বিশিষ্ট ইসলামী স্কলার মুফতি রেজাউল করীম আবরার তার ইউটিউব চ্যানেলে নখের ভেতরের ময়লা ও ফরজ গোসলের শুদ্ধতা নিয়ে তাত্ত্বিক ও ব্যবহারিক দিকনির্দেশনা দিয়েছেন। তার মতে, নখ বড় রাখা সুন্নাহর সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। কারণ রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নিয়মিত নখ কাটার নির্দেশ দিয়েছেন। লম্বা নখের নিচে জমে থাকা ময়লা শারীরিক পরিচ্ছন্নতার পাশাপাশি ফরজ গোসল ও ইবাদতের ক্ষেত্রেও সমস্যা তৈরি করতে পারে।
বর্তমানে অনেক মুসলিমের মধ্যে পশ্চিমা সংস্কৃতির অনুসরণে লম্বা নখ রাখার প্রবণতা দেখা যায়। মুফতি রেজাউল করীম আবরার এটিকে ‘বাজে সংস্কৃতি’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন। ইসলামের বিধান অনুযায়ী নখ কাটা গুরুত্বপূর্ণ সুন্নাহ এবং রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তা পালনের নির্দেশ দিয়েছেন। নখ বড় রাখা কিংবা সময়মতো না কাটাকে তিনি আধ্যাত্মিক ও শারীরিক পরিচ্ছন্নতার পরিপন্থি হিসেবে উল্লেখ করেছেন।
ফরজ গোসলের অন্যতম প্রধান শর্ত হলো শরীরের প্রতিটি অংশে পানি পৌঁছানো। এ কারণে নখের ভেতরেও পানি পৌঁছানো ওয়াজিব। মুফতি রেজাউল করীম আবরারের মতে, নখ স্বাভাবিক অবস্থায় থাকলে এবং তাতে সামান্য ময়লা জমলেও সাধারণত ধোয়ার সময় নখের ভেতরে পানি পৌঁছাতে বাধা হয় না। এ অবস্থায় ফরজ গোসল আদায় হয়ে যাবে।
তবে কেউ যদি শখ করে নখ অতিরিক্ত বড় রাখেন এবং সেখানে বেশি পরিমাণ ময়লা জমে যায়, তখন সমস্যা তৈরি হতে পারে। নখের ভেতরের ময়লা এত ঘন হয়ে গেলে যে সেটি ভেদ করে পানি ভেতরে পৌঁছাতে না পারে, তাহলে ফরজ গোসল আদায় হবে না।
ফরজ গোসল শুদ্ধ হওয়ার সঙ্গে একজন মুমিনের ইবাদতের বিষয়টি জড়িত। মুফতি রেজাউল করীম আবরার গুরুত্ব দিয়ে বলেন, নখের ময়লার কারণে যদি ফরজ গোসল আদায় না হয়, তাহলে ওই অবস্থায় করা ইবাদতও কবুল হবে না। কারণ অপবিত্র অবস্থায় নামাজ বা অন্য ইবাদত করার সুযোগ ইসলামে নেই। তাই নখ লম্বা রাখার কারণে সামান্য অসতর্কতাও ইবাদতের ক্ষেত্রে সমস্যার কারণ হতে পারে।
মুমিন মুসলমানের জীবন পরিচালিত হওয়া উচিত সুন্নাহর আলোকে। নখ লম্বা রাখার মতো বিজাতীয় সংস্কৃতি থেকে বিরত থেকে নিয়মিত নখ কাটার সুন্নাহ পালন করা জরুরি। বিশেষ করে ফরজ গোসলের সময় নখের ভেতরের ময়লা পরিষ্কার করে সেখানে পানি পৌঁছেছে কি না, তা নিশ্চিত করতে হবে।
মুফতি রেজাউল করীম আবরার আহ্বান জানিয়েছেন, জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সুন্নাহ অনুসরণ করে ইবাদতকে ত্রুটিমুক্ত রাখার চেষ্টা করতে।
সূত্র: কালবেলা।

মঙ্গলবার, ১৮ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৮ আগস্ট ২০২৬
বিশিষ্ট ইসলামী স্কলার মুফতি রেজাউল করীম আবরার তার ইউটিউব চ্যানেলে নখের ভেতরের ময়লা ও ফরজ গোসলের শুদ্ধতা নিয়ে তাত্ত্বিক ও ব্যবহারিক দিকনির্দেশনা দিয়েছেন। তার মতে, নখ বড় রাখা সুন্নাহর সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। কারণ রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নিয়মিত নখ কাটার নির্দেশ দিয়েছেন। লম্বা নখের নিচে জমে থাকা ময়লা শারীরিক পরিচ্ছন্নতার পাশাপাশি ফরজ গোসল ও ইবাদতের ক্ষেত্রেও সমস্যা তৈরি করতে পারে।
বর্তমানে অনেক মুসলিমের মধ্যে পশ্চিমা সংস্কৃতির অনুসরণে লম্বা নখ রাখার প্রবণতা দেখা যায়। মুফতি রেজাউল করীম আবরার এটিকে ‘বাজে সংস্কৃতি’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন। ইসলামের বিধান অনুযায়ী নখ কাটা গুরুত্বপূর্ণ সুন্নাহ এবং রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তা পালনের নির্দেশ দিয়েছেন। নখ বড় রাখা কিংবা সময়মতো না কাটাকে তিনি আধ্যাত্মিক ও শারীরিক পরিচ্ছন্নতার পরিপন্থি হিসেবে উল্লেখ করেছেন।
ফরজ গোসলের অন্যতম প্রধান শর্ত হলো শরীরের প্রতিটি অংশে পানি পৌঁছানো। এ কারণে নখের ভেতরেও পানি পৌঁছানো ওয়াজিব। মুফতি রেজাউল করীম আবরারের মতে, নখ স্বাভাবিক অবস্থায় থাকলে এবং তাতে সামান্য ময়লা জমলেও সাধারণত ধোয়ার সময় নখের ভেতরে পানি পৌঁছাতে বাধা হয় না। এ অবস্থায় ফরজ গোসল আদায় হয়ে যাবে।
তবে কেউ যদি শখ করে নখ অতিরিক্ত বড় রাখেন এবং সেখানে বেশি পরিমাণ ময়লা জমে যায়, তখন সমস্যা তৈরি হতে পারে। নখের ভেতরের ময়লা এত ঘন হয়ে গেলে যে সেটি ভেদ করে পানি ভেতরে পৌঁছাতে না পারে, তাহলে ফরজ গোসল আদায় হবে না।
ফরজ গোসল শুদ্ধ হওয়ার সঙ্গে একজন মুমিনের ইবাদতের বিষয়টি জড়িত। মুফতি রেজাউল করীম আবরার গুরুত্ব দিয়ে বলেন, নখের ময়লার কারণে যদি ফরজ গোসল আদায় না হয়, তাহলে ওই অবস্থায় করা ইবাদতও কবুল হবে না। কারণ অপবিত্র অবস্থায় নামাজ বা অন্য ইবাদত করার সুযোগ ইসলামে নেই। তাই নখ লম্বা রাখার কারণে সামান্য অসতর্কতাও ইবাদতের ক্ষেত্রে সমস্যার কারণ হতে পারে।
মুমিন মুসলমানের জীবন পরিচালিত হওয়া উচিত সুন্নাহর আলোকে। নখ লম্বা রাখার মতো বিজাতীয় সংস্কৃতি থেকে বিরত থেকে নিয়মিত নখ কাটার সুন্নাহ পালন করা জরুরি। বিশেষ করে ফরজ গোসলের সময় নখের ভেতরের ময়লা পরিষ্কার করে সেখানে পানি পৌঁছেছে কি না, তা নিশ্চিত করতে হবে।
মুফতি রেজাউল করীম আবরার আহ্বান জানিয়েছেন, জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সুন্নাহ অনুসরণ করে ইবাদতকে ত্রুটিমুক্ত রাখার চেষ্টা করতে।
সূত্র: কালবেলা।

আপনার মতামত লিখুন