সোমবার (১৮ আগস্ট) বিকেলে নগরীর একটি অভিজাত হোটেলে মোংলা বন্দর ব্যবহারকারীদের সঙ্গে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন। সভায় বন্দর ব্যবহারকারীরা বন্দরের বিভিন্ন সমস্যা ও সেবা নিয়ে নানা অভিযোগ তুলে ধরেন। একই সময়ে বন্দর উন্নয়নে নতুন কিছু উদ্যোগের কথাও জানান মন্ত্রী।
শেখ রবিউল আলম বলেন, মোংলা বন্দরকে ঘিরে এ অঞ্চলে একটি জাতীয় অর্থনৈতিক হাব গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে। বন্দরের সমস্যাগুলো চিহ্নিত করা হয়েছে। সবার সহযোগিতা নিয়ে আগামী এক মাসের মধ্যে এসব সমস্যা সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া হবে।
তিনি বলেন, মোংলা বন্দরের সম্ভাবনা অনেক। সরকারি দপ্তরগুলোতে সেবাবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করা গেলে রাজস্ব আদায়ের পরিমাণ আরও বাড়ানো সম্ভব হবে। মোংলা বন্দরের উন্নয়নে সবাইকে সম্মিলিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, জাতীয় অর্থনৈতিক হাব গড়ে উঠলে এ অঞ্চলের মানুষের জন্য কর্মসংস্থানের নতুন সুযোগ সৃষ্টি হবে।
অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রিয়ার অ্যাডমিরাল আরিফ আহমেদ মোস্তফা।
অংশীজন সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন খুলনা-২ আসনের সংসদ সদস্য শেখ জাহাঙ্গীর হুসাইন হেলাল, কেডিএ চেয়ারম্যান এস এম শফিকুল আলম, পুলিশ কমিশনার মো. সাজ্জাদুর রহমান, রেঞ্জ ডিআইজি মো. মোস্তাফিজুর রহমান, জেলা প্রশাসক হুরে জান্নাত, মোংলা কাস্টমস হাউসের কমিশনার ড. আবু নূর রাশেদ আহমেদ এবং খুলনা জেলা পরিষদের প্রশাসক এস এম মনিরুল ইসলাম বাপ্পি।
অনুষ্ঠানে প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের হারবার মাস্টার ক্যাপ্টেন মোহাম্মদ শফিকুল ইসলাম।
অংশীজন সম্মেলনে মোংলা বন্দরের ব্যবহারকারী, সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, শিল্পপ্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি, আমদানি-রপ্তানিকারক এবং গণমাধ্যমকর্মীরা অংশ নেন। তারা মোংলা বন্দরের উন্নয়ন ও সেবার মান বৃদ্ধির বিষয়ে নিজেদের মতামত জানান এবং বিভিন্ন সমস্যার কথা তুলে ধরেন।
সূত্র: কালবেলা।

মঙ্গলবার, ১৮ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৮ আগস্ট ২০২৬
সোমবার (১৮ আগস্ট) বিকেলে নগরীর একটি অভিজাত হোটেলে মোংলা বন্দর ব্যবহারকারীদের সঙ্গে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন। সভায় বন্দর ব্যবহারকারীরা বন্দরের বিভিন্ন সমস্যা ও সেবা নিয়ে নানা অভিযোগ তুলে ধরেন। একই সময়ে বন্দর উন্নয়নে নতুন কিছু উদ্যোগের কথাও জানান মন্ত্রী।
শেখ রবিউল আলম বলেন, মোংলা বন্দরকে ঘিরে এ অঞ্চলে একটি জাতীয় অর্থনৈতিক হাব গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে। বন্দরের সমস্যাগুলো চিহ্নিত করা হয়েছে। সবার সহযোগিতা নিয়ে আগামী এক মাসের মধ্যে এসব সমস্যা সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া হবে।
তিনি বলেন, মোংলা বন্দরের সম্ভাবনা অনেক। সরকারি দপ্তরগুলোতে সেবাবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করা গেলে রাজস্ব আদায়ের পরিমাণ আরও বাড়ানো সম্ভব হবে। মোংলা বন্দরের উন্নয়নে সবাইকে সম্মিলিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, জাতীয় অর্থনৈতিক হাব গড়ে উঠলে এ অঞ্চলের মানুষের জন্য কর্মসংস্থানের নতুন সুযোগ সৃষ্টি হবে।
অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রিয়ার অ্যাডমিরাল আরিফ আহমেদ মোস্তফা।
অংশীজন সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন খুলনা-২ আসনের সংসদ সদস্য শেখ জাহাঙ্গীর হুসাইন হেলাল, কেডিএ চেয়ারম্যান এস এম শফিকুল আলম, পুলিশ কমিশনার মো. সাজ্জাদুর রহমান, রেঞ্জ ডিআইজি মো. মোস্তাফিজুর রহমান, জেলা প্রশাসক হুরে জান্নাত, মোংলা কাস্টমস হাউসের কমিশনার ড. আবু নূর রাশেদ আহমেদ এবং খুলনা জেলা পরিষদের প্রশাসক এস এম মনিরুল ইসলাম বাপ্পি।
অনুষ্ঠানে প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের হারবার মাস্টার ক্যাপ্টেন মোহাম্মদ শফিকুল ইসলাম।
অংশীজন সম্মেলনে মোংলা বন্দরের ব্যবহারকারী, সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, শিল্পপ্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি, আমদানি-রপ্তানিকারক এবং গণমাধ্যমকর্মীরা অংশ নেন। তারা মোংলা বন্দরের উন্নয়ন ও সেবার মান বৃদ্ধির বিষয়ে নিজেদের মতামত জানান এবং বিভিন্ন সমস্যার কথা তুলে ধরেন।
সূত্র: কালবেলা।

আপনার মতামত লিখুন