ঢাকা    মঙ্গলবার, ১৮ আগস্ট ২০২৬, ৩ ভাদ্র ১৪৩৩
ইনসাফ টাইম ২৪

জাতীয়

চট্টগ্রাম বন্দরে এক বছরে রাজস্ব বেড়েছে প্রায় ১ হাজার কোটি টাকা

চট্টগ্রাম বন্দরে এক বছরে রাজস্ব বেড়েছে প্রায় ১ হাজার কোটি টাকা
সংগ্রহীত

চট্টগ্রাম বন্দরে চলতি বছরের প্রথম সাত মাস ১১ দিনে কনটেইনার ও জাহাজ হ্যান্ডলিং বেড়েছে। একই সময়ে কনটেইনারবাহী জাহাজের বন্দরে অপেক্ষার সময়ও উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। তবে মোট কার্গো হ্যান্ডলিংয়ে সামান্য পতন হয়েছে। সব মিলিয়ে বন্দরের কার্যক্রমে গতি আসায় এক বছরের ব্যবধানে রাজস্ব আয় বেড়েছে প্রায় ১ হাজার কোটি টাকা।

চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের ১১ আগস্ট পর্যন্ত বন্দরে কনটেইনার হ্যান্ডলিং হয়েছে ২ দশমিক ১৪৪ লাখ টিইইউএস। ২০২৫ সালের একই সময়ে এ সংখ্যা ছিল ২ দশমিক ৪১ লাখ টিইইউএস।

একই সময়ে জাহাজ হ্যান্ডলিংও বেড়েছে। ২০২৫ সালের প্রথম সাত মাস ১১ দিনে ২ হাজার ৫৮৮টি জাহাজ হ্যান্ডলিং করা হলেও চলতি বছরের একই সময়ে তা বেড়ে হয়েছে ২ হাজার ৬৩৫টি। অর্থাৎ ৪৭টি বা প্রায় ১ দশমিক ৮ শতাংশ বেশি জাহাজ হ্যান্ডলিং হয়েছে।

কার্গো হ্যান্ডলিং সামান্য কমেছে

তবে একই সময়ে মোট কার্গো হ্যান্ডলিং কিছুটা কমেছে। ২০২৫ সালের জানুয়ারি থেকে ১১ আগস্ট পর্যন্ত বন্দরে ৮৪ দশমিক ২১ মিলিয়ন মেট্রিক টন কার্গো হ্যান্ডলিং হয়েছিল। চলতি বছরের একই সময়ে তা কমে হয়েছে ৮৩ দশমিক ৫১ মিলিয়ন মেট্রিক টন। অর্থাৎ কার্গো হ্যান্ডলিং কমেছে প্রায় শূন্য দশমিক ৭ মিলিয়ন মেট্রিক টন।

৭০ শতাংশ কমেছে জাহাজের অপেক্ষার সময়

বন্দরের কার্যক্রমে বড় ধরনের উন্নতি দেখা গেছে কনটেইনারবাহী জাহাজের অপেক্ষার সময়ে। ২০২৫ সালে একটি কনটেইনার জাহাজকে বন্দরে প্রবেশের জন্য গড়ে ৪ দশমিক ০৮ দিন অপেক্ষা করতে হতো। চলতি বছরে তা কমে দাঁড়িয়েছে ১ দশমিক ২৩ দিনে।

অর্থাৎ জাহাজের অপেক্ষার সময় ২ দশমিক ৮৫ দিন বা প্রায় ৭০ শতাংশ কমেছে। বন্দর সংশ্লিষ্টরা বলছেন, জেটি ব্যবস্থাপনায় সমন্বয়, দ্রুত কনটেইনার খালাস এবং অপারেশনাল দক্ষতা বৃদ্ধির কারণে এ অগ্রগতি হয়েছে।

কমেছে টার্নঅ্যারাউন্ড টাইম

জাহাজ বন্দরে ভেড়ার পর প্রয়োজনীয় কার্যক্রম শেষ করে ফিরে যেতে যে সময় লাগে, সেটিও কমেছে। ২০২৫ সালে একটি জাহাজের গড় টার্নঅ্যারাউন্ড টাইম ছিল ২ দশমিক ৬০ দিন। চলতি বছরে তা কমে হয়েছে ২ দশমিক ২৮ দিন। অর্থাৎ সময় কমেছে শূন্য দশমিক ৩২ দিন বা প্রায় ১২ শতাংশ।

অন্যদিকে আমদানি করা কনটেইনার বন্দরে গড়ে কতদিন অবস্থান করে, সেই ডুয়েলিং টাইমে তেমন পরিবর্তন হয়নি। ২০২৫ সালে এ সময় ছিল ৯ দশমিক ৫৬ দিন, যা চলতি বছরে সামান্য কমে ৯ দশমিক ৫১ দিনে দাঁড়িয়েছে।

রাজস্ব আয় বেড়েছে ৯৯৯ কোটি টাকা

চলতি অর্থবছরের প্রথম ছয় মাসে চট্টগ্রাম বন্দরের রাজস্ব আয় উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। বন্দর সূত্রে জানা গেছে, ২০২৪-২৫ অর্থবছরের জানুয়ারি-জুন সময়ে রাজস্ব আয় ছিল ২ হাজার ৯৪৭ কোটি ৮২ লাখ টাকা। ২০২৫-২৬ অর্থবছরের একই সময়ে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩ হাজার ৯৪৭ কোটি ৬৯ লাখ টাকা।

অর্থাৎ এক বছরের ব্যবধানে রাজস্ব আয় বেড়েছে ৯৯৯ কোটি ৮৭ লাখ টাকা বা ৩৩ দশমিক ৯২ শতাংশ।

রাজস্ব ব্যয় কমেছে ৫৪ কোটি টাকা

রাজস্ব ব্যয়ের ক্ষেত্রেও ইতিবাচক পরিবর্তন দেখা গেছে। ২০২৪-২৫ অর্থবছরের প্রথম ছয় মাসে রাজস্ব ব্যয় হয়েছিল ১ হাজার ৪৪৬ কোটি ২৪ লাখ টাকা। চলতি অর্থবছরের একই সময়ে তা কমে দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ৩৯১ কোটি ৫১ লাখ টাকা।

ফলে এক বছরের ব্যবধানে রাজস্ব ব্যয় কমেছে ৫৪ কোটি ৭৩ লাখ টাকা বা ৩ দশমিক ৭৮ শতাংশ।

রাজস্ব উদ্বৃত্ত বেড়েছে ৭০ শতাংশ

রাজস্ব আয় বাড়ার পাশাপাশি ব্যয় কমে যাওয়ায় উদ্বৃত্তের পরিমাণও উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। ২০২৪-২৫ অর্থবছরের জানুয়ারি-জুন সময়ে রাজস্ব উদ্বৃত্ত ছিল ১ হাজার ৫০১ কোটি ৫৮ লাখ টাকা। চলতি অর্থবছরের একই সময়ে তা বেড়ে হয়েছে ২ হাজার ৫৫৬ কোটি ১৮ লাখ টাকা।

অর্থাৎ এক বছরে রাজস্ব উদ্বৃত্ত বেড়েছে ১ হাজার ৫৪ কোটি ৬০ লাখ টাকা বা ৭০ দশমিক ২৩ শতাংশ।

রপ্তানি কনটেইনার জাহাজীকরণে নতুন রেকর্ড

চট্টগ্রাম বন্দরে এক জাহাজে সর্বোচ্চ রপ্তানি পণ্যবাহী কনটেইনার জাহাজীকরণের নতুন রেকর্ড হয়েছে। গত ১২ আগস্ট জেনারেল কার্গো বার্থের (জিসিবি) ১১ নম্বর জেটি থেকে মার্স্ক লাইনের ‘মারস্ক বিন্টুলু’ জাহাজে ৯৩৩ বক্স রপ্তানি পণ্যবাহী লোড কনটেইনার জাহাজীকরণ করা হয়। এসব কনটেইনারে মোট ১ হাজার ৭৮৪ টিইইউএস রপ্তানি পণ্য ছিল।

বন্দর কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, এক জাহাজে রপ্তানি পণ্যবাহী লোড কনটেইনার জাহাজীকরণের ক্ষেত্রে এটি এখন পর্যন্ত সর্বোচ্চ রেকর্ড। এর আগে গত ১৮ জুন এক জাহাজে ৭৪২ বক্স বা ১ হাজার ৪৩৯ টিইইউএস রপ্তানি পণ্যবাহী কনটেইনার জাহাজীকরণের রেকর্ড ছিল।

এ ছাড়া ‘মারস্ক বিন্টুলু’ জাহাজে ১৪৪ বক্স খালি কনটেইনারও জাহাজীকরণ করা হয়। সব মিলিয়ে ওই জাহাজে ১ হাজার ৭৭ বক্স কনটেইনার বা ১ হাজার ৯৩১ টিইইউএস জাহাজীকরণ করা হয়েছে।

চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের সচিব সৈয়দ রেফায়েত হামিম বলেন, গত ছয় মাসে চট্টগ্রাম বন্দরে কনটেইনার হ্যান্ডলিং ও রাজস্ব আয় বেড়েছে। পুরো বছরে এ সাফল্য আরও বাড়বে বলে আশা করছেন তিনি।

সূত্র: চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ

আপনার মতামত লিখুন

ইনসাফ টাইম ২৪

মঙ্গলবার, ১৮ আগস্ট ২০২৬


চট্টগ্রাম বন্দরে এক বছরে রাজস্ব বেড়েছে প্রায় ১ হাজার কোটি টাকা

প্রকাশের তারিখ : ১৮ আগস্ট ২০২৬

featured Image



চট্টগ্রাম বন্দরে চলতি বছরের প্রথম সাত মাস ১১ দিনে কনটেইনার ও জাহাজ হ্যান্ডলিং বেড়েছে। একই সময়ে কনটেইনারবাহী জাহাজের বন্দরে অপেক্ষার সময়ও উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। তবে মোট কার্গো হ্যান্ডলিংয়ে সামান্য পতন হয়েছে। সব মিলিয়ে বন্দরের কার্যক্রমে গতি আসায় এক বছরের ব্যবধানে রাজস্ব আয় বেড়েছে প্রায় ১ হাজার কোটি টাকা।


চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের ১১ আগস্ট পর্যন্ত বন্দরে কনটেইনার হ্যান্ডলিং হয়েছে ২ দশমিক ১৪৪ লাখ টিইইউএস। ২০২৫ সালের একই সময়ে এ সংখ্যা ছিল ২ দশমিক ৪১ লাখ টিইইউএস।


একই সময়ে জাহাজ হ্যান্ডলিংও বেড়েছে। ২০২৫ সালের প্রথম সাত মাস ১১ দিনে ২ হাজার ৫৮৮টি জাহাজ হ্যান্ডলিং করা হলেও চলতি বছরের একই সময়ে তা বেড়ে হয়েছে ২ হাজার ৬৩৫টি। অর্থাৎ ৪৭টি বা প্রায় ১ দশমিক ৮ শতাংশ বেশি জাহাজ হ্যান্ডলিং হয়েছে।


কার্গো হ্যান্ডলিং সামান্য কমেছে


তবে একই সময়ে মোট কার্গো হ্যান্ডলিং কিছুটা কমেছে। ২০২৫ সালের জানুয়ারি থেকে ১১ আগস্ট পর্যন্ত বন্দরে ৮৪ দশমিক ২১ মিলিয়ন মেট্রিক টন কার্গো হ্যান্ডলিং হয়েছিল। চলতি বছরের একই সময়ে তা কমে হয়েছে ৮৩ দশমিক ৫১ মিলিয়ন মেট্রিক টন। অর্থাৎ কার্গো হ্যান্ডলিং কমেছে প্রায় শূন্য দশমিক ৭ মিলিয়ন মেট্রিক টন।


৭০ শতাংশ কমেছে জাহাজের অপেক্ষার সময়


বন্দরের কার্যক্রমে বড় ধরনের উন্নতি দেখা গেছে কনটেইনারবাহী জাহাজের অপেক্ষার সময়ে। ২০২৫ সালে একটি কনটেইনার জাহাজকে বন্দরে প্রবেশের জন্য গড়ে ৪ দশমিক ০৮ দিন অপেক্ষা করতে হতো। চলতি বছরে তা কমে দাঁড়িয়েছে ১ দশমিক ২৩ দিনে।


অর্থাৎ জাহাজের অপেক্ষার সময় ২ দশমিক ৮৫ দিন বা প্রায় ৭০ শতাংশ কমেছে। বন্দর সংশ্লিষ্টরা বলছেন, জেটি ব্যবস্থাপনায় সমন্বয়, দ্রুত কনটেইনার খালাস এবং অপারেশনাল দক্ষতা বৃদ্ধির কারণে এ অগ্রগতি হয়েছে।


কমেছে টার্নঅ্যারাউন্ড টাইম


জাহাজ বন্দরে ভেড়ার পর প্রয়োজনীয় কার্যক্রম শেষ করে ফিরে যেতে যে সময় লাগে, সেটিও কমেছে। ২০২৫ সালে একটি জাহাজের গড় টার্নঅ্যারাউন্ড টাইম ছিল ২ দশমিক ৬০ দিন। চলতি বছরে তা কমে হয়েছে ২ দশমিক ২৮ দিন। অর্থাৎ সময় কমেছে শূন্য দশমিক ৩২ দিন বা প্রায় ১২ শতাংশ।


অন্যদিকে আমদানি করা কনটেইনার বন্দরে গড়ে কতদিন অবস্থান করে, সেই ডুয়েলিং টাইমে তেমন পরিবর্তন হয়নি। ২০২৫ সালে এ সময় ছিল ৯ দশমিক ৫৬ দিন, যা চলতি বছরে সামান্য কমে ৯ দশমিক ৫১ দিনে দাঁড়িয়েছে।


রাজস্ব আয় বেড়েছে ৯৯৯ কোটি টাকা


চলতি অর্থবছরের প্রথম ছয় মাসে চট্টগ্রাম বন্দরের রাজস্ব আয় উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। বন্দর সূত্রে জানা গেছে, ২০২৪-২৫ অর্থবছরের জানুয়ারি-জুন সময়ে রাজস্ব আয় ছিল ২ হাজার ৯৪৭ কোটি ৮২ লাখ টাকা। ২০২৫-২৬ অর্থবছরের একই সময়ে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩ হাজার ৯৪৭ কোটি ৬৯ লাখ টাকা।


অর্থাৎ এক বছরের ব্যবধানে রাজস্ব আয় বেড়েছে ৯৯৯ কোটি ৮৭ লাখ টাকা বা ৩৩ দশমিক ৯২ শতাংশ।


রাজস্ব ব্যয় কমেছে ৫৪ কোটি টাকা


রাজস্ব ব্যয়ের ক্ষেত্রেও ইতিবাচক পরিবর্তন দেখা গেছে। ২০২৪-২৫ অর্থবছরের প্রথম ছয় মাসে রাজস্ব ব্যয় হয়েছিল ১ হাজার ৪৪৬ কোটি ২৪ লাখ টাকা। চলতি অর্থবছরের একই সময়ে তা কমে দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ৩৯১ কোটি ৫১ লাখ টাকা।


ফলে এক বছরের ব্যবধানে রাজস্ব ব্যয় কমেছে ৫৪ কোটি ৭৩ লাখ টাকা বা ৩ দশমিক ৭৮ শতাংশ।


রাজস্ব উদ্বৃত্ত বেড়েছে ৭০ শতাংশ


রাজস্ব আয় বাড়ার পাশাপাশি ব্যয় কমে যাওয়ায় উদ্বৃত্তের পরিমাণও উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। ২০২৪-২৫ অর্থবছরের জানুয়ারি-জুন সময়ে রাজস্ব উদ্বৃত্ত ছিল ১ হাজার ৫০১ কোটি ৫৮ লাখ টাকা। চলতি অর্থবছরের একই সময়ে তা বেড়ে হয়েছে ২ হাজার ৫৫৬ কোটি ১৮ লাখ টাকা।


অর্থাৎ এক বছরে রাজস্ব উদ্বৃত্ত বেড়েছে ১ হাজার ৫৪ কোটি ৬০ লাখ টাকা বা ৭০ দশমিক ২৩ শতাংশ।


রপ্তানি কনটেইনার জাহাজীকরণে নতুন রেকর্ড


চট্টগ্রাম বন্দরে এক জাহাজে সর্বোচ্চ রপ্তানি পণ্যবাহী কনটেইনার জাহাজীকরণের নতুন রেকর্ড হয়েছে। গত ১২ আগস্ট জেনারেল কার্গো বার্থের (জিসিবি) ১১ নম্বর জেটি থেকে মার্স্ক লাইনের ‘মারস্ক বিন্টুলু’ জাহাজে ৯৩৩ বক্স রপ্তানি পণ্যবাহী লোড কনটেইনার জাহাজীকরণ করা হয়। এসব কনটেইনারে মোট ১ হাজার ৭৮৪ টিইইউএস রপ্তানি পণ্য ছিল।


বন্দর কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, এক জাহাজে রপ্তানি পণ্যবাহী লোড কনটেইনার জাহাজীকরণের ক্ষেত্রে এটি এখন পর্যন্ত সর্বোচ্চ রেকর্ড। এর আগে গত ১৮ জুন এক জাহাজে ৭৪২ বক্স বা ১ হাজার ৪৩৯ টিইইউএস রপ্তানি পণ্যবাহী কনটেইনার জাহাজীকরণের রেকর্ড ছিল।


এ ছাড়া ‘মারস্ক বিন্টুলু’ জাহাজে ১৪৪ বক্স খালি কনটেইনারও জাহাজীকরণ করা হয়। সব মিলিয়ে ওই জাহাজে ১ হাজার ৭৭ বক্স কনটেইনার বা ১ হাজার ৯৩১ টিইইউএস জাহাজীকরণ করা হয়েছে।


চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের সচিব সৈয়দ রেফায়েত হামিম বলেন, গত ছয় মাসে চট্টগ্রাম বন্দরে কনটেইনার হ্যান্ডলিং ও রাজস্ব আয় বেড়েছে। পুরো বছরে এ সাফল্য আরও বাড়বে বলে আশা করছেন তিনি।


সূত্র: চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ


ইনসাফ টাইম ২৪

প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান - মোঃ জাকারিয়া আহম্মেদ 
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক - মোঃ আতিকুল ইসলাম
প্রকাশক ও নির্বাহী সম্পাদক - মোঃ রাকিব হোসাইন হৃদয় 
সহ-সম্পাদক- মোঃ জাকারিয়া হোসেন
বার্তা সম্পাদক - মোঃ ওলিউল্লাহ

কপিরাইট © ২০২৬ ইনসাফ টাইম ২৪ । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
চট্টগ্রাম বন্দরে এক বছরে রাজস্ব বেড়েছে প্রায় ১ হাজার কোটি টাকা
0:00 0:00
1.0x