-এর জীবন ও আদর্শ, তাঁর প্রতি ভালোবাসা, ঈদে মিলাদুন্নবীর গুরুত্ব, আত্মশুদ্ধি, সুফিবাদ এবং ব্যক্তি ও সমাজজীবনে নবীজির আদর্শ অনুসরণের প্রয়োজনীয়তা নিয়ে আলোচনা করেন।
অনুষ্ঠানে মোহাম্মদী ইসলামের মিলাদ শরিফ পাঠ করা হয়। পরে আখেরি মোনাজাতে দেশ ও জাতির কল্যাণ, মুসলিম উম্মাহর ঐক্য এবং বিশ্বমানবতার শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করা হয়।
সূত্র: কালবেলা।

আপনার মতামত লিখুন