মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) দুপুরে নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ের মেঘনাঘাট এলাকায় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে এআই ‘অটো ফাইন সিস্টেম’ ক্যামেরার উদ্বোধন করেন তিনি। এ সময় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, এখন থেকে মহাসড়কে কোনো ট্রাফিক আইন লঙ্ঘন হলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে মামলা তৈরি হবে। মহাসড়কে মালিক কিংবা শ্রমিক—যে পক্ষই চাঁদাবাজির সঙ্গে জড়িত থাকুক, এআই ক্যামেরায় সংশ্লিষ্ট কর্মকাণ্ড রেকর্ড হবে। এতে চাঁদাবাজির প্রবণতা কমে আসবে।
তিনি বলেন, থ্রি-হুইলার কেবল বাজার, ফিলিং স্টেশন ও ফিডার রোডে চলাচল করতে পারবে। কোনোভাবেই এসব যানবাহনকে মহাসড়কে উঠতে দেওয়া হবে না। মহাসড়কে উঠলে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
পুলিশের হাইওয়ে বিভাগ জানিয়েছে, নতুন এ সিস্টেমের আওতায় অতিরিক্ত গতিতে গাড়ি চালানো, অবৈধভাবে পার্কিং করা এবং উল্টোপথে চলাচলসহ বিভিন্ন ধরনের ট্রাফিক আইন লঙ্ঘন এআই ক্যামেরার মাধ্যমে স্বয়ংক্রিয়ভাবে শনাক্ত হবে।
আইন লঙ্ঘনের ঘটনা শনাক্ত হওয়ার পর গাড়ির নিবন্ধিত মালিকের মোবাইল নম্বরে মামলার তথ্য এবং জরিমানার নোটিশ পাঠানো হবে। নির্দিষ্ট মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসের (এমএফএস) মাধ্যমে ঘরে বসেই জরিমানার টাকা পরিশোধের সুযোগ থাকবে।
কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে সিস্টেমটি চালুর পর এর কার্যক্রমে কোনো ধরনের ত্রুটি বা সীমাবদ্ধতা দেখা দিলে তা সংশোধন করা হবে। এরপর ধাপে ধাপে দেশের অন্যান্য মহাসড়কেও এআইভিত্তিক অটো ফাইন সিস্টেম স্থাপন করা হবে।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মনজুর মোর্শেদ চৌধুরী, পুলিশের আইজিপি মো. আলী হোসেন ফকির, বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন শ্রমিক ফেডারেশনের সভাপতি শিমুল বিশ্বাস, নারায়ণগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য আজহারুল ইসলাম মান্নানসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
সূত্র: বিডি টুয়েন্টি লাইভ

মঙ্গলবার, ১৮ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৮ আগস্ট ২০২৬
মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) দুপুরে নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ের মেঘনাঘাট এলাকায় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে এআই ‘অটো ফাইন সিস্টেম’ ক্যামেরার উদ্বোধন করেন তিনি। এ সময় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, এখন থেকে মহাসড়কে কোনো ট্রাফিক আইন লঙ্ঘন হলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে মামলা তৈরি হবে। মহাসড়কে মালিক কিংবা শ্রমিক—যে পক্ষই চাঁদাবাজির সঙ্গে জড়িত থাকুক, এআই ক্যামেরায় সংশ্লিষ্ট কর্মকাণ্ড রেকর্ড হবে। এতে চাঁদাবাজির প্রবণতা কমে আসবে।
তিনি বলেন, থ্রি-হুইলার কেবল বাজার, ফিলিং স্টেশন ও ফিডার রোডে চলাচল করতে পারবে। কোনোভাবেই এসব যানবাহনকে মহাসড়কে উঠতে দেওয়া হবে না। মহাসড়কে উঠলে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
পুলিশের হাইওয়ে বিভাগ জানিয়েছে, নতুন এ সিস্টেমের আওতায় অতিরিক্ত গতিতে গাড়ি চালানো, অবৈধভাবে পার্কিং করা এবং উল্টোপথে চলাচলসহ বিভিন্ন ধরনের ট্রাফিক আইন লঙ্ঘন এআই ক্যামেরার মাধ্যমে স্বয়ংক্রিয়ভাবে শনাক্ত হবে।
আইন লঙ্ঘনের ঘটনা শনাক্ত হওয়ার পর গাড়ির নিবন্ধিত মালিকের মোবাইল নম্বরে মামলার তথ্য এবং জরিমানার নোটিশ পাঠানো হবে। নির্দিষ্ট মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসের (এমএফএস) মাধ্যমে ঘরে বসেই জরিমানার টাকা পরিশোধের সুযোগ থাকবে।
কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে সিস্টেমটি চালুর পর এর কার্যক্রমে কোনো ধরনের ত্রুটি বা সীমাবদ্ধতা দেখা দিলে তা সংশোধন করা হবে। এরপর ধাপে ধাপে দেশের অন্যান্য মহাসড়কেও এআইভিত্তিক অটো ফাইন সিস্টেম স্থাপন করা হবে।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মনজুর মোর্শেদ চৌধুরী, পুলিশের আইজিপি মো. আলী হোসেন ফকির, বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন শ্রমিক ফেডারেশনের সভাপতি শিমুল বিশ্বাস, নারায়ণগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য আজহারুল ইসলাম মান্নানসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
সূত্র: বিডি টুয়েন্টি লাইভ

আপনার মতামত লিখুন