অনুষ্ঠানে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে পাঁচ শতাধিক আলেম-ওলামা অংশ নেন। সভায় মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর জীবন, আদর্শ, মানবিক মূল্যবোধ এবং ইসলামের শান্তি ও সম্প্রীতির বার্তা নিয়ে আলোচনা করা হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মোহাম্মদী ইসলামের নেতৃত্ব প্রদানকারী ইমাম প্রফেসর ড. কুদরত এ খোদা হুজুর।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি মো. ফারুক (এম. ফারুক), সাবেক জেলা ও দায়রা জজ আবদুল আজিজ খলিফা এবং গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের সাবেক অতিরিক্ত সচিব ড. পিয়ার মোহাম্মদ।
এ ছাড়া অনুষ্ঠানে বিভিন্ন ইসলামিক স্কলার, লেখক, গবেষক ও আইনজীবীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার বিশিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
আলোচনা সভায় বক্তারা ঈদে মিলাদুন্নবীর তাৎপর্য তুলে ধরেন। তারা মহানবী (সা.)-এর শিক্ষা ও আদর্শ অনুসরণ করে সমাজে শান্তি, ন্যায়, মানবিকতা ও পারস্পরিক সম্প্রীতি প্রতিষ্ঠার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়া আলেম-ওলামা ও অতিথিরা ঈদে মিলাদুন্নবীর তাৎপর্য নিয়ে নিজেদের বক্তব্য তুলে ধরেন। পাশাপাশি ইসলামের শান্তি ও মানবকল্যাণের শিক্ষা মানুষের মধ্যে ছড়িয়ে দেওয়ার প্রয়োজনীয়তার কথাও তুলে ধরা হয়।
বিভিন্ন পর্যায়ের আলেম-ওলামা, ইসলামিক স্কলার, লেখক, গবেষক ও আইনজীবীদের অংশগ্রহণে আয়োজিত এ আলোচনা সভায় ধর্মীয় ও সামাজিক বিভিন্ন বিষয় নিয়ে মতবিনিময় হয়।

মঙ্গলবার, ১৮ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৮ আগস্ট ২০২৬
অনুষ্ঠানে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে পাঁচ শতাধিক আলেম-ওলামা অংশ নেন। সভায় মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর জীবন, আদর্শ, মানবিক মূল্যবোধ এবং ইসলামের শান্তি ও সম্প্রীতির বার্তা নিয়ে আলোচনা করা হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মোহাম্মদী ইসলামের নেতৃত্ব প্রদানকারী ইমাম প্রফেসর ড. কুদরত এ খোদা হুজুর।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি মো. ফারুক (এম. ফারুক), সাবেক জেলা ও দায়রা জজ আবদুল আজিজ খলিফা এবং গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের সাবেক অতিরিক্ত সচিব ড. পিয়ার মোহাম্মদ।
এ ছাড়া অনুষ্ঠানে বিভিন্ন ইসলামিক স্কলার, লেখক, গবেষক ও আইনজীবীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার বিশিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
আলোচনা সভায় বক্তারা ঈদে মিলাদুন্নবীর তাৎপর্য তুলে ধরেন। তারা মহানবী (সা.)-এর শিক্ষা ও আদর্শ অনুসরণ করে সমাজে শান্তি, ন্যায়, মানবিকতা ও পারস্পরিক সম্প্রীতি প্রতিষ্ঠার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়া আলেম-ওলামা ও অতিথিরা ঈদে মিলাদুন্নবীর তাৎপর্য নিয়ে নিজেদের বক্তব্য তুলে ধরেন। পাশাপাশি ইসলামের শান্তি ও মানবকল্যাণের শিক্ষা মানুষের মধ্যে ছড়িয়ে দেওয়ার প্রয়োজনীয়তার কথাও তুলে ধরা হয়।
বিভিন্ন পর্যায়ের আলেম-ওলামা, ইসলামিক স্কলার, লেখক, গবেষক ও আইনজীবীদের অংশগ্রহণে আয়োজিত এ আলোচনা সভায় ধর্মীয় ও সামাজিক বিভিন্ন বিষয় নিয়ে মতবিনিময় হয়।

আপনার মতামত লিখুন